শেষ মুহুর্থে জমে উঠেছে কুলাউড়ার ঈদ বাজার

আগস্ট ৬, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

কুলাউড়া শহরে ঈদের বাজার জমে উঠেছে। ক্রেতারা আসছেন নতুন পোশাকের খোঁজে । তবে গতবারের তুলনায় এবার বিক্রেতারা দাম বেশি হাঁকাচ্ছেন বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। এ কারণে কেনাকাটা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতারা। তবে দাম বেশি হলেও থেমে নেই ক্রেতারা। ছোট-বড় সবার আনাগোনায় মুখর শহরের সব বিপণিবিতান। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত, ছোট থেকে বৃদ্ধ সবার একটাই উদ্দেশ্য-ঈদের কেনাকাটা। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় কেনাকাটার এ আসর আরও বিশাল আকারে রূপ নিয়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুরাই কেনাকাটায় বেশি ঝুঁকছেন বলে জানান অনেক ব্যবসায়ী। তবে রমজানের শুরু থেকেই জমজমাট অনেক মার্কেট। ক্রেতারা কিনে খুশি, বিক্রেতারা বিক্রি করে। ঈদকে সামনে রেখে কুলাউড়া শহরের এ দৃশ্য প্রতিদিনের । সকাল থেকে গভীর রাত অবধি চলছে বেচাবিক্রি। জেলা শহরের মার্কেটের ন্যায় উপজেলা সদরের মার্কেটে দামি ও বিলাসবহুল ঈদের পরিধেয় ও ব্যবহার্য পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই বেশিরভাগ ক্রেতা আর জেলা শহরে যাচ্ছে না ঈদের কেনাকাটার জন্য। উচ্চমূল্যে বিত্তশালীরা কাপড়-চোপড় গয়নাগাটি, পরিধেয় ও গৃহের সাজ সরঞ্জাম ক্রয় করলেও নিম্নবিত্ত, দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে সমস্যায়। বেশি দামে তারা ব্যবহার্য পণ্য ক্রয়ে হিমশিম খাচ্ছে। এবার প্রতিটি রকমারি ফ্যাশন হাউস ও মার্কেটগুলো ঈদ উপলক্ষে সম্পন্ন নতুনরূপে সেজেছে। মার্কেটগুলোতে লাইটিং করা হয়েছে। ঈদে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে আনা হয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক। রকমারি ডিজাইনের পোশাক নজর কাড়ছে সাধারণ ক্রেতাদের। সে কারণে প্রতিটি মার্কেট ও রকমারি প্রতিটি ফ্যাশন হাউসে নারী ও শিশুদের উপচেপড়া ভিড়। মার্কেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছোট দোকান, অস্থায়ী দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কেনাকেটার প্রচন্ড ভিড় । উপজেলার সদরের মিলি প¬াজা মার্কেটের ইয়াং ফ্যাশন, আশরাফ ব¯্র বিতান, রিয়া ফ্যাশন ,ক্লাসিক ফ্যাশন,অপর দিকে শহরের মজুমদার ফ্যাশন, আরশদ ক্লথ ষ্টোর,এন এস ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, ফারহানা ক্লথ ষ্টোর, মনোলোভা বস্ত্র বিপনী, গ্রামীণ হাট,বর্ণালী,শাড়িমহল, শৌখিন অভিজাত বিপণি, তারিন সৌরভ ফ্যাশন, স্বপ্নচূড়া, রায়হান ক্লথ স্টোর, উত্তরা শপিং সেন্টার, মীম ফ্যাশন, আলহেরা বস্ত্র বিপণি,সহ বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে মার্কেট ও দোকানগুলোকে বিভিন্ন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। চমক লাগানো বিভিন্ন নামের পোশাকের মধ্যে বেশি চলছে ওয়াকা ওয়াকা, সাকিরা, তেরে নাম, সোহানা, কোটালি, আদুরি, বিদায় সাজনা, চায়না প্রিন্ট আর জনপ্রিয় মাসাকালি। উপজেলার প্রতিটি ফ্যাশন হাউসেই নিত্যনতুন ডিজাইনের শাড়ি, জামা, থ্রিপিস,প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি, জুতা, সালোয়ার-কামিজ, চুড়ি, ইমিটেশন, গহনা, গ্রামীন চেক, হাতের কাজ করা নানা ধরনের শাড়ি, পাঞ্জাবী আছে ষোলআনায়। এছাড়া নারীদের জন্য রয়েছে জয়পুরী সিল্ক, ফেন্সী জামদানি, ঢাকাই জামদানি, সিল্ক টিসু, নেট টিসুসহ বাহারি শাড়ি। শিশুদের উল্লেখযোগ্য পোশাকের মধ্যে রয়েছে শিলা, টিংকু জিয়া, দাবাং, সাহারা, কেট মিলটন, মুন্নী বদনাম, নায়ুরী, বিন্দু এবং বুটিকের থ্রিপিস। বিভিন্ন দোকাগুলোতে জেন্টস কালেকশন রয়েছে সুতি, খাদি, সিল্ক, সিল্ক প্রিন্ট, অ্যাপলিকসহ নানা ধরনের পাঞ্জাবীর সমাহার। আর প্যান্টের মধ্যে রয়েছে অ্যারো শেফ, বুট কাট, হুট কাট, নরমাল জিন্স, থাই জিন্স, চায়না জিন্স, গ্যাবাডিং। এছাড়া কট ও কুল ওয়াটার, গুগো, ডানহিল, রেডডোরসহ নানা ব্র্যান্ডের পারফিউম ও এডিডাস, নাইকি, প্লেবয়, এক্সসহ নানা ধরনের বডি স্প্রে এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে। কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি ভিড় রয়েছে জুতা ও জুয়েলারি দোকানেও। পিছিয়ে নেই শহরের এমব্রয়ডারির, মুনীম ,হেপী,ডিমান্ডসহ টেইলার্সগুলোতে রোজা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় শুরু হয়েছে। আরশদ ক্লথ ষ্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী আহসান হোসেন আল নাহিয়ান জানান, এবার ঈদে শিশুদের পোশাকের বিপুল সম্ভার রয়েছে অধিকাংশ দোকানে শহরের ফ্যাশন হাউসগুলোতে মেয়েদের পোশাকের মধ্যে বেশি বিক্রি হচ্ছে ইন্ডিয়ান লেহেঙ্গা রাশি, গোপী, কোকিলা, মোটা ভাবি, কারিনা, সোহানা, পায়েল, টপ, বস্নক প্রিন্ট, স্ক্রিন প্রিন্ট,নড়েচড়ে, সোহা, ফিরনা, অর্চনাসহ নানা জাতের নতুন নতুন নামের মডেলিং কামিজ। অন্যদিকে পুরুষের ফ্যাশনে তেমন নামডাক নেই। নেই মডেলের নাম। সাধারণত পাজামা-পাঞ্জাবির চাহিদাই বেশি ঈদে। বিভিন্ন বিপণিকেন্দ্র ঘুরে নানা বয়সী ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন স্থানীয় বিপণিকেন্দ্রগুলোতে শহরের মতো নিত্যনতুন অনেক পোশাক পাওয়া যায়, তাই জেলা শহর থেকে বাজার না করে এবার নিজ নিজ এলাকায় ঈদের বাজার সারছেন তারা। ওয়াল্টনের কুলাউড়ার প্রধান শো রুমের স্বত্ত্বাধীকারী আব্দুল আহাদ জানান, ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে অনেকের কেনাকাটার তালিকায় জামা-জুতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট আর নানা গ্যাজেট। বিশেষ করে রোজার শেষদিকে এসে এসব প্রযুক্তিপণ্যের দিকে নজর দিচ্ছেন ক্রেতারা।
