ঘুম হত্যা নির্যাতন করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না-এবাদুর রহমান চৌধুরী

জুলাই ৬, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনের সেনা শাসনের মতো এখন দেশ সেভাবে চলেছে। কিন্তু এখন গণতন্ত্রের খোলসে আওয়ামীলীগ সরকার সৈরতান্ত্রিক ভাবে দেশ পরিচালনা করছে। বিরোধী রাজনীতি যাতে চলতে না পারে এর জন্য হত্যা, গুম, খুন অব্যাহত রেখেছে। সরকারি বাহিনী ব্যবহার করে বিএনপি ও বিরোধী শক্তিকে দমানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জনগন বিএনপির সাথে আছে। ঐক্যবদ্ধ ভাবে সরকারের সকল চক্রান্ত মোকাবেলা করে দেশকে আওয়ালীলীগের সৈরাচারী থাবা থেকে মুক্ত করবে’। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২২ হাজার মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। কয়েক লাখ নেতাকর্মী পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন ক্ষমতায় গেলে ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবেন, ঘরে ঘরে চাকরী দিবেন কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে প্রতিশ্রুতি রাখেননি। ছাত্রলীগের ক্যাগার বাহীনি বিশ্বজিতের মত সাধারন দর্জিকে রাজপথে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তাদের দুর্নিতির করনে আমেরিকা সরকার জিএসপি বাতিল করেছে। ইসলামের দাবি আদায়ের জন্য আল¬াহ ও আল¬াহর রসূলের বিরুদিতাকারীদের প্রতিবাদ করার জন্য হেফাজতে ইসলামের ডাকে জায়নামাজ ও তছবি হাতে নিয়ে লাখ লাখ মুছলি¬রা ঢাকায় সমাবেত হয়েছিলেন। রাতের আধারে সরকারি বাহীনি কামান, ট্যাংক বহর নিয়ে নারকিয় হামলা চালিয়ে শত শত মুসলি¬কে হত্যা করে। হত্যার ঘটনা আড়াল করতে রাতেই ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পানি মেরে রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলা হয়। ১৮ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে সকল অপকর্মের বিচার করা হবে। তিনি অবিলম্বে তত্ত্ববধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান। নতুবা আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে। গত ৫ জুলাই শুক্রবার বিকেলে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে জুড়ী বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক দিনকাল পত্রিকার জুড়ী প্রতিনিধি প্রয়াত নেতা নুরুল ইসলামের শোক সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মুহিত শিপলু ও ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জাান খান মোবারকের যৌথ পরিচালনায় শোকসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও ঢাকা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন মিঠু। বিশেষ অথিতির বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আছাদ উদ্দিন বটল, বিএনপির বড়লেখা উপজেলা সভাপতি আব্দুল হাফিজ, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেহানা আক্তার হাসনা, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য ফখরুল ইসলাম শামিম, সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান আছকর, উপজেলা কৃষকদল সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুল কাইয়ুম, উপজেলা বিএনপি নেতা ইউপি সদস্য ফারুক আহমদ, ফুলতলা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফেরদৌস আহমদ, আব্দুল গফুর সেলিম, উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহ্বায়ক হারিস মোহাম্মদ, উপজেলা তাতীদল সভাপতি দেওয়ান আইনুল হক মিনু, সাধারন সম্পাদক ওয়ারিস উদ্দিন কয়সর, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস জুড়ী উপজেলা আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম তুলা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল সভাপতি জমির উদ্দিন, উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি শফিক উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক মুস্তাকিম আহমদ, ফুলতলা ইউনিয়ন যুবদল আহ্বায়ক ইউপি সদস্য মাসুক আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, যুবদল নেতা সেবুল আহমদ, নোমান আহমদ, আব্দুর রব, মরহুম নুরুল ইসলামের বড় ভাই বদরুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিপার রেজা, তোফায়েল আহমেদ, শাহিন উদ্দিন রুহেল, মুন্না আহমেদ, ছাত্রদল নেতা আব্দুল আলিম, ওয়াসিম কবির, শরিফ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমূখ। শোক সভায় বক্তারা বলেন, প্রয়াত নুরুল ইসলাম বিএনপির একজন কর্মঠ ও যোগ্য নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে জুড়ী বিএনপির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সভায় নুরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনের