শ্রীমঙ্গলে ২৫০ বছরের পুরাতন শিবমন্দিরটি ঐতিহ্য হারাচ্ছে

আগস্ট ৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৫ বার পঠিত

প্রায় ২৫০ বছরের পুরাতন শতানন্দের শিবমন্দিরের ভগ্নাংশটি এখন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বনগাঁও জমিদার বাড়ির একমাত্র ঐতিহ্য। ভগ্নদশা নিয়ে আঁকড়ে এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মন্দিরটি। দেয়াল ভেঙ্গে আস্তে আস্তে খসে পড়ছে মন্দিরটি। সারি সারি ভাঁজ করা ইট একটি একটি করে গুনা যায় অনায়াসে। মন্দিরটিতে ফাঁটল দেখা দেয়ায় পরগাছায় ভরে গেছে। যে কোনো মুহূর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে মন্দিরের শেষ চিহ্নটি। পুরাকীর্তি হিসেবে ধরে রাখতে সরকারের প্রতœতত্ত্ব বিভাগকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামে মন্দিরটির অবস্থান। সূত্র জানায়, আনুমানিক ১৭৫০ খিস্টাব্দের দিকে তৎকালীন যশোর জেলার বনগাঁও থেকে এখানে এসে প্রথম বসতি স্থাপন করেন শতানন্দ সেন। আদি বাসস্থানের নামানুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয় বনগাঁও। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর যশোরের বনগাঁও এখন অবস্থান করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। শতানন্দ সেন এতদঞ্চলে বসতি স্থাপনের পরপরই দেবপূজা অর্চনার জন্য বাড়ির বাইরের বিরাট দীঘির পশ্চিম পাড়ে শিবমন্দিরটি স্থাপন করেন। ১৩৩৫ বাংলায় বিরাট ভূমিকম্পের ফলে মন্দিরটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে মন্দিরের মধ্যভাগ বরাবর বিশাল আকৃতির ফাঁটল দেখা দেয়। পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পাক হানাদার কর্তৃক এই মন্দিরসহ জমিদার বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। দেশ স্বাধীনের পরপরই মন্দিরটিতে পূজা অর্চনা তেমন একটা হতো না। ১৩৩৫ বাংলায় মারাত্মক ভূমিকম্পে রাজ-রাজ্যেশ্বরী মন্দির ও দূর্গা মন্দিরটি ভেঙ্গে যায় এবং এখানে একজন লোকও মারা যান। কালের পরিক্রমায় শতানন্দের শিবমন্দিরটিই বনগাঁও জমিদার বাড়ির একমাত্র সাক্ষী হিসেবে এখনও বিদ্যমান। স্বাধীনতা সংগ্রামের পর ব্যক্তিগতভাবে মন্দিরটি সংস্কারে কেউ হাত দেননি। কারণ জমিদার বাড়ির পরবর্তী বংশধরেরা শহরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আবাসস্থল গড়ে তুলেন। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বাড়িটি জনশূন্য অবস্থায় পড়ে আছে। বাড়ি থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে শ্রীমঙ্গল শহরের জেটি রোডে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন জমিদার বাড়ির উত্তরসূরি হরেন্দ্র সেন চৌধুরীর পরিবার। হরেন্দ্র সেন চৌধুরীর ছেলে দেবব্রত সেন চৌধুরী জানান, বৃটিশ শাসনামল থেকে বংশের নামের সাথে চৌধুরী উপাধি যুক্ত হয়। বাড়ির প্রতিভাবান ব্যক্তি হিসেবে মোক্তার কুঞ্জ কিশোর সেন চৌধুরী, ডা. চন্দ্র কিশোর সেন চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে জমিদার বাড়ির উত্তরসূরিরা জীবিকা নির্বাহের জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করছেন। শতানন্দের জমিদারি ঐতিহ্য এখন ধরে রেখেছে আড়াইশ বছরের পুরাতন এই শিবমন্দিরটি। মন্দিরটি রক্ষায় সরকারের এগিয়ে আসা উচিত বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