কুলাউড়া শহরে ঈদের বাজার জমে উঠেছে। ক্রেতারা আসছেন নতুন পোশাকের খোঁজে । তবে গতবারের তুলনায় এবার বিক্রেতারা দাম বেশি হাঁকাচ্ছেন বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। এ কারণে কেনাকাটা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতারা। তবে দাম বেশি হলেও থেমে নেই ক্রেতারা। ছোট-বড় সবার আনাগোনায় মুখর শহরের সব বিপণিবিতান। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত, ছোট থেকে বৃদ্ধ সবার একটাই উদ্দেশ্য-ঈদের কেনাকাটা। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় কেনাকাটার এ আসর আরও বিশাল আকারে রূপ নিয়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুরাই কেনাকাটায় বেশি ঝুঁকছেন বলে জানান অনেক ব্যবসায়ী। তবে রমজানের শুরু থেকেই জমজমাট অনেক মার্কেট। ক্রেতারা কিনে খুশি, বিক্রেতারা বিক্রি করে। ঈদকে সামনে রেখে কুলাউড়া শহরের এ দৃশ্য প্রতিদিনের । সকাল থেকে গভীর রাত অবধি চলছে বেচাবিক্রি। জেলা শহরের মার্কেটের ন্যায় উপজেলা সদরের মার্কেটে দামি ও বিলাসবহুল ঈদের পরিধেয় ও ব্যবহার্য পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই বেশিরভাগ ক্রেতা আর জেলা শহরে যাচ্ছে না ঈদের কেনাকাটার জন্য। উচ্চমূল্যে বিত্তশালীরা কাপড়-চোপড় গয়নাগাটি, পরিধেয় ও গৃহের সাজ সরঞ্জাম ক্রয় করলেও নিম্নবিত্ত, দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে সমস্যায়। বেশি দামে তারা ব্যবহার্য পণ্য ক্রয়ে হিমশিম খাচ্ছে। এবার প্রতিটি রকমারি ফ্যাশন হাউস ও মার্কেটগুলো ঈদ উপলক্ষে সম্পন্ন নতুনরূপে সেজেছে। মার্কেটগুলোতে লাইটিং করা হয়েছে। ঈদে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে আনা হয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক। রকমারি ডিজাইনের পোশাক নজর কাড়ছে সাধারণ ক্রেতাদের। সে কারণে প্রতিটি মার্কেট ও রকমারি প্রতিটি ফ্যাশন হাউসে নারী ও শিশুদের উপচেপড়া ভিড়। মার্কেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ছোট দোকান, অস্থায়ী দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কেনাকেটার প্রচন্ড ভিড় । উপজেলার সদরের মিলি প¬াজা মার্কেটের ইয়াং ফ্যাশন, আশরাফ ব¯্র বিতান, রিয়া ফ্যাশন ,ক্লাসিক ফ্যাশন,অপর দিকে শহরের মজুমদার ফ্যাশন, আরশদ ক্লথ ষ্টোর,এন এস ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, ফারহানা ক্লথ ষ্টোর, মনোলোভা বস্ত্র বিপনী, গ্রামীণ হাট,বর্ণালী,শাড়িমহল, শৌখিন অভিজাত বিপণি, তারিন সৌরভ ফ্যাশন, স্বপ্নচূড়া, রায়হান ক্লথ স্টোর, উত্তরা শপিং সেন্টার, মীম ফ্যাশন, আলহেরা বস্ত্র বিপণি,সহ বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে মার্কেট ও দোকানগুলোকে বিভিন্ন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। চমক