বড়লেখায় গৃহবধূ পারভিন হত্যা  মামলায় স্বামী ও দেবর রিমান্ডে

আগস্ট ৪, ২০১৮, ৯:১৬ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৫৬ বার পঠিত

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় গৃহবধূ পারভিন বেগমের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার নিহতের স্বামী ময়নুল ইসলাম ও দেবর ফয়জুল ইসলামকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এরমধ্যে ময়নুল ইসলামকে ৪ দিনের এবং দেবর ফয়জুল ইসলামকে ২ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এর আগে ২২ জুলাই নিহতের বড়বোন আছমা আক্তারের দায়ের করা হত্যা মামলায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, গৃহবধূ পারভিন বেগমের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার বিকেলে বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান জামানের আদালতে নিহতের স্বামী ময়নুল ইসলাম ও দেবর ফয়জুল ইসলামকে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ময়নুল ইসলামকে ৪ দিনের এবং দেবর ফয়জুল ইসলামকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে শুক্রবার ৩ আগস্ট বিকেলে বলেন, ‘নিহতের স্বামী ও দেবরকে রিমান্ডে আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

উপজেলার গ্রামতলা এলাকার আত্তর আলীর মেয়ে পারভিন বেগমের সঙ্গে প্রায় ৮-১০ বছর আগে পৌরশহরের পাখিয়ালা এলাকার মুতলিব আলীর ছেলে ময়নুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ময়নুল শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। পরিবারে তাদের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রায় তিনমাস আগে ময়নুল স্ত্রী পারভিনসহ সন্তানদের নিয়ে নিজের বাড়িতে যান। বাড়িতে ময়নুলের মা-ভাই-বোন থাকলেও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে তিনি আলাদা থাকতেন। ২১ জুলাই রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন ২২ জুলাই সকালে পারভিনের স্বামী ময়নুল তার স্ত্রীর বড়বোন আছমা আক্তারকে মুঠোফোনে জানান পারভিন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আছমা সেখানে গিয়ে পারভিনের লাশ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্বজনরা পারভিনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”