কুলাউড়া পৌর শহরের ৫টি দোকানে দুঃসাহসিক চুরি

জুলাই ১০, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

কুলাউড়া পৌর শহরে দুই দিনের ব্যবধানে ৫টি দোকান চুরি সংঘটিত হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চোর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত ২ ও ৩ জুলাই রাতেই দোকানগুলোতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়। জানা যায়, স্টেশন রোডে ৩টি দোকান ও হাসপাতাল রোডে ২টি দোকানের তালা ভেঙ্গে চোরেরা একই কায়দায় চুরি করে। স্টেশন রোডের সিকন্দর স্টোরের প্রোপ্রাইটার সোলেমান আহমদ জানান, তার দোকানের পিছনের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়। আল বারাকা লাইব্রেরীর প্রোপাইটার শাহিন আহমদ জানান, দোকানের টিনের চালা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে প্রায় নগদ ১০ হাজার টাকা ও ১ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নিয়ে যায়। একই কায়দায় ছাব্বির ভেরাইটিজ স্টোর, এনএস ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও ডিমান্ড টেইলার্সে চুরি সংঘটিত হয়। কুলাউড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল ও সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমদ গিলমান জানান, বিষয়টি আমরা অবগতি হয়েছি। থানার অদূরে এমন দুঃসাহসিক চুরি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে বসে সকলের সহযোগিতায় চুরি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেব। এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার ওসি মোঃ হাসানুজ্জামান জানান, বিষয়টি জেনেছি। তাদের নিযুক্ত পাহারাদার থাকা সত্বেও চুরি হওয়ার কারণে ইতিমধ্যে রাতের বেলায় পুলিশ টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।
কুলাউড়া পৌর শহরে দুই দিনের ব্যবধানে ৫টি দোকান চুরি সংঘটিত হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চোর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত ২ ও ৩ জুলাই রাতেই দোকানগুলোতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়। জানা যায়, স্টেশন রোডে ৩টি দোকান ও হাসপাতাল রোডে ২টি দোকানের তালা ভেঙ্গে চোরেরা একই কায়দায় চুরি করে। স্টেশন রোডের সিকন্দর স্টোরের প্রোপ্রাইটার সোলেমান আহমদ জানান, তার দোকানের পিছনের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়। আল বারাকা লাইব্রেরীর প্রোপাইটার শাহিন আহমদ জানান, দোকানের টিনের চালা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে প্রায় নগদ ১০ হাজার টাকা ও ১ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নিয়ে যায়। একই কায়দায় ছাব্বির ভেরাইটিজ স্টোর, এনএস ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও ডিমান্ড টেইলার্সে চুরি সংঘটিত হয়। কুলাউড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল ও সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমদ গিলমান জানান, বিষয়টি আমরা অবগতি হয়েছি। থানার অদূরে এমন দুঃসাহসিক চুরি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে বসে সকলের সহযোগিতায় চুরি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেব। এ বিষয়ে কুলাউড়া থানার ওসি মোঃ হাসানুজ্জামান জানান, বিষয়টি জেনেছি। তাদের নিযুক্ত পাহারাদার থাকা সত্বেও চুরি হওয়ার কারণে ইতিমধ্যে রাতের বেলায় পুলিশ টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। কুলাউড়া অফিস :

মন্তব্য করুন