সেনা শাসনের মতো এখন দেশ সেভাবে চলেছে। কিন্তু এখন গণতন্ত্রের খোলসে আওয়ামীলীগ সরকার সৈরতান্ত্রিক ভাবে দেশ পরিচালনা করছে। বিরোধী রাজনীতি যাতে চলতে না পারে এর জন্য হত্যা, গুম, খুন অব্যাহত রেখেছে। সরকারি বাহিনী ব্যবহার করে বিএনপি ও বিরোধী শক্তিকে দমানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জনগন বিএনপির সাথে আছে। ঐক্যবদ্ধ ভাবে সরকারের সকল চক্রান্ত মোকাবেলা করে দেশকে আওয়ালীলীগের সৈরাচারী থাবা থেকে মুক্ত করবে’। বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ২২ হাজার মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। কয়েক লাখ নেতাকর্মী পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন ক্ষমতায় গেলে ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবেন, ঘরে ঘরে চাকরী দিবেন কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে প্রতিশ্রুতি রাখেননি। ছাত্রলীগের ক্যাগার বাহীনি বিশ্বজিতের মত সাধারন দর্জিকে রাজপথে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তাদের দুর্নিতির করনে আমেরিকা সরকার জিএসপি বাতিল করেছে। ইসলামের দাবি আদায়ের জন্য আল¬াহ ও আল¬াহর রসূলের বিরুদিতাকারীদের প্রতিবাদ করার জন্য হেফাজতে ইসলামের ডাকে জায়নামাজ ও তছবি হাতে নিয়ে লাখ লাখ মুছলি¬রা ঢাকায় সমাবেত হয়েছিলেন। রাতের আধারে সরকারি বাহীনি কামান, ট্যাংক বহর নিয়ে নারকিয় হামলা চালিয়ে শত শত মুসলি¬কে হত্যা করে। হত্যার ঘটনা আড়াল করতে রাতেই ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পানি মেরে রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলা হয়। ১৮ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে সকল অপকর্মের বিচার করা হবে। তিনি অবিলম্বে তত্ত্ববধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান। নতুবা আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে। গত ৫ জুলাই শুক্রবার বিকেলে জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে জুড়ী বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক দিনকাল পত্রিকার জুড়ী প্রতিনিধি প্রয়াত নেতা নুরুল ইসলামের শোক সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মুহিত শিপলু ও ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জাান খান মোবারকের যৌথ পরিচালনায় শোকসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও ঢাকা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন মিঠু। বিশেষ অথিতির বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আছাদ উদ্দিন বটল, বিএনপির বড়লেখা উপজেলা সভাপতি আব্দুল হাফিজ, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেহানা আক্তার হাসনা, জুড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য ফখরুল ইসলাম শামিম, সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান আছকর, উপজেলা কৃষকদল সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুল কাইয়ুম, উপজেলা বিএনপি নেতা ইউপি সদস্য ফারুক আহমদ, ফুলতলা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফেরদৌস আহমদ, আব্দুল গফুর সেলিম, উপজেলা যুবদল যুগ্ম আহ্বায়ক হারিস মোহাম্মদ, উপজেলা তাতীদল সভাপতি দেওয়ান আইনুল হক মিনু, সাধারন সম্পাদক ওয়ারিস উদ্দিন কয়সর, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস জুড়ী উপজেলা আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম তুলা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল সভাপতি জমির উদ্দিন, উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি শফিক উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক মুস্তাকিম আহমদ, ফুলতলা ইউনিয়ন যুবদল আহ্বায়ক ইউপি সদস্য মাসুক আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, যুবদল নেতা সেবুল আহমদ, নোমান আহমদ, আব্দুর রব, মরহুম নুরুল ইসলামের বড় ভাই বদরুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিপার রেজা, তোফায়েল আহমেদ, শাহিন উদ্দিন রুহেল, মুন্না আহমেদ, ছাত্রদল নেতা আব্দুল আলিম, ওয়াসিম কবির, শরিফ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমূখ। শোক সভায় বক্তারা বলেন, প্রয়াত নুরুল ইসলাম বিএনপির একজন কর্মঠ ও যোগ্য নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে জুড়ী বিএনপির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সভায় নুরুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। কুলাউড়া অফিস॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন