কুলাউড়ার কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমানা বিরোধের নিষ্পত্তি

জুলাই ২৯, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম দিকের সীমানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ প্রায় ৩ বছর পর গত ১৩ জুলাই নিষ্পতি হয়েছে। জানা যায় গত ১৩ জুলাই সার্ভেয়ার মোঃ জসিম উদ্দিন সরজমিনে এসে বিদ্যালয়ের এবং মফজ্জিল হোসেন গং দের দলিল,এস, এ, ফরসা ইত্যাদি দেকে সরজমিনে জরিপ কার্য সম্পন্ন করে বিদ্যালয় এবং মফজ্জিল হোসেন গং দের সীমানা নিশ্চত করেন এবং উভয় পক্ষ তা মেনে নেয়ায় সিমানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের নিষ্পতি হয়। সার্ভেকার্য চলাকালিন সময়ে কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজল উদ্দিন আহমদ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হারুন অর রশিদ, কমিটির সদস্য মোঃ কুতুব আলী, শিক্ষানুরাগী সদস্য ওয়াদুদ বক্স, ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মনিরুজ্জামান হেলাল, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দুলন কুমার পাল, লোকমান আহমদ চৌধুরী, মফচ্ছিল হোসেন নাছু, ফজল হোসেন (হোসেন), কুলাউড়া এস.আই আব্দুর রশিদ প্রমূখ সহ শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, স্থানীয় লোক জন এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের সিমানা সংক্রান্ত বিষয়টি নিষ্পত্তির ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কুলাউড়া হাসিনা ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ৩ বছর পর হলেও বিষয়টি নিষ্পতি হয়েছে।
কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম দিকের সীমানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ প্রায় ৩ বছর পর গত ১৩ জুলাই নিষ্পতি হয়েছে। জানা যায় গত ১৩ জুলাই সার্ভেয়ার মোঃ জসিম উদ্দিন সরজমিনে এসে বিদ্যালয়ের এবং মফজ্জিল হোসেন গং দের দলিল,এস, এ, ফরসা ইত্যাদি দেকে সরজমিনে জরিপ কার্য সম্পন্ন করে বিদ্যালয় এবং মফজ্জিল হোসেন গং দের সীমানা নিশ্চত করেন এবং উভয় পক্ষ তা মেনে নেয়ায় সিমানা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের নিষ্পতি হয়। সার্ভেকার্য চলাকালিন সময়ে কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজল উদ্দিন আহমদ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হারুন অর রশিদ, কমিটির সদস্য মোঃ কুতুব আলী, শিক্ষানুরাগী সদস্য ওয়াদুদ বক্স, ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার মনিরুজ্জামান হেলাল, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দুলন কুমার পাল, লোকমান আহমদ চৌধুরী, মফচ্ছিল হোসেন নাছু, ফজল হোসেন (হোসেন), কুলাউড়া এস.আই আব্দুর রশিদ প্রমূখ সহ শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, স্থানীয় লোক জন এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের সিমানা সংক্রান্ত বিষয়টি নিষ্পত্তির ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কুলাউড়া হাসিনা ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ৩ বছর পর হলেও বিষয়টি নিষ্পতি হয়েছে। ফখর উদ্দিন আহমদ॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন