মৌলভীবাজার শহরের পশ্চিমবাজার পয়েন্ট থেকে শ্রীমঙ্গল রোডে চলাচলকারী যাত্রীদের দূর্ভোগ রাতের ভাড়া বানিজ্য

মার্চ ১১, ২০১৮, ১১:৩১ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ১,৪৩৪ বার পঠিত

আশরাফ আলী॥ মৌলভীবাজার শহরের পশ্চিম বাজার পয়েন্ট থেকে শ্রীমঙ্গল পর্যন্ত মানুষের যাতায়াতের জন্য সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চলাচল রয়েছে। দিনের বেলা ভাড়া ঠিক থাকলেও রাতের বেলা ভাড়া বেড়ে যায়। ভাড়া নিয়ে এ নৈরাজ্যের কারনে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হয়। এ রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের দূর্ভোগ রাতের ভাড়া বাণিজ্য। রাতের বেলা ভাড়া বৃদ্ধির ফলে যাত্রীসাধারণ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

পশ্চিমবাজার সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে মোকামবাজার, গিয়াসনগর, ভৈরবগঞ্জ বাজার, কাকিয়াবাজার ও শ্রীমঙ্গল পর্যন্ত সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল করে। শহর থেকে মোকামবাজার নির্ধারিত ভাড়া ১০টাকা, ভৈরবগঞ্জ বাজার ১৫টাকা, কাকিয়াবাজার ২০ টাকা ও শ্রীমঙ্গল ৩০ টাকা। দিনের বেলা নির্ধারিত ভাড়া ঠিক থাকলেও সন্ধ্যার পর স্থান ভেদে ভাড়া বাড়িয়ে দেয় চালকরা। এ নিয়ে যাত্রীসাধারণের মধ্যে ক্ষোভের অন্ত নেই ।

যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সন্ধার পর চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন। মোকামবাজার ১০ টাকার জায়গায় ১৫টাকা, ভৈরবগঞ্জ বাজার ১৫ টাকার জায়গায় ২০ টাকা ও শ্রীমঙ্গল ৩০ টাকার জায়গায় ৪০ টাকা দাবি করে। যাত্রীরা নির্ধারিত ভাড়া দিতে চাইলে চালকরা যেতে অ¯ী^কৃতি জানায়। ফলে আমাদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যেতে হয়।

এ রোডের যাত্রী আশিকুর রহমান বলেন,  দিনের বেলা ভৈরবগঞ্জ বাজার থেকে শহরে আসি। রাতের বেলা ভৈরবগঞ্জ বাজার যেতে হলে ১৫ টাকার জায়গায় ২০টাকা দিতে হয়। আরিফ আহমদ বলেন, আমি জগন্নাথপুর থেকে প্রতিদিন শহরে আসি।

মোকামবাজার পর্যন্ত ১০ টাকা ভাড়া থাকলেও সন্ধ্যা পরে জগন্নাথপুর যেতে হলে ১৫টাকা দিতে হয়। এ নিয়ে চালকদের সাথে অনেক সময় ঝগড়া হয়। মুস্তাকিম আহমদ, আল আমিন, সাকিবুর রহমান ও রেদওয়ানুল হকসহ অনেকেই এ অভিযোগ করেন।

সিএনজি চালক মামুন মিয়াসহ কয়েকজনের সাথে অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, রাত ১২টার পর অতিরিক্ত ভাড়া  নিই।

পশ্চিম বাজার সিএনজি ষ্ট্যান্ডের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম উদ্দিন বলেন, আমরা এ রকম কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যারা অতিরিক্ত ভাড়া নেয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”