মৌলভীবাজার-২ আসনে জনগণের পছন্দের প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ বজলুল করিম

অক্টোবর ৩১, ২০১৮, ৭:১৩ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ২০৮ বার পঠিত

কুলাউড়া প্রতিনিধি॥ দেশব্যাপী বইছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া। যে যার দল থেকে মনোনয়ন পাবার আশায় স্থানীয় ভাবে প্রচারণার পাশাপাশি লবিং করছেন কেন্দ্রীয় পর্যায়। ব্যতিক্রম নয় মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসন। এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এডিশনাল আইজিপি বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। একজন প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদ, জনদরদী, নিরহংকারী হিসেবে তিনি সর্বত্র পরিচিত। গত ৫ বছর কুলাউড়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তার সরব উপস্থিতি ছিলো। জনপ্রতিনিধির নিকট জনগণ ও দলীয় নেতা কর্মীরা সম্মান, শ্রদ্ধা, স্নেহ ও ভালোবাসা চায়। বজলুল করিমের নিকট এর পুরোটাই পাচ্ছে কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ থেকে শুরু সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং স্থানীয়রা। যে কারণে মৌলভীবাজার-২ আসনের জনগণ তাকে নিয়ে আশার জাল বুনছেন।

বজলুল করিম শেখ হাসিনাকে ৪র্থ বারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করতে মৌলভীবাজার-২ আসনের অন্তর্গত কুলাউড়ার উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এই সদস্য জনগণের সামনে সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরছেন। শেখ হাসিনাই যে বাংলার মেহনতী মানুষের আপনজন তা জনগণকে বুঝাচ্ছেন।

সরেজমিনে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে কুলাউড়ার মানুষ নৌকায় ভোট দেবার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কেননা ৯ম সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে জাতীয় পার্টির আলী আব্বাস খান লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে নির্বাচিত হন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমে বজলুল করিমকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হয়। কিন্তু জাতীয় পার্টির সাথে আসন ভাগাভাগির কারনে কেন্দ্রের নির্দেশে বজলুল করিমকে পরে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে হয়। ওই নির্বাচনে কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতীন স্বতন্ত্র হিসেবে আনারস প্রতিকে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। যে কারনে নৌকা প্রতিকে ভোট দেবার সুযোগ হয়নি কুলাউড়াবাসী। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আশায় বুক বেধেছে স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা। তাদের দাবী আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হউক। ওই আসনে জাতীয় পার্টির কোন অস্তিত্বই নাই। সব ধরনের হিংষা-বিদ্বেষ, গ্রুপিং-লবিং এর উর্ধ্বে থাকায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-২ আসনের মানুষ সৈয়দ বজলুল করিমকে নিয়ে আশাবাদী। এই আওয়ামী লীগ নেতার পক্ষে ইতিমধ্যে এলাকায় ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়েছে। মৌলভীবাজার-২ আসনে তাকে প্রার্থী হিসেবে পেতে চান এলাকাবাসী। সৈয়দ বজলুল করিম ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। স্বাধীনতা পুর্ববর্তী তিনি মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। পুলিশের সদস্য হিসেবে বেশ কিছু দিন তিনি বঙ্গবন্ধুর কাছাকাছি থেকে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত থাকাবস্থায় তিনি শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে জনতার মঞ্চের অগ্র নায়ক হিসেবে কাজ করেন।

সৈয়দ বজলুল করিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। এখন সেই দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করতে চাই। শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৪ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে পরে তা প্রত্যাহার করি। আশা করি এবার নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিবেন। মনোনয়ন পেলে অবশ্যই শেখ হাসিনাকে এই আসন উপহার দিতে পারবো। তিনি কুলাউড়ার মানুষের সাথে দেশবাসীকেও নৌকায় ভোট দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনাকে ৪র্থ বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”