প্রায় ২৫০ বছরের পুরাতন শতানন্দের শিবমন্দিরের ভগ্নাংশটি এখন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বনগাঁও জমিদার বাড়ির একমাত্র ঐতিহ্য। ভগ্নদশা নিয়ে আঁকড়ে এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মন্দিরটি। দেয়াল ভেঙ্গে আস্তে আস্তে খসে পড়ছে মন্দিরটি। সারি সারি ভাঁজ করা ইট একটি একটি করে গুনা যায় অনায়াসে। মন্দিরটিতে ফাঁটল দেখা দেয়ায় পরগাছায় ভরে গেছে। যে কোনো মুহূর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে মন্দিরের শেষ চিহ্নটি। পুরাকীর্তি হিসেবে ধরে রাখতে সরকারের প্রতœতত্ত্ব বিভাগকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামে মন্দিরটির অবস্থান। সূত্র জানায়, আনুমানিক ১৭৫০ খিস্টাব্দের দিকে তৎকালীন যশোর জেলার বনগাঁও থেকে এখানে এসে প্রথম বসতি স্থাপন করেন শতানন্দ সেন। আদি বাসস্থানের নামানুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয় বনগাঁও। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর যশোরের বনগাঁও এখন অবস্থান করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। শতানন্দ সেন এতদঞ্চলে বসতি স্থাপনের পরপরই দেবপূজা অর্চনার জন্য বাড়ির বাইরের বিরাট দীঘির পশ্চিম পাড়ে শিবমন্দিরটি স্থাপন করেন। ১৩৩৫ বাংলায় বিরাট ভূমিকম্পের ফলে মন্দিরটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে মন্দিরের মধ্যভাগ বরাবর বিশাল আকৃতির ফাঁটল দেখা দেয়। পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় পাক হানাদার কর্তৃক এই মন্দিরসহ জমিদার বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। দেশ স্বাধীনের পরপরই মন্দিরটিতে পূজা অর্চনা তেমন একটা হতো না। ১৩৩৫ বাংলায় মারাত্মক ভূমিকম্পে রাজ-রাজ্যেশ্বরী মন্দির ও দূর্গা মন্দিরটি ভেঙ্গে যায় এবং এখানে একজন লোকও মারা যান। কালের পরিক্রমায় শতানন্দের শিবমন্দিরটিই বনগাঁও জমিদার বাড়ির একমাত্র সাক্ষী হিসেবে এখনও বিদ্যমান। স্বাধীনতা সংগ্রামের পর ব্যক্তিগতভাবে মন্দিরটি সংস্কারে কেউ হাত দেননি। কারণ জমিদার বাড়ির পরবর্তী বংশধরেরা শহরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আবাসস্থল গড়ে তুলেন। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বাড়িটি জনশূন্য অবস্থায় পড়ে আছে। বাড়ি থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে শ্রীমঙ্গল শহরের জেটি রোডে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন জমিদার বাড়ির উত্তরসূরি হরেন্দ্র সেন চৌধুরীর পরিবার। হরেন্দ্র সেন চৌধুরীর ছেলে দেবব্রত সেন চৌধুরী জানান, বৃটিশ শাসনামল থেকে বংশের নামের সাথে চৌধুরী উপাধি যুক্ত হয়। বাড়ির প্রতিভাবান ব্যক্তি হিসেবে মোক্তার কুঞ্জ কিশোর সেন চৌধুরী, ডা. চন্দ্র কিশোর সেন চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে জমিদার বাড়ির উত্তরসূরিরা জীবিকা নির্বাহের জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করছেন। শতানন্দের জমিদারি ঐতিহ্য এখন ধরে রেখেছে আড়াইশ বছরের পুরাতন এই শিবমন্দিরটি। মন্দিরটি রক্ষায় সরকারের এগিয়ে আসা উচিত বলে এলাকাবাসী মনে করেন। শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন