ঈদের ছুটিতে মৌলভীবাজার জেলার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়

আগস্ট ৯, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ১১ বার পঠিত

ঈদের ছুটিতে দর্শণার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে মৌলভীবাজার জেলার দর্শনীয় স্থান। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাকৃতিক চির সবুজ এ দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তারা জেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে প্রকৃতির অপরুপ এ দৃশ্য অবলোপন করতে চষে বেড়াচ্ছেন। সবুজে ঘেরা প্রকৃতির নানা রুপে সজ্জিত মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঈদের ছুটিতে দেশী বিদেশী পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঈদের ছুটি ছাড়াও প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নৈসর্গের অপরূপ এ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্ক, মাধবপুর লেইক, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, হামহাম জলপ্রপাত, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত ও চা বাগান গুলো পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করেছে। কয়েক জন পর্যটক জানান দর্শনীয় স্থান নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না প্রকৃতিযে কত সুন্দর। জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান জানান সরকার পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো নিয়ে নানা মূখি উদ্যেগ নিয়েছে। ঈদ উপলক্ষে পর্যটন স্থান গুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যটন পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশী টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলায় পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য কোন সুযোগ সুবিধে না থাকলেও ক্রমশ পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পর্যটকদের কাছ থেকে প্রবেশ ফি বাবৎ শুধু লাউয়াছড়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমান রাজস্ব আদায় হয়েছে জানালেন লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি ন্যাশনাল পার্ক এর সাইট অফিসার কাজী নজরুল ইসলাম। পর্যটকরা মনে করেন জেলার পর্যটন স্থানগুলোকে আরো আকর্ষনীয় করে তোললে পর্যটন শিল্প যেমন বিকশিত হবে তেমনি সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে।
ঈদের ছুটিতে দর্শণার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে মৌলভীবাজার জেলার দর্শনীয় স্থান। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রাকৃতিক চির সবুজ এ দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তারা জেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে প্রকৃতির অপরুপ এ দৃশ্য অবলোপন করতে চষে বেড়াচ্ছেন। সবুজে ঘেরা প্রকৃতির নানা রুপে সজ্জিত মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঈদের ছুটিতে দেশী বিদেশী পর্যটকদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঈদের ছুটি ছাড়াও প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নৈসর্গের অপরূপ এ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে ছুটে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্ক, মাধবপুর লেইক, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, হামহাম জলপ্রপাত, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত ও চা বাগান গুলো পর্যটকদের সবচেয়ে বেশী আকৃষ্ট করেছে। কয়েক জন পর্যটক জানান দর্শনীয় স্থান নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না প্রকৃতিযে কত সুন্দর। জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান জানান সরকার পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো নিয়ে নানা মূখি উদ্যেগ নিয়েছে। ঈদ উপলক্ষে পর্যটন স্থান গুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যটন পুলিশের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশী টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলায় পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য কোন সুযোগ সুবিধে না থাকলেও ক্রমশ পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পর্যটকদের কাছ থেকে প্রবেশ ফি বাবৎ শুধু লাউয়াছড়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমান রাজস্ব আদায় হয়েছে জানালেন লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি ন্যাশনাল পার্ক এর সাইট অফিসার কাজী নজরুল ইসলাম। পর্যটকরা মনে করেন জেলার পর্যটন স্থানগুলোকে আরো আকর্ষনীয় করে তোললে পর্যটন শিল্প যেমন বিকশিত হবে তেমনি সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন