কমলগঞ্জে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে ১ জন নিহত

আগস্ট ৪, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৬ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মেন্দী মিয়ার টিলায় লেবু বাগানে লেবু চুরি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে ডাকাত সন্দেহে লুৎফর রহমান (৪২) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও একজন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ আগষ্ট রোববার সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পুরানবাড়ি এলাকার মেন্দী মিয়ার লেবু বাগান এলাকায়। ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুলেমান মিয়া নিহত লুৎফুর রহমানকে একজন ভাল লোক দাবী করলেও কমলগঞ্জ থানা পুলিশ বলছে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এলাকাবাসী এদের গণপিটুনি দেয়। নিহত লুৎফর রহমান কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীপুর গ্রামের মৃত হাসান মিয়ার ছেলে। আহত গনেশ নাইডু (৩১) পাত্রখোলা চা বাগান এলাকার আতাড়ু নাইড়ুর ছেলে। তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পাত্রখোলা চা বাগান এলাকার লোক জানায়, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ওই দুইজন কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পুরানবাড়ি এলাকার মেন্দী মিয়ার লেবু বাগান এলাকায় লেবু চুরি করতে যায়। তবে একপক্ষ দাবী করছে, এরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় এলাকাবাসী টের পেয়ে তাদের হাতে নাতে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে দুইজন গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লুৎফর রোববার সকালে মারা যান। কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নীহার রঞ্জন নাথ রোববার সন্ধ্যায় এ প্রতিনিধিকে জানান, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এলাকাবাসী এদের গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ্দ করে। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লুৎফুর রহমান নামে এক ডাকাত নিহত হয়। ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: সুলেমান মিয়া বলেন, তার ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের লুৎফুর রহমান ডাকাত নয়। সে একজন দরিদ্র লোক ছিল। হয়তো লেবু বাগানে গিয়ে চুরি করতে পারে। তার বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায়ও কোন খারাপ রেকর্ড নেই। অপর আহত গণেশ পাত্রও ভাল লোক। সে মাধবপুর ইউপি সদস্যের ছেলে বলে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান জানান।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মেন্দী মিয়ার টিলায় লেবু বাগানে লেবু চুরি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে ডাকাত সন্দেহে লুৎফর রহমান (৪২) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও একজন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ আগষ্ট রোববার সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পুরানবাড়ি এলাকার মেন্দী মিয়ার লেবু বাগান এলাকায়। ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুলেমান মিয়া নিহত লুৎফুর রহমানকে একজন ভাল লোক দাবী করলেও কমলগঞ্জ থানা পুলিশ বলছে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এলাকাবাসী এদের গণপিটুনি দেয়। নিহত লুৎফর রহমান কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীপুর গ্রামের মৃত হাসান মিয়ার ছেলে। আহত গনেশ নাইডু (৩১) পাত্রখোলা চা বাগান এলাকার আতাড়ু নাইড়ুর ছেলে। তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পাত্রখোলা চা বাগান এলাকার লোক জানায়, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ওই দুইজন কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পুরানবাড়ি এলাকার মেন্দী মিয়ার লেবু বাগান এলাকায় লেবু চুরি করতে যায়। তবে একপক্ষ দাবী করছে, এরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় এলাকাবাসী টের পেয়ে তাদের হাতে নাতে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে দুইজন গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লুৎফর রোববার সকালে মারা যান। কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নীহার রঞ্জন নাথ রোববার সন্ধ্যায় এ প্রতিনিধিকে জানান, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এলাকাবাসী এদের গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ্দ করে। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লুৎফুর রহমান নামে এক ডাকাত নিহত হয়। ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: সুলেমান মিয়া বলেন, তার ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের লুৎফুর রহমান ডাকাত নয়। সে একজন দরিদ্র লোক ছিল। হয়তো লেবু বাগানে গিয়ে চুরি করতে পারে। তার বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায়ও কোন খারাপ রেকর্ড নেই। অপর আহত গণেশ পাত্রও ভাল লোক। সে মাধবপুর ইউপি সদস্যের ছেলে বলে ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান জানান। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

মন্তব্য করুন