জুড়ীতে রাস্তার বেহাল দশা : ক্ষোভে ভুক্তভোগীদের ধানের চারা রোপণ

অক্টোবর ৩০, ২০১৮, ৮:৫১ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৫৩১ বার পঠিত

সাইফুল্লাহ হাসান॥ জুড়ী উপজেলার কলেজ রোডস্থ সড়কটির বেহাল অবস্থার কারনে প্রতিনিয়তই দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চলাচলকারী যাত্রীদের। বিকল্প রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পূর্ব জুড়ীর হাজার হাজার জনসাধারণ।

গেলো বছরের বন্যার কারনে তলিয়ে যাওয়া এই সড়ক দীর্ঘ দিন থেকে সংস্কার না হওয়ায়। এখন এসে সংস্কার কাজের নামে বালুর বদলে মাটি দিয়ে রাস্তা ভরাট করায় এবং গেল দু’দিনের বৃষ্টির কারনে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কলেজ সংলগ্ন এই সড়কটির যাতায়াতের হয়েছে পুরো অনুপযোগী।

এটি কোন অপরিচিত রোড নয়। জুড়ী কলেজ রোড, এই রোড দিয়েই যেতে হয় উপজেলার অন্যতম দুটি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের। যেতে হয় আশপাশ এলাকার জনসাধারণেরও। আর এই বেহাল সড়কের কারনে অফিসগামী কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পেশাজিবী সহ নানান কর্মজীবী সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম দূর্ভোগে। বর্তমানে সড়কটিতে শুধু যানবাহন নয় হেঁটে চলাচলেরও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বছরের বন্যায় কলেজ সংলগ্ন সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কারর্পেটিং ও ইটের সলিং ঊঠে গিয়ে পানি জমে বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। আর এখন এসে সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষ খানাখন্দ সরকটি সংস্কারের জন্য রাস্তার দু’পাশে মাটি দিয়ে উচু বাধ করে রাস্তায় বালুর বদলে মাটি দিয়ে ভরাটের জন্য রাস্তার এ বেহাল অবস্থা। আর কয়েকদিনের গুড়িগুড়ি বৃষ্টির ফলে রাস্তার অবস্থা এখন সম্পূর্ণ অচল। দেখা যায় লোকজন গাড়ীতে করে আসলেও এখানে এসে গাড়ী থেকে নেমে জুতা হতে নিয়ে অনেক কষ্ট করে খানাখন্দ রাস্তাটি পার হচ্ছেন।

এদিকে বেহাল সড়কটি তাড়াতাড়ি সংস্কারের দাবিতে সড়কের উপর ‘ধানের চারা রোপণ’ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

উপজেলার সচেতন নাগরিক আশরাফুজ্জামান রিশাদ বলেন,বর্তমানে রাস্তাটি চলাফেরার অনুপযোগী। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার কাজ করে সাধারণ মানুষ চলাচলের উপযোগী করা।

এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী রিক্সা চালক ইকরাম উদ্দিন বলেন, কবে শেষ হইলো বন্যা আর এখন এসে ভাঙ্গা রাস্তার কাজ হচ্ছে। এই রাস্তা দিয়েতো রিক্সা চালাতে অনেক ভয় করে।রিক্সা উল্টে যেতেতো সময় লাগেনা।

এ বিষয়ে (এলজিইডি) এর উপ প্রকৌশলী সহদেব সুত্রধর জানান,রাস্তাটি উচু করার কারনে আসলে মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। মাটি দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমান উচু করার পর কারর্পেটিং এর সময় অবশ্যই বালু দিয়ে কাজ করা হবে। দুই দিনের ধর্মঘটের কারনে আমাদের কাজের উপযোগী গাড়ী,যন্ত্রপাতী কোন কিছুই আনতে না পারায় কাজ স্থির ছিলো। আশা করি রাস্তাটি আজকের ভেতরেই যাতায়াতের উপযোগী করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”