হারিয়ে গেছে রাজনগরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ির ঐতিহ্য

আগস্ট ৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

সেই রাজাও নেই, রাজ্যও নেই। আছে শুধু রাজারনগর। তাই উপজেলার নাম হয় রাজনগর। মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে রাজনগর উপজেলা। এক সময়ের ইতিহাসপ্রসিদ্ধ ইটারাজ্য। পূর্বের নাম ছিল ইটোয়া। কালক্রমে ইটোয়া নাম পরিবর্তিত হয়ে ইটা নামে রূপান্তরিত হয়। ইটা রাজ্যের রাজা ছিলেন রাজা ভানু নারায়ণ। ভানু নারায়ণের রাজত্বকাল ছিল ১৫৪৬ থেকে ১৫৮০ সাল পর্যন্ত। সেই সময়ে রাজা বর্তমান উপজেলা সদর থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে একটি রাজবাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই রাজবাড়ির আর কোনো চিহ্নই নেই। স্থানীয় লোকজন রাজবাড়ির একাংশে একটি ঈদগাহ স্থাপন করেছেন। আর বাকী অংশ জঙ্গলাকীর্ণ ভূতুড়ে এলাকা। সেই সময়ে রাজবাড়ির নিরাপত্তার জন্য নির্মিত সুবিশাল নিরাপত্তা প্রাচীরের কোনো অস্তিত্বই নেই বর্তমানে। বর্তমানে এই ঈদগাহ ছাড়া রাজবাড়ি সনাক্ত করার মতো কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই। তবে আছে পরিত্যক্ত দীঘি আর পুকুর।
সেই রাজাও নেই, রাজ্যও নেই। আছে শুধু রাজারনগর। তাই উপজেলার নাম হয় রাজনগর। মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে রাজনগর উপজেলা। এক সময়ের ইতিহাসপ্রসিদ্ধ ইটারাজ্য। পূর্বের নাম ছিল ইটোয়া। কালক্রমে ইটোয়া নাম পরিবর্তিত হয়ে ইটা নামে রূপান্তরিত হয়। ইটা রাজ্যের রাজা ছিলেন রাজা ভানু নারায়ণ। ভানু নারায়ণের রাজত্বকাল ছিল ১৫৪৬ থেকে ১৫৮০ সাল পর্যন্ত। সেই সময়ে রাজা বর্তমান উপজেলা সদর থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার পশ্চিমে একটি রাজবাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই রাজবাড়ির আর কোনো চিহ্নই নেই। স্থানীয় লোকজন রাজবাড়ির একাংশে একটি ঈদগাহ স্থাপন করেছেন। আর বাকী অংশ জঙ্গলাকীর্ণ ভূতুড়ে এলাকা। সেই সময়ে রাজবাড়ির নিরাপত্তার জন্য নির্মিত সুবিশাল নিরাপত্তা প্রাচীরের কোনো অস্তিত্বই নেই বর্তমানে। বর্তমানে এই ঈদগাহ ছাড়া রাজবাড়ি সনাক্ত করার মতো কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই। তবে আছে পরিত্যক্ত দীঘি আর পুকুর। রাজনগর প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন