শ্রীমঙ্গলের বাদে আলিশা গ্রামে ৬ মাস ধরে ৪টি পরিবার সমাজচ্যুত

আগস্ট ৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৫ বার পঠিত

সামান্য বিষয় নিয়ে গত ৬ মাস ধরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বাদে আলিশা গ্রামে ৪টি পরিবারকে সমাজচ্যাুত করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভূক্তভোগীরা। সমাজচ্যুত চার পরিবারের চারটি স্বাক্ষরের লিখিত অভিযোগে বলা হয় উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের বাদে আলিশারকুল গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ৪ পুত্রের পরিবারকে গ্রামের গুরুস্থান নিয়ে ঝগড়াঝাটির জের ধরে পাঁচের বাদ করে রাখা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল কাদির ও দৌলত মিয়াসহ গ্রামের মুরব্বীরা তাদের পারিবারিক গুরুস্থানে তাদের মা বাবার পাকা করা কবরসহ পাশের অংশিদারিত্ব আব্দুল হককে খুঁটি বসিয়ে দিয়ে দেয়। মুরব্বীদের এ রায় না মেনে এর প্রতিবাদ জানানোতে মুরব্বীরা সবাই এক হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারী ঘোষনা দেন এদের সাথে সমাজের কেউ যেন সর্ম্পক না রাখেন। এর পর থেকে তারা অনেকটা এক ঘরে হয়ে আছেন। তাদের বাঁচ্চাদের সাথে অন্য কোন বাঁচ্চা খেলাধুলা করে না। অন্য পরিবারের লোকেরা তাদের সাথে কথা বলেনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাধি দোয়া, মিলাত মাহফিলে ইমাম ও মুল্লা যাচ্ছেন না। এ বস্থায় তারা গত ৬ মাস ধরে অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনের পর প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিকদের একটি টীম সরজমিনে বাদে আলিশারকুল গ্রামে গেলে উল্লেখিত মুরব্বিরা বলেন, “তাদের পাঁচের বাদ করা হয়নি। তবে পঞ্চাতের রায় না মেনে কিংবা কোন প্রকার আপিল না করে এই পরিবারের মহিলারা গুরুস্থানে এসে সীমানা খুঁটি উপরে ফেলাতে পঞ্চাত থেকে ঘোষনা দেয়া হয়, যেহেতু তারা দশজন মানে না তাহলে তারা একাই থাক”। এসময় তারা আরো বলেন, এই গুরুস্থানটি পুরো গ্রামবাসীর। আব্দূল হক তার ৩৪ শতাংশ জমি গ্রামবাসীকে দিয়ে দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকরা মুরব্বিদের বিষয়টি সমোজতা করার অনুরোধ জানালে তারা জানান বিষয়টি এখন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যাম মুক্তিযোদ্ধা আছকির মিয়ার হাতে। তিনি যেভাবে সমাধান করবেন সেভাবেই হবে। এ ব্যাপারে আছকির মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পুরো গ্রামের মানুষ এই পরিবার গুলোর উপর ক্ষেপে আছে। রমজানের ঈদের পরে বিষয়টি তিনি দেখে দিবেন। তবে সমাজচ্যাুত পরিবার গুলো রমজানে তাদের পরিবারে মৃত ব্যাক্তিদের আত্মার শান্তিতে দোয়া পড়ানোর জন্য মূল্লা পাওয়ার দাবী জানান।
সামান্য বিষয় নিয়ে গত ৬ মাস ধরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বাদে আলিশা গ্রামে ৪টি পরিবারকে সমাজচ্যাুত করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভূক্তভোগীরা। সমাজচ্যুত চার পরিবারের চারটি স্বাক্ষরের লিখিত অভিযোগে বলা হয় উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের বাদে আলিশারকুল গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ৪ পুত্রের পরিবারকে গ্রামের গুরুস্থান নিয়ে ঝগড়াঝাটির জের ধরে পাঁচের বাদ করে রাখা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল কাদির ও দৌলত মিয়াসহ গ্রামের মুরব্বীরা তাদের পারিবারিক গুরুস্থানে তাদের মা বাবার পাকা করা কবরসহ পাশের অংশিদারিত্ব আব্দুল হককে খুঁটি বসিয়ে দিয়ে দেয়। মুরব্বীদের এ রায় না মেনে এর প্রতিবাদ জানানোতে মুরব্বীরা সবাই এক হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারী ঘোষনা দেন এদের সাথে সমাজের কেউ যেন সর্ম্পক না রাখেন। এর পর থেকে তারা অনেকটা এক ঘরে হয়ে আছেন। তাদের বাঁচ্চাদের সাথে অন্য কোন বাঁচ্চা খেলাধুলা করে না। অন্য পরিবারের লোকেরা তাদের সাথে কথা বলেনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাধি দোয়া, মিলাত মাহফিলে ইমাম ও মুল্লা যাচ্ছেন না। এ বস্থায় তারা গত ৬ মাস ধরে অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনের পর প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিকদের একটি টীম সরজমিনে বাদে আলিশারকুল গ্রামে গেলে উল্লেখিত মুরব্বিরা বলেন, “তাদের পাঁচের বাদ করা হয়নি। তবে পঞ্চাতের রায় না মেনে কিংবা কোন প্রকার আপিল না করে এই পরিবারের মহিলারা গুরুস্থানে এসে সীমানা খুঁটি উপরে ফেলাতে পঞ্চাত থেকে ঘোষনা দেয়া হয়, যেহেতু তারা দশজন মানে না তাহলে তারা একাই থাক”। এসময় তারা আরো বলেন, এই গুরুস্থানটি পুরো গ্রামবাসীর। আব্দূল হক তার ৩৪ শতাংশ জমি গ্রামবাসীকে দিয়ে দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকরা মুরব্বিদের বিষয়টি সমোজতা করার অনুরোধ জানালে তারা জানান বিষয়টি এখন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যাম মুক্তিযোদ্ধা আছকির মিয়ার হাতে। তিনি যেভাবে সমাধান করবেন সেভাবেই হবে। এ ব্যাপারে আছকির মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, পুরো গ্রামের মানুষ এই পরিবার গুলোর উপর ক্ষেপে আছে। রমজানের ঈদের পরে বিষয়টি তিনি দেখে দিবেন। তবে সমাজচ্যাুত পরিবার গুলো রমজানে তাদের পরিবারে মৃত ব্যাক্তিদের আত্মার শান্তিতে দোয়া পড়ানোর জন্য মূল্লা পাওয়ার দাবী জানান। বিকুল চক্রবর্তী॥

মন্তব্য করুন