লাগানো বিভিন্ন নামের পোশাকের মধ্যে বেশি চলছে ওয়াকা ওয়াকা, সাকিরা, তেরে নাম, সোহানা, কোটালি, আদুরি, বিদায় সাজনা, চায়না প্রিন্ট আর জনপ্রিয় মাসাকালি। উপজেলার প্রতিটি ফ্যাশন হাউসেই নিত্যনতুন ডিজাইনের শাড়ি, জামা, থ্রিপিস,প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি, জুতা, সালোয়ার-কামিজ, চুড়ি, ইমিটেশন, গহনা, গ্রামীন চেক, হাতের কাজ করা নানা ধরনের শাড়ি, পাঞ্জাবী আছে ষোলআনায়। এছাড়া নারীদের জন্য রয়েছে জয়পুরী সিল্ক, ফেন্সী জামদানি, ঢাকাই জামদানি, সিল্ক টিসু, নেট টিসুসহ বাহারি শাড়ি। শিশুদের উল্লেখযোগ্য পোশাকের মধ্যে রয়েছে শিলা, টিংকু জিয়া, দাবাং, সাহারা, কেট মিলটন, মুন্নী বদনাম, নায়ুরী, বিন্দু এবং বুটিকের থ্রিপিস। বিভিন্ন দোকাগুলোতে জেন্টস কালেকশন রয়েছে সুতি, খাদি, সিল্ক, সিল্ক প্রিন্ট, অ্যাপলিকসহ নানা ধরনের পাঞ্জাবীর সমাহার। আর প্যান্টের মধ্যে রয়েছে অ্যারো শেফ, বুট কাট, হুট কাট, নরমাল জিন্স, থাই জিন্স, চায়না জিন্স, গ্যাবাডিং। এছাড়া কট ও কুল ওয়াটার, গুগো, ডানহিল, রেডডোরসহ নানা ব্র্যান্ডের পারফিউম ও এডিডাস, নাইকি, প্লেবয়, এক্সসহ নানা ধরনের বডি স্প্রে এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছে। কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি ভিড় রয়েছে জুতা ও জুয়েলারি দোকানেও। পিছিয়ে নেই শহরের এমব্রয়ডারির, মুনীম ,হেপী,ডিমান্ডসহ টেইলার্সগুলোতে রোজা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় শুরু হয়েছে। আরশদ ক্লথ ষ্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী আহসান হোসেন আল নাহিয়ান জানান, এবার ঈদে শিশুদের পোশাকের বিপুল সম্ভার রয়েছে অধিকাংশ দোকানে শহরের ফ্যাশন হাউসগুলোতে মেয়েদের পোশাকের মধ্যে বেশি বিক্রি হচ্ছে ইন্ডিয়ান লেহেঙ্গা রাশি, গোপী, কোকিলা, মোটা ভাবি, কারিনা, সোহানা, পায়েল, টপ, বস্নক প্রিন্ট, স্ক্রিন প্রিন্ট,নড়েচড়ে, সোহা, ফিরনা, অর্চনাসহ নানা জাতের নতুন নতুন নামের মডেলিং কামিজ। অন্যদিকে পুরুষের ফ্যাশনে তেমন নামডাক নেই। নেই মডেলের নাম। সাধারণত পাজামা-পাঞ্জাবির চাহিদাই বেশি ঈদে। বিভিন্ন বিপণিকেন্দ্র ঘুরে নানা বয়সী ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন স্থানীয় বিপণিকেন্দ্রগুলোতে শহরের মতো নিত্যনতুন অনেক পোশাক পাওয়া যায়, তাই জেলা শহর থেকে বাজার না করে এবার নিজ নিজ এলাকায় ঈদের বাজার সারছেন তারা। ওয়াল্টনের কুলাউড়ার প্রধান শো রুমের স্বত্ত্বাধীকারী আব্দুল আহাদ জানান, ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে অনেকের কেনাকাটার তালিকায় জামা-জুতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট আর নানা গ্যাজেট। বিশেষ করে রোজার শেষদিকে এসে এসব প্রযুক্তিপণ্যের দিকে নজর দিচ্ছেন ক্রেতারা। কুলাউড়া প্রতিনিধি॥

মন্তব্য করুন