ফিনলে টি কোম্পানীর লেভেল যুক্ত ৭শত কেজি চা-পাতা সহ ১ জন আটক

জুলাই ৮, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ১৩ বার পঠিত

মৌলভীবাজারে চোরাই পথে ফিনলে টি কোম্পানীর লেভেল যুক্ত ৭শত কেজি চা-পাতা একটি মিনি ট্রাক সহ একজনকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। সোমবার রাত ১০টায় মৌলভীবাজার শহরের সিলেট সড়কের জননী কুরিয়ার এন্ড পাশ্বের্ল সাভির্স থেকে ফিনলে টি কোম্পানীর লেভেল যুক্ত বস্তায় ৭শত কেজি চা-পাতা ঢাকায় প্রেরন করার সময় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করে। এ সময় মিনিট্রাক ঢাকা মেট্রো-ন-১১-০০১৮ ও কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর বাজার এলাকার অসিত দাস (৪০) কে আটক করে পুলিশ। পুলিশের ধারনা আটক চা-পাতার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। তবে বস্তার গায়ে ফিনলে, রাজঘাট-২০১২ লিখা রয়েছে। উপস্থিত অনেকেই বলেন, স্থানীয় বাগান কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এভাবে চা-পাতা চোরাই পথে শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন পার্সেল কুরিয়ারের মাধ্যমে পাচার করেন। আটক অসিত দাস জানান, তারা বায়ারের মাধ্যমে ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে চা-পাতা কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকেন। তাদের চা-ব্যবসার লাইসেন্স রয়েছে। ফিনলে কোম্পানীর এক কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করার শর্তে লেভেল যুক্ত বস্তার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের বাগানের উৎপাদিত চা সরাসরি চট্রগ্রামের নিলাম কেন্দ্রে চলে যায়। স্থানীয় ভাবে এই চা বিক্রি হয়না। যারা এটা করছে তার বৈধতা নেই। ঘটনার সত্যতার কথা স্বীকার করে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান বলেন চা-পাতা সহ একজকে আটক করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারে চোরাই পথে ফিনলে টি কোম্পানীর লেভেল যুক্ত ৭শত কেজি চা-পাতা একটি মিনি ট্রাক সহ একজনকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। সোমবার রাত ১০টায় মৌলভীবাজার শহরের সিলেট সড়কের জননী কুরিয়ার এন্ড পাশ্বের্ল সাভির্স থেকে ফিনলে টি কোম্পানীর লেভেল যুক্ত বস্তায় ৭শত কেজি চা-পাতা ঢাকায় প্রেরন করার সময় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করে। এ সময় মিনিট্রাক ঢাকা মেট্রো-ন-১১-০০১৮ ও কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগর বাজার এলাকার অসিত দাস (৪০) কে আটক করে পুলিশ। পুলিশের ধারনা আটক চা-পাতার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। তবে বস্তার গায়ে ফিনলে, রাজঘাট-২০১২ লিখা রয়েছে। উপস্থিত অনেকেই বলেন, স্থানীয় বাগান কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এভাবে চা-পাতা চোরাই পথে শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন পার্সেল কুরিয়ারের মাধ্যমে পাচার করেন। আটক অসিত দাস জানান, তারা বায়ারের মাধ্যমে ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে চা-পাতা কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকেন। তাদের চা-ব্যবসার লাইসেন্স রয়েছে। ফিনলে কোম্পানীর এক কর্মকর্তা নামপ্রকাশ না করার শর্তে লেভেল যুক্ত বস্তার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের বাগানের উৎপাদিত চা সরাসরি চট্রগ্রামের নিলাম কেন্দ্রে চলে যায়। স্থানীয় ভাবে এই চা বিক্রি হয়না। যারা এটা করছে তার বৈধতা নেই। ঘটনার সত্যতার কথা স্বীকার করে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান বলেন চা-পাতা সহ একজকে আটক করা হয়েছে। ষ্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন