একাদশ জাতীয় নির্বাচন মৌলভীবাজারের চা স্টলে নির্বাচনী আমেজ

ডিসেম্বর ৮, ২০১৮, ১১:১৯ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৭২৬ বার পঠিত

সাইফুল্লাহ হাসান॥ দেশের একমাত্র চায়ের রাজধানী ক্ষেত মৌলভীবাজার জেলাস্থ শ্রীমঙ্গল। এখানকার মানুষের সকালে ঘুম ভাঙ্গলেই যেনো এক কাপ চা না খেলে তাদের সারদিন চলেইনা। আর সকাল হলেই উপলব্ধি করা যায় গ্রামীণ মানুষের ছোট ছোট চা স্টলে ভীড় জমানো। তবে কম বেশি সকল চা স্টলগুলোতে রয়েছে ছোট বড় হরেক রকমের টেলিভিশন। তারা আবার চা স্টলে বসে পুরো সাউন্ড দিয়ে বাংলা মুভি,নাটকসহ আরো কত কিছু দেখতে দেখা যায়। এবং বসে বসে বিভিন্ন ধরনের গল্পগুজবও করেন।

তবে সমনে আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচন। আর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চা স্টল গুলোতে খেটে খাওয়া মানুষের ভীড় লক্ষনীয়। নির্বাচন উপলক্ষে কি হচ্ছে দেশে, কে হচ্ছে দেশের এমপি-মন্ত্রী। তা নিয়ে মাতামাতিতে ব্যস্থ তারা। এক কথায় এরকম চা স্টলগুলোতে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

তবে এখন আগের মতো চা স্টলে আর মুভি আথবা সিরিয়াল দেখা হয় না। এরকম  চা স্টলের টিভির পর্দায় ভাসছে, নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন টেলিভিশনের হরেকরকম নির্বাচনী অনুষ্ঠান অথবা টকশোর মতো অনুষ্ঠান।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারে হাট-বাজার, দোকান-পাট, চা স্টলগুলোতে কি রকম নির্বাচনী আমেজ,আর খেটে খাওয়া মানুষইবা কি চাচ্ছে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের কাছে। তা জানতে প্রতিবেদক জেলা সদরের বিভিন্ন চা স্টল ঘুরে খেটেখাওয়া মানুষের আলাপ আলোচনা,ক্ষুভ সহ অনেকের সাথে সাক্ষাতে তারা যে বিষয়টি চান, তাদের সবার একটাই দাবি দেশে যেনো কোনো ধরনের হানাহানি ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

শিমুলতা বাজারের এক চা সটলে কিছু সময় বসলে শুনা যায় আগামী নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা ,কিছু সময় কথাবর্তা শুনে প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের উত্তরে একজন বয়স্ক লোক বলে উঠলেন, বাবা আগে আমরাও তোমাদের মতো থাকতে ভোট দিয়েছি, এরকমতো হয়নি মারামারি, কাটাকাটি। গত এমপি ভোট আমি দেইনি বাবা, ভয়ে বাড়ী থেকে বের হইনি।

কোর্ট রোডে আরেকটি চা সটলে রফিক মিয়া নির্বাচন নিয়ে বলেন, আমরা আশা করি এবারের নির্বাচনে কোন ধরনের হানাহানি,মারামারি হবে না। নির্বাচন হোক সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ।

চা স্টলে একজন শিক্ষার্থী বলে উঠলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন বুঝতাম নির্বাচন আসলে কত যে আনন্দের, ঈদে যেরকম খুশি,আনন্দ হয় সেরকম করতাম। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হরেক রকমের দোকান বসতো। তখনতো আর আমরা ভোট দিতে পারতাম না। আমরা তরুণরা এরকম নির্বাচন চাই না যে নির্বাচনে নেই কোনো আনন্দ রয়েছে শুধু বেধনা।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”