রাজনগরে নির্বাচনে পুলিশের উপর হামলা– গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষ শুন্য

জানুয়ারী ৬, ২০১৯, ২:২৪ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৪৬৪ বার পঠিত

স্টাফ রিপের্টার॥ রাজনগর উপজেলার সোনাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাণীয় এলাকাবাসির ওসিসহ ১৪ জনের উপর হামলার ঘটনায় ১শ ৪০জন আসামীদের এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনার পর থেকে মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ওই ভোট কেন্দ্র এলাকার গজনাইকান্দি, সোনাটিকি, সুপ্রাকান্দি, মিয়ারকান্দি, বড়পাথর ও পথেরগাঁও এলাকার ৬টি গ্রাম একেবারেই পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর ভোট গণনা শেষে বিএনপির নজিব আলী ও মিছরাফ বাহিরে এসে বলেন এখানে ভোট কারচুপি হয়েছে। এ কথার উপর ভিত্তি করে গ্রামে নাকি মাইকিং করে লোক জড়ো করানো হয়। পরে সড়কের উপর একটি নৌকা এনে রাস্থা বেরিকেট দিয়ে বিএনপি সমর্থকেরা জড়ো হয়ে হামলা চালালে রাজনগর থানার ওসি শ্যামল বনিক,এসআই আবুল কালাম,এএসআই ইমাম হোসেন, এএসআই সবুজ ও সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারসহ প্রায় ১৪জন আহত হন। তাৎক্ষনিক হামলাকালে ইট-পাটকেল ও ছুলফি ছেড়ে দেয়া হলে ওসি শ্যামল বনিক এর ডান হাতের দুটি আঙ্গুল ভেঙ্গে যায় এবং তার ডান ও বাম পায়ে ইট-পাটকেল ও ছোড়ে মারা ছুলফির মারাত্বক আঘাত লাগে। একই আক্রমনে অন্যান্যরা এভাবে আহত হন। বিষয়টি জানিয়েছেন ওই ঘটনায় আহত থানার এএসআই ইমাম হোসেন। তিনি জানান, অতচ ওই ভোট কেন্দ্রে বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়।

এ ঘটনায় ওই ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সেলিম আহমদ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে  আসামীরা অধরায় বাস করছে এখনো।

রাজনগর থানার (ওসি) তদন্ত আবুল কালাম শুক্রবার রাত্রে জানান, “ওই ঘটনায় এজহার নামীয় ১শ ৪০ জনকে আসামীসহ আরো অজ্ঞাতদেরও আসামী করা হয়েছে”। “আমাদের কাছে ভিডিও ফুটেজ আসছে”। “আইডিন্টি ফাইও এসে যাবে”। আসামীরা এখন এলাকা ছাড়া। পর্যায়ক্রমে আইনীভাবে গ্রেফতার করা হবে।

এ ঘটনাটির সূত্রপাত নিয়ে  উপজেলা বিএনপির সভাপতি জিতু মিয়া’র সাথে মুঠোফোনে এ প্রতিবেকের আলাপচারিতা হয় শুক্রবার রাতে। এসময় তিনি কোন জবাব দিতে রাজি হননি। দৈনিক জালালাবাদকে জানান, তিনি তখন ঘটনটাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনাটির সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে সেটি তার জানা নাই।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”