কমলগঞ্জে ব্যবসায়ী মজিদ হত্যা মামলা ১১ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালতে জমা ॥ সরাসরি নির্মমভাবে হত্যায় ২ জন ও সহায়তায় মহিলাসহ ৯জন জড়িত

আগস্ট ১৫, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ হত্যা মামলায় পুলিশ ১১জন আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালতে জমা করেছে। এ হত্যায় সরাসরি ২ জন জড়িত ও আলামত নষ্ট করাসহ সহায়তার অভিযোগে মহিলাসহ আর ৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ২০১২ সনের ২৯ আগষ্ট পতনঊষার ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামের মোদী ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে একটি বাড়িতে নির্মমভাবে হত্যার পর তার(ব্যবসায়ীর) পুরুষাঙ্গ কেটে, কান দিয়ে লোহার রড ঢুকিয়ে, গাড় মটকিয়ে হাত পা বেধে মজিদের বাড়ির পিছনের একটি ডুবায় পানির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর-২০১২ নিহত ব্যবসীয় আব্দুল মজিদের বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। হত্যা মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আনজির আহমেদ জানান, দীর্ঘ বছর খানেক সরেজমিন ব্যাপক তদন্ত চলে। পাশাপাশি ময়না তদন্ত ও আসামীদের ডিএনএ পরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন পেয়ে গত ১৩ আগষ্ট ১১জনকে আসামী করে চার্জ গঠন করা হয়। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৪ আগষ্ট চার্জশিটটি মূখ্য বিচারিক হাকিম আদালত মৌলভীবাজারে জমা করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তানজির আহমদ বৃহস্পতিবার এ প্রতিনিধিকে বলেন, প্রধান আসামী রুবেল মিয়া ও জুয়েল আহমদ ব্যবসায়ী মজিদকে ঘটনার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা যায় ৩নং আসামী আজাদুর রহমানের শয়ন কক্ষে মজিদকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বাকী আসামী মুহিত মিয়া, আজমান মিয়া, মাসুক মিয়া, আফরোজ মিয়া, শাহীন মিয়া, জুয়েলের মা ডলি বেগম, রুবেলের মা আলমা বেগম ও কলেজ ছাত্রী আমিনা আক্তার জুঁই আলামত নষ্ট করা চেষ্টা হত্যা ঘটনায় সহায়তা করেছে। ১১ আসামীর মাঝে রুবেল মিয়া, জুয়েল আহমদ ও মাসুক কারাগারে আছে। আসামী আজাদুর রহমান ও মুহিত উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন। আসামী আফরোজ পলাতক রয়েছে। মামলার বাদী মজিদের বাবা আব্দুর রহমান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, সুষ্ঠুভাবে তদন্ত হয়েছে। এখন আদালত বিচার শেষে রায় ঘোষনা করবেন তিনি ও পরিবার সদস্যরা সে রায়ের অপেক্ষায় আছেন।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ হত্যা মামলায় পুলিশ ১১জন আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালতে জমা করেছে। এ হত্যায় সরাসরি ২ জন জড়িত ও আলামত নষ্ট করাসহ সহায়তার অভিযোগে মহিলাসহ আর ৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। ২০১২ সনের ২৯ আগষ্ট পতনঊষার ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামের মোদী ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে একটি বাড়িতে নির্মমভাবে হত্যার পর তার(ব্যবসায়ীর) পুরুষাঙ্গ কেটে, কান দিয়ে লোহার রড ঢুকিয়ে, গাড় মটকিয়ে হাত পা বেধে মজিদের বাড়ির পিছনের একটি ডুবায় পানির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর-২০১২ নিহত ব্যবসীয় আব্দুল মজিদের বাবা আব্দুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। হত্যা মামলার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আনজির আহমেদ জানান, দীর্ঘ বছর খানেক সরেজমিন ব্যাপক তদন্ত চলে। পাশাপাশি ময়না তদন্ত ও আসামীদের ডিএনএ পরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন পেয়ে গত ১৩ আগষ্ট ১১জনকে আসামী করে চার্জ গঠন করা হয়। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৪ আগষ্ট চার্জশিটটি মূখ্য বিচারিক হাকিম আদালত মৌলভীবাজারে জমা করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তানজির আহমদ বৃহস্পতিবার এ প্রতিনিধিকে বলেন, প্রধান আসামী রুবেল মিয়া ও জুয়েল আহমদ ব্যবসায়ী মজিদকে ঘটনার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা যায় ৩নং আসামী আজাদুর রহমানের শয়ন কক্ষে মজিদকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বাকী আসামী মুহিত মিয়া, আজমান মিয়া, মাসুক মিয়া, আফরোজ মিয়া, শাহীন মিয়া, জুয়েলের মা ডলি বেগম, রুবেলের মা আলমা বেগম ও কলেজ ছাত্রী আমিনা আক্তার জুঁই আলামত নষ্ট করা চেষ্টা হত্যা ঘটনায় সহায়তা করেছে। ১১ আসামীর মাঝে রুবেল মিয়া, জুয়েল আহমদ ও মাসুক কারাগারে আছে। আসামী আজাদুর রহমান ও মুহিত উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন। আসামী আফরোজ পলাতক রয়েছে। মামলার বাদী মজিদের বাবা আব্দুর রহমান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, সুষ্ঠুভাবে তদন্ত হয়েছে। এখন আদালত বিচার শেষে রায় ঘোষনা করবেন তিনি ও পরিবার সদস্যরা সে রায়ের অপেক্ষায় আছেন। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

মন্তব্য করুন