বড়লেখায় চার ইউনিয়নের বেহাল রাস্তায় চরম জনদুর্ভোগ

জুলাই ৮, ২০১৮, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৮৫ বার পঠিত

আব্দুর রব॥ বড়লেখা উপজেলার চার ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামীণ ও আঞ্চলিক মহাসড়কের বেহাল দশায় দীর্ঘদিন ধরে বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রাস্তাগুলোর বিভিন্ন অংশে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

সড়কগুলো হচ্ছে, ছোটলেখা-মোহাম্মদনগর বাজার রাস্তা,দাসেরবাজার ভায়া ফকিরবাজার রাস্তা, কুলাউড়া-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে মাইজগ্রাম-মাইজগ্রাম বাজার রাস্তা, কালিবাড়ী-নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়ন রাস্তার জামকান্দি থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত রাস্তা, কাঁঠালতলী আরএইচডি আজিমগঞ্জ জিসি ভায়া তেড়াকুঁড়ি রাস্তা। এর মধ্যে বছরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় কাঁঠালতলী আরএইচডি আজিমগঞ্জ জিসি ভায়া তেড়াকুঁড়ি রাস্তা। বছর পেরিয়ে আবারও বর্ষা এসেছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত এ রাস্তাটির মেরামত কাজ শুরু হয়নি এখনো।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে,ছোটলেখা-মোহাম্মদনগর রাস্তার ৪ কিলোমিটারের অন্তত ১ কিলোমিটার রাস্তা,দাসেরবাজার-ফকিরবাজার রাস্তার ৭ কিলোমিটারের অন্তত ৩ কিলোমিটার, কুলাউড়া-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে মাইজগ্রাম-মাইজগ্রাম বাজার রাস্তার ৪ কিলোমিটারের ২ কিলোমিটার, কালিবাড়ী-নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়ন রাস্তার জামকান্দি থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত ২ কিলোমিটার, কাঁঠালতলী আরএইচডি আজিমগঞ্জ জিসি ভায়া তেড়াকুঁড়ি রাস্তার ৪.৪০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে।

এলজিইডি প্রকৌশলী জানান,বছরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কাঁঠালতলী আরএইচডি আজিমগঞ্জ জিসি ভায়া তেড়াকুঁড়ি রাস্তা অন্তত ৪.৪০ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি উঁচু করতে মাটির কাজসহ পুর্নবাসন করতে বড় প্রকল্পের প্রয়োজন। এ জন্য রাস্তাটির কাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে।

সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তাগুলোর বিভিন্ন অংশের পিচ ও পাথর সরে গেছে। এতে তৈরি হয়েছে রাস্তায় ছোটবড় অসংখ্য গর্ত। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ ভূষণ পাল জানান,‘ছোটলেখা-মোহাম্মদনগর রাস্তাটির লিস্ট এপ্রুভ হয়েছে। মেরামতের জন্য টেন্ডার আহবান করা হবে। দাসেরবাজার-ফকিরবাজার রাস্তাটি পরিকল্পনায় রয়েছে। কুলাউড়া-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে মাইজগ্রাম-মাইজগ্রাম বাজার রাস্তা ও কালিবাড়ী-নিজবাহাদুরপুর রাস্তার জামকান্দি থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত মেরামতের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই কার্যাদেশ দেওয়া হবে। কাজ শুরু করবে ঠিকাদার। অন্যদিকে তেড়াকুঁড়ির রাস্তাটি বন্যা পুর্নবাসনে দেওয়া হয়েছে। এটি বড় ধরণের মেরামত কাজ করতে হবে। বড় ধরণের অর্থ ব্যয়ের বিষয়। এ জন্য বিশেষ প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে।’

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”