ফলোআপ ॥ ব্রিটিশ যুবতী ইউনা হত্যা ॥ মূল আসামী ধরা ছোয়ার বাহিরে ॥ সন্দেহভাজন গাড়ী চালক গ্রেপ্তার

জুলাই ২, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৬১ বার পঠিত

মৌলভীবাজারে ব্রিটিশ যুবতী সেহলিনা তিলাত ইউনা হত্যাকা-ের ঘটনায় মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করেছে নিহতের ভাই মুহিবুর নুর রুম্মান। পুলিশ এই হত্যাকা-ের রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে। আসামি শনাক্ত করে অচিরেই হত্যাকারী গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাড়ির চালক সৈয়দ নিয়াজ আহমদ রাজু (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্তরকারী কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, নিহত ব্রিটিশ সিটিজেনশীপ যুবতীর বয় ফ্রেন্ডরা সন্দেহের তালিকা রয়েছে। এ ঘটনার সাথে যারা স¤পৃক্ত রয়েছে তাদেরকেই গ্রেফতার করা হবে। আটক গাড়ী চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে। ২৯ জুন রাত পৌনে ১২ টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় নিজ প্রাইভেট কারের ভেতর একটি টাওয়ালে মুড়ানো নগ্ন অবস্থায় ইউনার লাশ পাওয়া যায়। তার মাথার পেছনে আঘাতের চিহৃ ছিল। এলাকাবাসীরা জানান, এই ব্রিটিশ যুবতী নিজেই তার প্রাইভেট কার চালাতো। এলাকার একাধিক সূত্রে জানাযায় ইউনার জীবনযাপন ছিল উচ্ছৃঙ্খল। তবে তার পরিবারের কেউ তার মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। এমনকি মামলা দায়ের করতে গরিমিসি করেন। মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিন গ্রামের মৃত কলা মিয়া মাষ্টারের ছেলে ব্রিটিশ সিটিজেনশীপ জামিলুর রশিদের সাথে বিয়ে হয় ইউনার। গত ২৭ মে যুক্তরাজ্যে স্বামীকে রেখে মৌলভীবাজারে আসে। কখনও থাকতো সে বাবার বাড়ি আবার কখনও নানার বাড়ি। ইউনা অধিকাংশ সময় নিজেই গাড়ি চালাতো। এর পাশাপাশি বয়ফ্রেন্ডদের নিয়ে গাড়ি চালিয়ে ঘুরে বেরতো জেলার বিভিন্ন স্থানে। তার বয়ফ্রেন্ডদের তালিকায় জেলার একাধিক র্শীষ সন্ত্রাসী রয়েছে। সর্বশেষ গত ২৯ জুন শনিবার বিকেলে বাসার কাউকে না বলে তার ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-গ-১২-২৬৪৪ প্রাইভেট কার নিয়ে একা বেড়িয়ে যায়। ঐ রাত পৌনে ১২টায় বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় রাস্থার পাশে একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ ১২-২৬৪৪) স্থানীয় লোকজন পরিত্যাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাইভেট কারের দরজা ভেতর থেকে লাগানো অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশ দরজার লক খোলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ তার সাথে থাকা ব্যানটিব্যাগ, ব্যাংকের চেকবহি নগদ ১২শ ৫০ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। অতিরিক্ত পুলিশ সপার নুরুল ইসলাম জানান, এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করতে যা যা করার প্রয়োজন তাই করা হচ্ছে। অচিরেই মূল ঘটনাকারী ধরা পড়বে।
মৌলভীবাজারে ব্রিটিশ যুবতী সেহলিনা তিলাত ইউনা হত্যাকা-ের ঘটনায় মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করেছে নিহতের ভাই মুহিবুর নুর রুম্মান। পুলিশ এই হত্যাকা-ের রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে। আসামি শনাক্ত করে অচিরেই হত্যাকারী গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাড়ির চালক সৈয়দ নিয়াজ আহমদ রাজু (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্তরকারী কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, নিহত ব্রিটিশ সিটিজেনশীপ যুবতীর বয় ফ্রেন্ডরা সন্দেহের তালিকা রয়েছে। এ ঘটনার সাথে যারা স¤পৃক্ত রয়েছে তাদেরকেই গ্রেফতার করা হবে। আটক গাড়ী চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে। ২৯ জুন রাত পৌনে ১২ টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় নিজ প্রাইভেট কারের ভেতর একটি টাওয়ালে মুড়ানো নগ্ন অবস্থায় ইউনার লাশ পাওয়া যায়। তার মাথার পেছনে আঘাতের চিহৃ ছিল। এলাকাবাসীরা জানান, এই ব্রিটিশ যুবতী নিজেই তার প্রাইভেট কার চালাতো। এলাকার একাধিক সূত্রে জানাযায় ইউনার জীবনযাপন ছিল উচ্ছৃঙ্খল। তবে তার পরিবারের কেউ তার মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ। এমনকি মামলা দায়ের করতে গরিমিসি করেন। মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিন গ্রামের মৃত কলা মিয়া মাষ্টারের ছেলে ব্রিটিশ সিটিজেনশীপ জামিলুর রশিদের সাথে বিয়ে হয় ইউনার। গত ২৭ মে যুক্তরাজ্যে স্বামীকে রেখে মৌলভীবাজারে আসে। কখনও থাকতো সে বাবার বাড়ি আবার কখনও নানার বাড়ি। ইউনা অধিকাংশ সময় নিজেই গাড়ি চালাতো। এর পাশাপাশি বয়ফ্রেন্ডদের নিয়ে গাড়ি চালিয়ে ঘুরে বেরতো জেলার বিভিন্ন স্থানে। তার বয়ফ্রেন্ডদের তালিকায় জেলার একাধিক র্শীষ সন্ত্রাসী রয়েছে। সর্বশেষ গত ২৯ জুন শনিবার বিকেলে বাসার কাউকে না বলে তার ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-গ-১২-২৬৪৪ প্রাইভেট কার নিয়ে একা বেড়িয়ে যায়। ঐ রাত পৌনে ১২টায় বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় রাস্থার পাশে একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ ১২-২৬৪৪) স্থানীয় লোকজন পরিত্যাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাইভেট কারের দরজা ভেতর থেকে লাগানো অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশ দরজার লক খোলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ তার সাথে থাকা ব্যানটিব্যাগ, ব্যাংকের চেকবহি নগদ ১২শ ৫০ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। অতিরিক্ত পুলিশ সপার নুরুল ইসলাম জানান, এই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করতে যা যা করার প্রয়োজন তাই করা হচ্ছে। অচিরেই মূল ঘটনাকারী ধরা পড়বে। ষ্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”