সহপাঠীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবী : বড়লেখায় হুইপের আশ্বাসে মঙ্গলবার ক্লাসে ফিরছে শিক্ষার্থীরা

নভেম্বর ৫, ২০১৮, ১১:১১ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৫৬ বার পঠিত

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় জাতীয় সংসদের হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপির আশ্বাসে মঙ্গলবার থেকে ক্লাসে ফিরছে বর্ণি এম মন্তাজিম আলী কলেজের শিক্ষার্থীরা। সহপাঠী প্রান্ত দাসের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবীতে  ৫ দিন ধরে তারা ক্লাস বর্জন করে  আসছিল।

জানা গেছে, বড়লেখায় মেধাবী কলেজ ছাত্র প্রান্ত দাসকে (১৯) পরিকল্পিত  হত্যার অভিযোগ এনে বর্ণি এম মুন্তাজিম আলী কলেজের শিক্ষর্থিীরা বৃহস্পতিবার থেকে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ করে আসছিল। সোমবার সকালে বর্ণি এম মুন্তাজিম আলী কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রান্ত চন্দ্র দাস হত্যার  প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবী নিয়ে  জাতীয় সংসদের  হুইপ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহাব উদ্দিনের সাথে দেখা করেন পৌর শহরের পাখিয়ালাস্থ বাসভবনে। এসময় এম মন্তাজিম আলী কলেজের শিক্ষার্থী জাবের আহমদ, নাহিদ আহমদ ও সাবিনা বেগম তাদের বক্তব্যে প্রান্ত দাস হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী জানান্। হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, প্রান্ত চন্দ্র দাসের পোষ্টমর্টেম রিপোর্টে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ৫ নভেম্বর  সোমবার থেকে ক্লাসে যোগদানে সম্মত হয়েছে। এসময় প্রান্তের বড়ভাই শুভ দাস ছাড়া ও বর্নী ইউপি চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল, জেহিন সিদ্দিকী, জুবের আহমদ, আব্দুর নুর, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানিমুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ফরহাদ আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৩১ অক্টোবর সকালে বর্ণি ইউনিয়নের মিহারী নয়াগ্রামে পিসির (ফুফু) পরিত্যক্ত বাড়ির রান্নœাঘরের জানালার গ্রিলের সাথে মুখ বাঁধা ও দন্ডায়মান অবস্থায় প্রান্তের লাশ পাওয়া যায়। পিসির বাড়ির লোকজনের দাবি  সোমবার (২৯ অক্টোবর) রাত থেকে থাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। হঠাৎ সে নিখোঁজ হয়ে যায়। প্রান্তের বড়ভাই শুভ দাস তার ভাইকে ফুফাতো ভাইয়েরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর দাবী করেন। প্রান্তের পিসিতো ভাই সুমন দাস বলেন, তারা এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। প্রান্তের বাড়ি উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামে হলেও সপ্তম শ্রেণী থেকে পিসির (ফুফু) বাড়িতে থেকে সে লেখাপড়া করত।

বড়লেখা থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক জানান, ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এ ব্যাপারে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”