শ্রীমঙ্গলে ভাউচার গাড়ি থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার তৈল চোরাই পথে বিক্রি

জুলাই ২, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৭ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মেঘনা, যুমনা ও পদ্মা পেট্রোলিয়াম ডিপোর তৈল বহনগাড়ী চালক ট্যাং লরী থেকে অবৈধ ভাবে প্রতিদিন কয়েকশ লিটার তৈল চোরাই পথে বিক্রির হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমান জাতীয় রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি সর্বমহলে জানাজানি হলেও এ যেন দেখার কেউ নেই?। শ্রীমঙ্গলে মেঘনা, যুমনা,পদ্মা সূত্রে জানা যায়, সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় পেট্রোলিয়াম তৈল রিফাইন সেন্টার স্থাপন করা হয়। সেখান থেকে ব্যাক্তি মালিকাধীন ডিপো কর্তৃক ট্র্যাংলরী গাড়ি দিয়ে তৈল বহন করে ৩টি ডিপোতে বিভিন্ন জাতের তৈল রির্জাভ রেখে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকার তৈল বিক্রি করা হয়ে থাকে। এসব ডিপোর তৈলবহন কারী ট্যাংলরি গাড়ি রশিদপুর থেকে রিফাইনকৃত বিভিন্ন জাতের তৈল ডিপোতে আনার সময় প্রতিনিয়ত অসাধু ড্রাইভাররা কয়েকশ লিটার তৈল ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বিলাসের পাড় নামক স্থানের বটেরতল, সাতগাঁও স্টেশন তেমুহনা, লছনা নামক এলাকার বিভিন্ন খোলা দোকানে অবৈধ্যভাবে বিক্রি করে দেয়। এতে প্রতিদিন সরকারের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। মতিগঞ্জ বাজারের সচেত মহল জানান, প্রতিদিন ভাউচার গাড়ীর চালকরা টিন দিয়ে মেপে তৈল বিক্রি করে। গত এক মাস আগে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে তৈল বিক্রি করার সময় একটি মাছবোঝাই ট্রাক দূর্ঘটনায় কবলে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন । শ্রীমঙ্গল মেঘনা ডিপোর ট্যাংলরি চালকরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, আমরা তৈল বিক্রি করি আমাদের পকেট খরচ এর জন্য। কয় টাকা বেতন পাই। তবে রশিদপুর প্লান্ট থেকে যেমন করোসিন, ডিজেল তৈল নিয়ে আসার সময় গরমে তৈল বাড়তে থাকে, সেই অবশিষ্ট তৈল অনুমান করে আমরা বিক্রি করি। তিনি আরো জানান, ডিপোতে নেওয়ার পর তৈল সট হয়; তখন আমরা পকেট থেকে টাকা দিয়ে দিই। চোরাই তৈল ক্রেতা জানান, শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে আমরা ব্যবসা করে আসছি। শ্রীমঙ্গল যুমনার ডিপো সুপারেন্ট মীর মো.ফখরুল হাসান বলেন, শুনেছি পথে ট্যাংলরী চালকরা অনেক সময় তৈল বিক্রি করে।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মেঘনা, যুমনা ও পদ্মা পেট্রোলিয়াম ডিপোর তৈল বহনগাড়ী চালক ট্যাং লরী থেকে অবৈধ ভাবে প্রতিদিন কয়েকশ লিটার তৈল চোরাই পথে বিক্রির হচ্ছে। এতে সরকার বিপুল পরিমান জাতীয় রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি সর্বমহলে জানাজানি হলেও এ যেন দেখার কেউ নেই?। শ্রীমঙ্গলে মেঘনা, যুমনা,পদ্মা সূত্রে জানা যায়, সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় পেট্রোলিয়াম তৈল রিফাইন সেন্টার স্থাপন করা হয়। সেখান থেকে ব্যাক্তি মালিকাধীন ডিপো কর্তৃক ট্র্যাংলরী গাড়ি দিয়ে তৈল বহন করে ৩টি ডিপোতে বিভিন্ন জাতের তৈল রির্জাভ রেখে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকার তৈল বিক্রি করা হয়ে থাকে। এসব ডিপোর তৈলবহন কারী ট্যাংলরি গাড়ি রশিদপুর থেকে রিফাইনকৃত বিভিন্ন জাতের তৈল ডিপোতে আনার সময় প্রতিনিয়ত অসাধু ড্রাইভাররা কয়েকশ লিটার তৈল ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বিলাসের পাড় নামক স্থানের বটেরতল, সাতগাঁও স্টেশন তেমুহনা, লছনা নামক এলাকার বিভিন্ন খোলা দোকানে অবৈধ্যভাবে বিক্রি করে দেয়। এতে প্রতিদিন সরকারের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। মতিগঞ্জ বাজারের সচেত মহল জানান, প্রতিদিন ভাউচার গাড়ীর চালকরা টিন দিয়ে মেপে তৈল বিক্রি করে। গত এক মাস আগে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে তৈল বিক্রি করার সময় একটি মাছবোঝাই ট্রাক দূর্ঘটনায় কবলে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন । শ্রীমঙ্গল মেঘনা ডিপোর ট্যাংলরি চালকরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, আমরা তৈল বিক্রি করি আমাদের পকেট খরচ এর জন্য। কয় টাকা বেতন পাই। তবে রশিদপুর প্লান্ট থেকে যেমন করোসিন, ডিজেল তৈল নিয়ে আসার সময় গরমে তৈল বাড়তে থাকে, সেই অবশিষ্ট তৈল অনুমান করে আমরা বিক্রি করি। তিনি আরো জানান, ডিপোতে নেওয়ার পর তৈল সট হয়; তখন আমরা পকেট থেকে টাকা দিয়ে দিই। চোরাই তৈল ক্রেতা জানান, শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে আমরা ব্যবসা করে আসছি। শ্রীমঙ্গল যুমনার ডিপো সুপারেন্ট মীর মো.ফখরুল হাসান বলেন, শুনেছি পথে ট্যাংলরী চালকরা অনেক সময় তৈল বিক্রি করে। ষ্টাফ রিপোর্টার॥

মন্তব্য করুন