বন্যা পরবর্তী ৮মাসেও সংস্কার হয়নি মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কের ভাঙ্গনকৃত স্থান

ফেব্রুয়ারী ১০, ২০১৯, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৮৮ বার পঠিত

শংকর দুলাল দেব॥ গত বছরের জুন মাসে মৌলভীবাজারের রাজনগরে ভয়াবহ বন্যায় অধিকাংশ রাস্তাঘাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মনু প্রতিরক্ষা বাঁধের বিশাল ভাঙ্গনে মৌলভীবাজার-কুলাউড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের কদমহাটা নামক স্থানে এখনো সংস্কার হয়নি। বন্যা পরবর্তী দীর্ঘ ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এই রাস্থা সংস্কার না করায় স্থানীয় ও দূরপাল্লার গাড়ী গুলো চরম ঝুকি নিয়ে ভাঙ্গনকৃত স্থান অতিক্রম করছে। এতে প্রায়ই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মৌলভীবাজার জেলা সদরের সাথে রাজনগর, ফেঞ্চুগঞ্জ, কুলাউড়া, বড়লেখা ও জুড়ি উপজেলার একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম মৌলভীবাজার-কুলাউড়ার এ আঞ্চলিক মহাসড়ক। বিগত ২০১৮ সালের জুন মাসের ভয়াবহ বন্যায় এই সড়কটির বিভিন্ন স্থান ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে অনেক বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এতে অন্তহীন দুর্ভোগ নিয়ে জনসাধারণকে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, গত বছরের বন্যায় এই সড়কের কদমহাটা থেকে মহলাল পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ভাঙ্গন হয়। কয়েক দফা ইট ও পাথর দিয়ে রাস্থাটি চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করে সড়ক ও জনপদ (সওজ)। কিন্তু নিয়মিত দুরপাল্লার গাড়ি চলাচল করায় রাস্থাটি আবার আগের মতো ভেঙে যায়। রাজনগরের সচেতন মহল মনে করেন, এমনিতেই এ সড়কটি ঝুকিপূর্ণ এর মধ্যে বন্যার ক্ষত। যানমাল রক্ষা ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে দ্রুত ভাঙ্গা স্থানগুলো মেরামত করার জন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।

এ ব্যাপারে সাংবাদিক আউয়াল কালাম বেগ ও আহমদউর রহমান ইমরান জানান, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ি, বড়লেখা, সিলেট ও ফেঞ্চুগঞ্জের মানুষকে নিয়মিত এই সড়ক দিয়ে আসা যাওয়া করতে হয়। এই ভাঙ্গাস্থান গুলোতে আসার পর গাড়ি গর্তে পড়লে ঠেলে উঠাতে হয়। রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসা যাওয়া করলে প্রায়ই সমস্যায় পড়তে হয়। সড়কটি মেরামত করলে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হবে।

এব্যাপারে সড়ক ও জনপদ (সওজ) এর মৌলভীবাজার নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ সুহেল বলেন, এই সড়কের ভাঙ্গাস্থান মেরামতের জন্য অনুমোদন পাওয়া গেছে। কিছুদিনের মধ্যেই সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”