জুড়ীর ফুলতলা ইউনিয়নের সহস্রাধিক বিদ্যুত গ্রাহক ১৬ দিন যাবত অন্ধকারে

আগস্ট ১৬, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের সহস্রাধিক বিদ্যুত গ্রাহক ২’শ কেভির ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় ১৬ দিন যাবত বিদ্যুত বিহীন চরম দুর্ভোগ পোয়াচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুত বিভাগ ওই ট্রান্সফরমার মেরামতের নামে দুই লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেও তা পুনঃস্থাপন করছে না। জানা গেছে, ফুলতলা ইউনিয়নের একমাত্র ২’শ কেভির ট্রান্সফরমারটি গত ১লা আগষ্ট বিকল হয়। এতে ফুলতলা ইউনিয়ন ও স্থানীয় বাজারের দুই হাজার গ্রাহক অন্ধকারে নিমজ্জিত হন। বিদ্যুত গ্রাহক ও ফুলতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়াজ আলী, মেম্বার সুমন মল্লিক, ব্যবসায়ী মাসুক আহমদ জানান ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ায় রমজান মাসে লোকজন প্রচন্ড ঘরমে দুর্ভোগ পোয়ান। বিদ্যুত বিভাগকে অবহিত করার পরও ট্রান্সফরমারটি পুনঃস্থাপন করেনি। গ্রাহক সুত্র জানায় কুলাউড়া পিডিবি ট্রান্সফরমার মেরমতের জন্য ফয়াজ আলী নামে এক সাবেক মেম্বারের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিকট থেকে ২’শ থেকে ৫’শ টাকা করে অন্তত দুই লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেছে। কিন্তু চাঁদা আদায়ের ১৮ দিন পরও ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপিত হয়নি। এ ব্যাপারে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান ট্রান্সফরমার মেরামতের নামে গ্রাহকদের নিকট থেকে টাকা পয়সা নেয়ার নিয়ম নেই। ট্রান্সফরমারটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, মেরামত হলেই পুনঃস্থাপন করা হবে।
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের সহস্রাধিক বিদ্যুত গ্রাহক ২’শ কেভির ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় ১৬ দিন যাবত বিদ্যুত বিহীন চরম দুর্ভোগ পোয়াচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুত বিভাগ ওই ট্রান্সফরমার মেরামতের নামে দুই লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেও তা পুনঃস্থাপন করছে না। জানা গেছে, ফুলতলা ইউনিয়নের একমাত্র ২’শ কেভির ট্রান্সফরমারটি গত ১লা আগষ্ট বিকল হয়। এতে ফুলতলা ইউনিয়ন ও স্থানীয় বাজারের দুই হাজার গ্রাহক অন্ধকারে নিমজ্জিত হন। বিদ্যুত গ্রাহক ও ফুলতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফয়াজ আলী, মেম্বার সুমন মল্লিক, ব্যবসায়ী মাসুক আহমদ জানান ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ায় রমজান মাসে লোকজন প্রচন্ড ঘরমে দুর্ভোগ পোয়ান। বিদ্যুত বিভাগকে অবহিত করার পরও ট্রান্সফরমারটি পুনঃস্থাপন করেনি। গ্রাহক সুত্র জানায় কুলাউড়া পিডিবি ট্রান্সফরমার মেরমতের জন্য ফয়াজ আলী নামে এক সাবেক মেম্বারের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিকট থেকে ২’শ থেকে ৫’শ টাকা করে অন্তত দুই লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেছে। কিন্তু চাঁদা আদায়ের ১৮ দিন পরও ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপিত হয়নি। এ ব্যাপারে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী জানান ট্রান্সফরমার মেরামতের নামে গ্রাহকদের নিকট থেকে টাকা পয়সা নেয়ার নিয়ম নেই। ট্রান্সফরমারটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, মেরামত হলেই পুনঃস্থাপন করা হবে। জুড়ী প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন