কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

মার্চ ১১, ২০১৯, ৭:১৮ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ২৪১ বার পঠিত

গত ৯ মার্চ-১৯খ্রিঃ তারিখে সাপ্তাহিক পাতাকুড়িঁর দেশ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে ‘কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ড. আব্দুস শহীদ এমপি বিরুদ্ধে শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের এই সংবাদের প্রতি জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি মহোদয়ের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদে তাঁকে জড়িয়ে সম্পূর্ণ অসত্য,মনগড়া,বানোয়াট ও কাল্পনিক তথ্য উপস্থাপন পূর্বক এমপি মহোদয়ের সম্মানহানি এবং তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে মাননীয় এমপি মহোদয়ের কোন বক্তব্য গ্রহণ না করেই একতরফাভাবে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।

সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে ‘কমলগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের সহোদর স্থানীয় এমপি উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ। তিনি সরকারি প্রটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতিসহ নানাভাবে ছোট ভাইয়ের পক্ষে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা করছেন।’ এ কথাগুলো ঢাহা মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এর সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। অধ্যাপক রফিকুর রহমান মাননীয় এমপি মহোদয়ের বিরুদ্ধে এ ধরণের অসত্য ও মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে ‘উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো’র মতো কাজ করে নিজের বৈতরণী পার হতে চাচ্ছেন। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি (এমপি মহোদয়) তাঁর নির্বাচনী এলাকা শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় কোনও প্রার্থীর পক্ষে কোথাও প্রচারণায় অংশ নেননি। যা সম্মানিত কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলাবাসী জ্ঞাত আছেন। তিনি (এমপি মহোদয়) তাঁর নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানও করছেন না কিংবা তাঁর ভাইয়ের পক্ষে কোন ধরণের নির্বাচনী কর্মকান্ডেও অংশ নিচ্ছেন না’।

সংবাদে আরো উল্লেখ করা হয় ‘দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান ও নৌকার বিরুদ্ধে দলের সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের কর্মকান্ডের নিন্দা জানান অধ্যাপক রফিকুর রহমান।’ এক্ষেত্রে দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক রফিকুর রহমান সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মী আখ্যায়িত করে কি বুঝাতে চেয়েছেন তা বোধগম্য নয়।

প্রকারন্তরে এ দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের এসব কথা বলে নিজেকেই অসম্মানিত করেছেন। তাঁর এই বক্তব্যের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তিনি নিজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীরা অধ্যাপক রফিকুর রহমানের সাথে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় কেনও অংশ নিচ্ছেন না সেটার দায়ভার দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁরই।

 (ইমাম হোসেন সোহেল)

জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির

সভাপতি মহোদয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা

জাতীয় সংসদ ভবন,শেরে বাংলানগর,ঢাকা

০১৭১১-৩৯৬০৮৪

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”