কোদালী ছড়া প্রকল্প নিয়ে অনিয়ম

জুলাই ২, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৬ বার পঠিত

মৌলভীবাজার শহর দিয়ে প্রবাহিত কোদালী ছড়ার নাব্যতা এবং জলাবদ্ধতার তেমন হেরফের ধরেনি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও। আবার পুরনো অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে ছড়ার গতি প্রকৃতি। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা জমে উঠেছে আগের মতোই। শহরের ফাঁটা বিল থেকে হাইল হাওর পর্যন্ত কোদালী ছড়ার দৈর্ঘ্য ৮ কিলো মিটারের অধিক। শহরের বর্জ্য ও পলি ভরাটের কারণে কোদালী নাব্যতা হ্রাস ও পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা সংকীর্ণ হয়ে উঠেছে গত এক দশক যাবৎ। এমতাবস্থায় কোদালী ছড়াকে গতিশীল করার জন্য ৬৯ লক্ষ টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। জাইকার অর্থায়নে গৃহীত প্রকল্পের মধ্যে ছিলো খাল খনন এবং একটি ¯¬ুইস গেট নির্মাণ। এল. জি. ইডির তত্ত্ববধানে পরিচালিত এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় গত এপ্রিল মাসে। নদী তারবর্তী সুবিধা ভোগীদের ১৬টি গ্রুপকে দায়ীত্ব দেওয়া হয় নদী খননের জন্য। তদারকীতে ছিলেন স্থানীয় নেতৃবর্গ ও পৌরসভার কাউন্সিলরগণ। সংশ্লি¬ষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগ মুহুর্তে স্থানে স্থানে নদী খনন শুরু হয়। কোথাও কোথাও কোদাল দিয়ে আবার কোথাও বালতি দিয়ে ময়লা অপসরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয় তড়িঘড়িতে। যে সব এলাকায় জবর দখল স্থায়ী রূপ নিয়েছে, সেসব এলাকা থেকে প্রতিবন্ধকতাও আসে। ফলে কাজ হয়েছে নামকাওয়াস্তে। সরজমিন দেখা গেছে, ময়লা এবং কাদা অপসারণ করে স্থূপাকারে রাখা হয়েছে নদীর কিনারে। গত বৈশাখের অবিরাম ঢলে অপসারণকৃত ময়লা ও কাদা আবার পতিত হয়েছে নদীতে। ফলে অবস্থা ধরেছে যেই সেই। এমতাবস্থায় জাইকার এ প্রকল্পের অবশিষ্ট রয়েছে শুধু ¯¬ুইস গেট। এল.জি.ইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, স্লুুইসগেট নির্মাণের টেন্ডার গ্রহণ করা হয়েছে। কাজশুরু হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই।
মৌলভীবাজার শহর দিয়ে প্রবাহিত কোদালী ছড়ার নাব্যতা এবং জলাবদ্ধতার তেমন হেরফের ধরেনি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও। আবার পুরনো অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে ছড়ার গতি প্রকৃতি। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা জমে উঠেছে আগের মতোই। শহরের ফাঁটা বিল থেকে হাইল হাওর পর্যন্ত কোদালী ছড়ার দৈর্ঘ্য ৮ কিলো মিটারের অধিক। শহরের বর্জ্য ও পলি ভরাটের কারণে কোদালী নাব্যতা হ্রাস ও পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা সংকীর্ণ হয়ে উঠেছে গত এক দশক যাবৎ। এমতাবস্থায় কোদালী ছড়াকে গতিশীল করার জন্য ৬৯ লক্ষ টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। জাইকার অর্থায়নে গৃহীত প্রকল্পের মধ্যে ছিলো খাল খনন এবং একটি ¯¬ুইস গেট নির্মাণ। এল. জি. ইডির তত্ত্ববধানে পরিচালিত এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় গত এপ্রিল মাসে। নদী তারবর্তী সুবিধা ভোগীদের ১৬টি গ্রুপকে দায়ীত্ব দেওয়া হয় নদী খননের জন্য। তদারকীতে ছিলেন স্থানীয় নেতৃবর্গ ও পৌরসভার কাউন্সিলরগণ। সংশ্লি¬ষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগ মুহুর্তে স্থানে স্থানে নদী খনন শুরু হয়। কোথাও কোথাও কোদাল দিয়ে আবার কোথাও বালতি দিয়ে ময়লা অপসরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয় তড়িঘড়িতে। যে সব এলাকায় জবর দখল স্থায়ী রূপ নিয়েছে, সেসব এলাকা থেকে প্রতিবন্ধকতাও আসে। ফলে কাজ হয়েছে নামকাওয়াস্তে। সরজমিন দেখা গেছে, ময়লা এবং কাদা অপসারণ করে স্থূপাকারে রাখা হয়েছে নদীর কিনারে। গত বৈশাখের অবিরাম ঢলে অপসারণকৃত ময়লা ও কাদা আবার পতিত হয়েছে নদীতে। ফলে অবস্থা ধরেছে যেই সেই। এমতাবস্থায় জাইকার এ প্রকল্পের অবশিষ্ট রয়েছে শুধু ¯¬ুইস গেট। এল.জি.ইডির নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, স্লুুইসগেট নির্মাণের টেন্ডার গ্রহণ করা হয়েছে। কাজশুরু হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই। স্টাফ রিপোর্টার॥

মন্তব্য করুন