মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার শিকার বড়লেখায় দাখিল পরীক্ষা দেয়া হল না মেধাবী ছাত্রী নূসরাতের

ফেব্রুয়ারী ২, ২০১৯, ৯:০৬ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৪৩ বার পঠিত

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখার সুজাউল মাদ্রসা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়া হল না মেধাবী ছাত্রী নূসরাত আক্তারের। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের প্রথম সিঁড়িতে এমন হোচটে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। ইউএনও মো. সুহেল মাহমুদ বললেন, এঘটনায় উপজেলা প্রশাসন খুবই মর্মাহত। গাফিলতিকারির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, সুজাউল কামিল মাদ্রাসার এবারের দাখিল পরীক্ষার্থী (বিজ্ঞান) নুসরাত আক্তার। তার শ্রেণী রোল ছিল ২। নির্বাচনী পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে যথারীতি দাখিলের ফরম ফিলাপ করেছিল। বুধবার অন্যান্য শিক্ষার্থীর সাথে প্রবেশপত্র নিতে মাদ্রাসায় যায়। কিন্তু প্রবেশপত্র না পেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী নূসরাত ভেঙ্গে পড়ে। পরদিন তার বাবা হাজী মূসলেহ উদ্দিনসহ স্বজনরা মাদ্রাসায় যোগাযোগ করে জানতে পারেন ফরম ফিলাপে ভুল থাকায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড তার প্রবেশপত্র ইস্যু করেনি।

পরীক্ষার্থী নূসরাত আক্তারের অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণেই সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারল না। ভবিষ্যতে ডাক্তারী পড়ার স্বপ্ন নিয়ে সে পড়াশুনা করছিল। উদ্দেশ্যমুলকভাবেই অধ্যক্ষ তার এমন ক্ষতি করলেন।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফয়জুর রহমান জানান, ঘটনাটি মোটেও উদ্দেশ্যমুলক নয়, ফরম ফিলাবের পর সঠিকভাবে স্কুটুনি না করায় এমন ভুল হয়েছে। এটি অবশ্যই অনাকাঙ্খিত। এ ব্যাপারে শনিবার বিকেলে গভর্ণিংবডির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।

ইউএনও মো. সুহেল মাহমুদ জানান, মেধাবী ছাত্রীটি ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় উপজেলা প্রশাসন খুবই মর্মাহত। তার বাড়িতে গিয়ে তিনি সান্তনা দিয়েছেন। আগে কেউ তাকে বিষয়টি অবহিত করেনি। জানালে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে হয়ত কোন ব্যবস্থা করতে পারতেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসার কারো গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”