প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

আগস্ট ৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। সাধ্যের মধ্যে দাম কম হওয়ায় প্রতিটি পছন্দের কাপড় কিনতে শহরের বড় বড় বিপণি বিতানগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন তরণ-তরুণীসহ সর্বস্তরের ক্রেতারা। তবে আমদানীকৃত ভারতীয় পন্যে সয়লাব বিপনী বিতানগুলো। বিপনী বিতান গুলোতে ক্রেতাদের ভীড় থাকায় মালিক পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দেশীয় পোষাকের পাশাপাশি প্রতি বছরের ন্যায় ভারতীয় নায়ক-নায়িকাদের নামানুসারে এবারের ঈদে তরুণীদের পছন্দের কাপড়ের চাহিদা বেশী। মুন্নী বদনাম, আশিক টু, ইস্টিকুটুম, লাভেরিয়া নামে থ্রী-পিচের চাহিদা বেশি রয়েছে। পাশাপাশি শাড়ীর বাজারেও কাতান, আশিক কাতান, পিয়র কাতান, অপরা কাতান নামে শাড়ি গুলোর চাহিদা বেশি রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। এছাড়া রয়েছে পোশাকের আদলে তৈরি থ্রিপিস এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইমিটেশন অলঙ্কার ও কসমেটিক সামগ্রী। রাজধানীর মতো এসব পোষাকের আধিপত্য মৌলভীবাজারের ঈদ বাজারেও। ক্রেতাদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান সাজিয়েছেন দেশী এবং ভারতীয় পণ্যের সমন্বয়ে। মৌলভীবাজারের নামীদামি মার্কেটগুলো যখন ক্রেতাশূন্য তখন এমবি ক্লথ স্টোর,বিলাস ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, শাহ মোস্তফা গাডেন সিটি, আশারাফ সেন্ট্রার, জুলিয়া শপিং সিটি, সুমাইয়া বুটিকস, হাসি ক্লথ ষ্টোরসহ অন্যান্য মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। ক্রেতারা জানান, চাহিদা অনুযায়ী দেশীয় শাড়ি আসছে না। রং ও সুতার দাম বাড়ার কারণে শাড়িপ্রতি ৪০০থেকে ৫৫০টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। জামদানির ক্ষেত্রে ১হাজার ৫০০থেকে ১হাজার ৮০০টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বিপণি বিতান ব্যতীত শহরের অন্য দোকানে ভারতীয় শাড়ির পাশাপাশি দেশীয় শাড়ি জায়গা করে নিয়েছে। এসব দোকানে ৮শ থেকে ১৮ হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে দেশীয় শাড়ী। অর্থনৈতিক মন্দার কারনে অন্যবারের তুলনায় প্রবাসীরা দেশে কম আসছেন। তাছাড়া প্রবাসীরা ধাপে ধাপে বিভিন্নভাবে প্রবাসে আগের পরিমানে আয় কম থাকায় টাকাও পাঠাচ্ছেন কম। এর প্রভাব কিছুটা পড়ছে এবারের ঈদের বাজারে। অভিজাত মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাত সর্বত্রই কেনাকাটার ধুম পড়েছে। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠেছে বরাবরের মতো রোযা শুরুর পর থেকেই জমে উঠেছে ঈদ বাজার। বাণিজ্যিক কেন্দ্র এম সাইফুর রহমান রোডের ঈদবাজারের যানজট, ভীড় ও ঝামেলার মধ্যে দিয়ে অনেকেই কেনাকাটা করছেন কষ্ট করে। অভিযাত মারর্কেট গুলোর মধ্যে অনত্যম মার্কেট হচ্ছে এমবি ক্লথ ষ্টোর, বিলাশ ডিপাটমের্ন্টাল ষ্টোর, সুমাইয়া বুটিক ফ্যাশন,আলমদিনা ক্লথ ষ্টোর,জেদ্দা ক্লথ ষ্টোর অন্যান্য শপিং সেন্টারগুলো ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।নামী-দামী বিপনী বিতানগুলির পাশাপাশি ফুটপাতের দোকানগুলিতে হরেক রকম ডিজানের কাপড় সাজিয়ে বসেছেন হকাররা। নি¤œ আয়ের মানুষরা ভীড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের এসব দোকান গুলিতে।অবশ্য ঈদকে সামনে রেখে অযৌক্তিকভাবে কাপড়ের মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে ঈদ শপিং করতে আসা মাহমুদা আক্তার ও মিজানুর রহমান জানান, ঈদের আগে পোষাক-আশাকের দাম স্বাভাবিক থাকলেও ঈদের সময় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পোষাকের দাম বাড়িয়ে দেন। ফলে ক্রেতাদের বাধ্য হয়ে কয়েকগুণ বেশিদামে পোষাক-আশাক কিনতে হয়। এমবি ক্লথ ষ্টোরে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা স্কুল নাহিদা আক্তার পলি জানান, রোজার শেষ দিকে মার্কেটগুলোতে ভীড় থাকে। শেষ সময়ে কাপড়ের দোকানগুলোতে পছন্দের কাপড় হয়ত নাও থাকতে পারে। তাই আগেভাগেই পোষাক কিনতে এসেছি।এবারের ঈদবাজারে মেয়েদের শাড়ি, থ্রী পিছ, সেলোয়ার-কামিজ, ফতোয়া, স্কার্ট-টপস, ছেলেদের লং ও শর্ট পাঞ্জাবি, ফতোয়া, শার্ট, জিন্স ও টি-শার্টসহ বাচ্চাদের নানা রঙ ও ডিজাইনের পোষাকের সমাহার ঘটেছে বিভিন্ন পোষাক বিপনীতে। এ অবস্থায় ঈদের কেনাকাটা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। তবে দাম যাই হোক, নিজের সাধ্যমত পোষাক কিনেই ঘরে ফিরছেন ক্রেতারা। আসছে ঈদে নতুন জামাকাপড় পড়ে পরিবারের সাথে ঈদের খুশি ভাগকরে নিতে তাই যত চেষ্টা জেলাবাসীর।
প্রবাসী অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। সাধ্যের মধ্যে দাম কম হওয়ায় প্রতিটি পছন্দের কাপড় কিনতে শহরের বড় বড় বিপণি বিতানগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন তরণ-তরুণীসহ সর্বস্তরের ক্রেতারা। তবে আমদানীকৃত ভারতীয় পন্যে সয়লাব বিপনী বিতানগুলো। বিপনী বিতান গুলোতে ক্রেতাদের ভীড় থাকায় মালিক পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দেশীয় পোষাকের পাশাপাশি প্রতি বছরের ন্যায় ভারতীয় নায়ক-নায়িকাদের নামানুসারে এবারের ঈদে তরুণীদের পছন্দের কাপড়ের চাহিদা বেশী। মুন্নী বদনাম, আশিক টু, ইস্টিকুটুম, লাভেরিয়া নামে থ্রী-পিচের চাহিদা বেশি রয়েছে। পাশাপাশি শাড়ীর বাজারেও কাতান, আশিক কাতান, পিয়র কাতান, অপরা কাতান নামে শাড়ি গুলোর চাহিদা বেশি রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। এছাড়া রয়েছে পোশাকের আদলে তৈরি থ্রিপিস এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ইমিটেশন অলঙ্কার ও কসমেটিক সামগ্রী। রাজধানীর মতো এসব পোষাকের আধিপত্য মৌলভীবাজারের ঈদ বাজারেও। ক্রেতাদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান সাজিয়েছেন দেশী এবং ভারতীয় পণ্যের সমন্বয়ে। মৌলভীবাজারের নামীদামি মার্কেটগুলো যখন ক্রেতাশূন্য তখন এমবি ক্লথ স্টোর,বিলাস ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, শাহ মোস্তফা গাডেন সিটি, আশারাফ সেন্ট্রার, জুলিয়া শপিং সিটি, সুমাইয়া বুটিকস, হাসি ক্লথ ষ্টোরসহ অন্যান্য মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। ক্রেতারা জানান, চাহিদা অনুযায়ী দেশীয় শাড়ি আসছে না। রং ও সুতার দাম বাড়ার কারণে শাড়িপ্রতি ৪০০থেকে ৫৫০টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। জামদানির ক্ষেত্রে ১হাজার ৫০০থেকে ১হাজার ৮০০টাকা বেড়েছে। অন্যদিকে বড় বিপণি বিতান ব্যতীত শহরের অন্য দোকানে ভারতীয় শাড়ির পাশাপাশি দেশীয় শাড়ি জায়গা করে নিয়েছে। এসব দোকানে ৮শ থেকে ১৮ হাজার টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে দেশীয় শাড়ী। অর্থনৈতিক মন্দার কারনে অন্যবারের তুলনায় প্রবাসীরা দেশে কম আসছেন। তাছাড়া প্রবাসীরা ধাপে ধাপে বিভিন্নভাবে প্রবাসে আগের পরিমানে আয় কম থাকায় টাকাও পাঠাচ্ছেন কম। এর প্রভাব কিছুটা পড়ছে এবারের ঈদের বাজারে। অভিজাত মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাত সর্বত্রই কেনাকাটার ধুম পড়েছে। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠেছে বরাবরের মতো রোযা শুরুর পর থেকেই জমে উঠেছে ঈদ বাজার। বাণিজ্যিক কেন্দ্র এম সাইফুর রহমান রোডের ঈদবাজারের যানজট, ভীড় ও ঝামেলার মধ্যে দিয়ে অনেকেই কেনাকাটা করছেন কষ্ট করে। অভিযাত মারর্কেট গুলোর মধ্যে অনত্যম মার্কেট হচ্ছে এমবি ক্লথ ষ্টোর, বিলাশ ডিপাটমের্ন্টাল ষ্টোর, সুমাইয়া বুটিক ফ্যাশন,আলমদিনা ক্লথ ষ্টোর,জেদ্দা ক্লথ ষ্টোর অন্যান্য শপিং সেন্টারগুলো ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।নামী-দামী বিপনী বিতানগুলির পাশাপাশি ফুটপাতের দোকানগুলিতে হরেক রকম ডিজানের কাপড় সাজিয়ে বসেছেন হকাররা। নি¤œ আয়ের মানুষরা ভীড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের এসব দোকান গুলিতে।অবশ্য ঈদকে সামনে রেখে অযৌক্তিকভাবে কাপড়ের মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে ঈদ শপিং করতে আসা মাহমুদা আক্তার ও মিজানুর রহমান জানান, ঈদের আগে পোষাক-আশাকের দাম স্বাভাবিক থাকলেও ঈদের সময় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন পোষাকের দাম বাড়িয়ে দেন। ফলে ক্রেতাদের বাধ্য হয়ে কয়েকগুণ বেশিদামে পোষাক-আশাক কিনতে হয়। এমবি ক্লথ ষ্টোরে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা স্কুল নাহিদা আক্তার পলি জানান, রোজার শেষ দিকে মার্কেটগুলোতে ভীড় থাকে। শেষ সময়ে কাপড়ের দোকানগুলোতে পছন্দের কাপড় হয়ত নাও থাকতে পারে। তাই আগেভাগেই পোষাক কিনতে এসেছি।এবারের ঈদবাজারে মেয়েদের শাড়ি, থ্রী পিছ, সেলোয়ার-কামিজ, ফতোয়া, স্কার্ট-টপস, ছেলেদের লং ও শর্ট পাঞ্জাবি, ফতোয়া, শার্ট, জিন্স ও টি-শার্টসহ বাচ্চাদের নানা রঙ ও ডিজাইনের পোষাকের সমাহার ঘটেছে বিভিন্ন পোষাক বিপনীতে। এ অবস্থায় ঈদের কেনাকাটা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত। তবে দাম যাই হোক, নিজের সাধ্যমত পোষাক কিনেই ঘরে ফিরছেন ক্রেতারা। আসছে ঈদে নতুন জামাকাপড় পড়ে পরিবারের সাথে ঈদের খুশি ভাগকরে নিতে তাই যত চেষ্টা জেলাবাসীর। স্টাফ রিপোর্টার॥

মন্তব্য করুন