চাপাবাজি বিষয়ক ৭টা কম এক ডজন কৌতুক

এপ্রিল ২৩, ২০১৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ১,০৬৬ বার পঠিত

আইফেল টাওয়ার

দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-
প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।
দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলে তো…

অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ

দুই অভিনেতা তাঁদের অভিনয় জীবনের স্মৃতিচারণ করছেন ভক্তদের কাছে।
একজন : একবার এক দুঃখের দৃশ্যে এমন অভিনয় করেছিলাম যে দর্শকরা কেদেকেটে বুক ভাসিয়ে দিয়েছিল।
অন্যজন : একবার এক দুঃখের দৃশ্যে এমন অভিনয়ের পর দর্শকরা আমি মরে গেছি ভেবে খাটিয়া নিয়া হাজির হয়েছিল। শুধু কি তাই? ইনস্যুরেন্স কোম্পানি পর্যন্ত আমার বউকে পলিসি বাবদ সমস্ত পাওনা মিটিয়ে দিয়েছিল।

আড্ডায় চাপা

এক শিকারি বন্ধুদের আড্ডায় বসে বলছে, ‘জানিস, সেবার আফ্রিকার জঙ্গলে গিয়ে আমি কতগুলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার মেরেছি?’
বন্ধুরা ভ্রু কুঁচকে বলে, ‘আফ্রিকার জঙ্গলে তো রয়েল বেঙ্গল টাইগারই নেই! তুই মারবি কোথা থেকে?’
শিকারি: আহ! সব যদি আমি মেরেই ফেলি, তাহলে থাকবে কোথা থেকে!

আপনজন

আলোকচিত্র সাংবাদিক হরিপদ মহাসড়ক ধরে ছুটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন পথিমধ্যে এক জায়গায় ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছে। জানা গেল, হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। করিৎকর্মা হরিপদ ভাবলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে চটজলদি কিছু ছবি না তুললেই নয়।
ক্যামেরা হাতে এগিয়ে গেলেন তিনি। এদিকে লোকজন ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে। হরিপদ ছবি তুলবেন কি, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি যাওয়াই দায়।
ফন্দি আঁটলেন হরিপদ। উঁচু গলায় বলতে শুরু করলেন, ‘দেখি ভাই, আমাকে একটু সামনে যেতে দেন। যিনি মারা গেছেন, তিনি আমার অত্যন্ত আপনজন…একটু সামনে যেতে দিন।’’
হরিপদকে জায়গা করে দিল লোকজন। হরিপদ সামনে গিয়ে দেখলেন, দুটো ছাগল মরে পড়ে আছে!

এ রাম তুমি ন্যাংটো পুটো

তিনজন লোক। একজন আমেরিকার, একজন ইংল্যান্ডের আর একজন বাংলাদেশের। একসাথে ঘুরতে বেরিয়েছে। কে কাকে কীভাবে টেক্কা দেবে তা নিয়ে প্রত্যেকেই ব্যস্ত।

হঠাৎ আমেরিকার লোকটা বলে উঠল- জানো, আমরা কী রকম বীর? কোনো বাঘ যদি আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় তাহলে তার দিকে শুধু বন্দুকটা তাক করলেই কেল্লাফতে! গুল্লির কোনো দরকার নাই!

এই কথা শুনে ব্রিটিশ লোকটা বলল, এ আর এমন কি? আমাদের এমন সাহস যে বন্দুক বেরই করতে হয় না। ঝোলার ভেতর থেকে বন্দুকের নলটা যদি কোনোভাবে বাঘ ব্রাদারের নজরে পড়েছে বা কোনোমতে টের পাইছে তাইলে সেইখানেই তার হার্ট আ্যাটাক!

এই দুইজনের কতা শুনে বাংলাদেশের লোকটা ভাবছে, আমার তো প্রেস্টিজের ব্যাপার। তাই সে চট করে বলল- আরে ধুর মিয়ারা! তোমরা কোন জমানায় আছ? আমাদের তো বন্দুক-ফন্দুক কিচ্ছু লাগে না! ওই সব আমাদের সাহসের কাছে ফালতু জিনিস, ফাও প্যাচাল!

কথা শুনে আমেরিকান আর ব্রিটিশ তো জব্বর টাসকি খেয়ে গেল। জিগাইল- তাইলে তোমরা বাঘরে মারো ক্যামনে?

বাংলাদেশি তখন বলল- আরে মিয়া এইডা কোনো ব্যাপার? কোনো বাঘ আমাদের সামনে আইলে তার সামনে গিয়া আমরা শুধু কই- এ রাআআআমম! তুমি ন্যাংটো-পুটো? বাঘটা তখন লজ্জাতেই মারা যায়!

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”