মৌলভীবাজার-১ আসনে নতুন হিসেব নিকেশ : মাঠে নেই সংস্কারপন্থী-বিলবোর্ডে দারাদের সেঞ্চুরী

আগস্ট ৭, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ২ বার পঠিত

১/১১ প্রেক্ষাপটে তৎকালিন সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী দারাদ আহমদকে নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তোলপাড়। সংস্কারের আগুনে মাঠে নেই সংস্কারপন্থীরা। তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে বড়লেখা আসনে দারাদ আহমদ প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনায় চলছে নানা হিসেব নিকেশ। আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নের আশায় রেকর্ড সংখ্যক বিলবোর্ড লাগিয়েছেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাসাসের যুগ্ম সম্পাদক দারাদ আহমেদের অনুসারীরা। মৌলভীবাজার ১ আসনের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং দারাদ আহমেদের ছবি সংবলিত ২০/২৫ হাতের ১২০টি বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে বড়লেখা আসনে তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি চাউড় হয়ে যাওয়ায় এনিয়ে চলছে নানা হিসেব নিকেশ। তবে মাঠে নেই সংস্কারপন্থী শীর্ষ নেতারা। একটি সুত্র জানিয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচনে বড়লেখা আসনে দারাদকে প্রার্থী হিসেবে বিএনপির হাইকমান্ড টিকেট দিতে চান। এই সুত্রটি দাবী করেছে, যেহেতু মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির রাজনীতি এখন দ্বিধা বিভক্তির বৃত্তে বন্দি সেহেতু দারাদকে দিয়ে নতুন একটি প্ল¬াটফর্ম তৈরী করা গেলে আগামীতে প্রবীনদের বিয়োগান্তে দলের কোন ক্ষতি হবেনা। অন্যথায় শূন্যতা ভর করবে জেলা বিএনপির রাজনীতিতে। তাই আসন্ন জাতীয নির্বাচনে মৌলভী বাজার-১ আসনে দারাদ আহমেদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভববনা অনেক বেশী থাকায় রেকর্ড সংখ্যক বিলবোর্ড লাগিয়ে প্রচারনা জোরদার করেছে দারাদ অনুসারীরা। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, আমাদের চেয়ারপার্সন কারান্তরীন হওয়ার পর সংস্কারপন্থীদের দাপটে আমাদের মূল ধারার নেতাকর্মীরা অসহায় পরিস্থিতিতে ছিলেন। তখন নেত্রীর মুক্তির দাবীতে দেশে-বিদেশে দলকে শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করেন দারাদ। এরপর সংস্কারপন্থীরা নানাভাবে হয়রানী করতে থাকে দারাদ আহমদ ও তার অনুসারীদের। প্রার্থীতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দারাদ আহমেদ বলেন, দলের জন্য কাজ করছি। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তা ভালর জন্যই নেবে। তবে নির্বাচনের বিষয়টি মাধায় রেখেই হয়তো অনুসারী সমর্থক ও জনগন এসব বিলবোর্ড লাগিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১/১১ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া কারান্তরীন হবার পর নেদারল্যান্ডের দি হেগ সিটিতে আর্ন্তজাতিক আদালতে নেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের সচেতন বাংলাভাষাভাষীদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন দারাদ আহমদ। চলে আসেন আলোচনায়। তৎকালিন সময়ে সংস্কারপন্থী শীর্ষ নেতাদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করে সিলেট বিভাগের বিএনপিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেন তিনি। সংস্কারপন্থীদের দাপটে যখন বিএনপি’র দুরবস্থা ঠিক সেই সময়ে মহাসচিবের নির্দেশে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে দারাদ আহমদ নেতাকর্মীদের মনোবল দৃঢ় করার পাশাপাশি দলের কমিটি গঠন করেন। আর এ কারনে দলের নীতি নির্ধারকদের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার গুডবুকে চলে আসেন দারাদ।
১/১১ প্রেক্ষাপটে তৎকালিন সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণতন্ত্র হত্যা মামলার বাদী দারাদ আহমদকে নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তোলপাড়। সংস্কারের আগুনে মাঠে নেই সংস্কারপন্থীরা। তাই আগামী সংসদ নির্বাচনে বড়লেখা আসনে দারাদ আহমদ প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনায় চলছে নানা হিসেব নিকেশ। আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নের আশায় রেকর্ড সংখ্যক বিলবোর্ড লাগিয়েছেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাসাসের যুগ্ম সম্পাদক দারাদ আহমেদের অনুসারীরা। মৌলভীবাজার ১ আসনের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং দারাদ আহমেদের ছবি সংবলিত ২০/২৫ হাতের ১২০টি বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে বড়লেখা আসনে তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি চাউড় হয়ে যাওয়ায় এনিয়ে চলছে নানা হিসেব নিকেশ। তবে মাঠে নেই সংস্কারপন্থী শীর্ষ নেতারা। একটি সুত্র জানিয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচনে বড়লেখা আসনে দারাদকে প্রার্থী হিসেবে বিএনপির হাইকমান্ড টিকেট দিতে চান। এই সুত্রটি দাবী করেছে, যেহেতু মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির রাজনীতি এখন দ্বিধা বিভক্তির বৃত্তে বন্দি সেহেতু দারাদকে দিয়ে নতুন একটি প্ল¬াটফর্ম তৈরী করা গেলে আগামীতে প্রবীনদের বিয়োগান্তে দলের কোন ক্ষতি হবেনা। অন্যথায় শূন্যতা ভর করবে জেলা বিএনপির রাজনীতিতে। তাই আসন্ন জাতীয নির্বাচনে মৌলভী বাজার-১ আসনে দারাদ আহমেদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভববনা অনেক বেশী থাকায় রেকর্ড সংখ্যক বিলবোর্ড লাগিয়ে প্রচারনা জোরদার করেছে দারাদ অনুসারীরা। মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, আমাদের চেয়ারপার্সন কারান্তরীন হওয়ার পর সংস্কারপন্থীদের দাপটে আমাদের মূল ধারার নেতাকর্মীরা অসহায় পরিস্থিতিতে ছিলেন। তখন নেত্রীর মুক্তির দাবীতে দেশে-বিদেশে দলকে শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করেন দারাদ। এরপর সংস্কারপন্থীরা নানাভাবে হয়রানী করতে থাকে দারাদ আহমদ ও তার অনুসারীদের। প্রার্থীতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দারাদ আহমেদ বলেন, দলের জন্য কাজ করছি। দল যে সিদ্ধান্ত নেবে তা ভালর জন্যই নেবে। তবে নির্বাচনের বিষয়টি মাধায় রেখেই হয়তো অনুসারী সমর্থক ও জনগন এসব বিলবোর্ড লাগিয়েছে। প্রসঙ্গত, ১/১১ প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়া কারান্তরীন হবার পর নেদারল্যান্ডের দি হেগ সিটিতে আর্ন্তজাতিক আদালতে নেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের সচেতন বাংলাভাষাভাষীদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন দারাদ আহমদ। চলে আসেন আলোচনায়। তৎকালিন সময়ে সংস্কারপন্থী শীর্ষ নেতাদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করে সিলেট বিভাগের বিএনপিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেন তিনি। সংস্কারপন্থীদের দাপটে যখন বিএনপি’র দুরবস্থা ঠিক সেই সময়ে মহাসচিবের নির্দেশে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে দারাদ আহমদ নেতাকর্মীদের মনোবল দৃঢ় করার পাশাপাশি দলের কমিটি গঠন করেন। আর এ কারনে দলের নীতি নির্ধারকদের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার গুডবুকে চলে আসেন দারাদ। এম. মছব্বির আলী॥

মন্তব্য করুন