কুলাউড়ায় পূজা পরিষদের সভায় হট্টগোল

অক্টোবর ১০, ২০১৮, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ১২৮ বার পঠিত

কুলাউড়া প্রতিনিধি॥ কুলাউড়ায় শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সভায় তুমুল হট্টগোল হয়েছে। পূজা পরিষদ নেতৃবৃন্দ স্থানীয় সংসদ সদস্যের প্যাডে তালিকা দিয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে ওয়াক আউট করেছেন। এ নিয়ে বেশ কিছু সময় সভা বন্ধ ছিল। তবে পুলিশ, ইউএনও ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যস্থতায় সভায় ফিরেন পূজা পরিষদ নেতারা।

জানা যায়, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪ অক্টোবর সোমবার এক প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। এতে পূজা পরিষদের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশেকুল হকসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় এক পর্যায়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শিমুল আলী এমপি কর্তৃক পাওয়া তালিকা ঘোষনা করেন। এমপি তালিকা দিতে পারেন না বলে পূজা উদযাপন পরিষদের কুলাউড়া উপজেলা সভাপতি অরবিন্দু ঘোষ বিন্দু অযাচিত হস্থক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তার বক্তব্যে বিষয়টির প্রতিবাদ জানান।

তাৎক্ষণিক উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রেনু এমপির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, এমপি তালিকা দিতে পারেন। তাঁর দেওয়ার রাইট আছে। তখন সভায় হট্টগোলের শুরু হয়। পূজা পরিষদের নেতৃবৃন্দরা সভা থেকে ওয়াক আউট করে বেরিয়ে আসেন। কিছু সময় হইচই চলে। তাৎক্ষণিক ইউএনও, কুলাউড়া থানার ওসি এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের অনুরোধে সভায় ফিরে আসেন পূজা পরিষদের নেতারা।

অরবিন্দু ঘোষ বিন্দু জানান, পূজা পরিষদ অরাজনৈতিক সংগঠন। স্বাধীনতা পরবর্তী অনেক এমপি দেখেছি কেউ হস্তক্ষেপ করেননি। এমপি তাঁর প্যাডে পি.আই.ওকে বরাদ্ধের তালিকা দিতে পারেন না। অতিতে আমাদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী পূজা মন্ডপে সরকারী সহায়তা এসেছে।

আব্দুল মতিন এমপি জানান, আমি ঢাকায় আছি। যেসব মন্ডপে পূজা হচ্ছে, তারা যাতে স্বচ্ছভাবে সহায়তা পায় সেই উদ্দেশ্যেই তালিকা দিয়েছি। উল্লেখ্য, কুলাউড়ায় সার্বজনিন ১৯৬টি ও ব্যক্তিগতভাবে ২৩টি মন্ডপে পূজা আয়োজন করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”