ধলাই নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন॥ কমলগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ পুরাতন সেতু দিয়ে চলাচল বন্ধ

জুলাই ২, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৬ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার অদূরে ধলাই নদীর পুরাতন লোহার সেতুর সন্নিকটে দীর্ঘদিন যাবত অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলিত হওয়ায় হেলে যাওয়া সেতুটির উপর দিয়ে হঠাৎ করে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সোমবার থেকে এ সেতুটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে দুই দিকে পাকা খুঁটি স্থাপন করে চলাচল বন্ধ করেছে। সরেজমিন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, ধলাই পুরাতন সেতু এলাকার বালু মহালদারের লোকজন দীর্ঘদিন যাবত অপরিকল্পিতভাবে সেতুর খুঁটির খুব কাছ থেকে নিয়মিতভাবে বালু উত্তোলন করেন। ফলে বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির ¯্রােতে সেতুর পূর্ব প্রান্থ থেকে মাটির ধস নেমে পড়ে নদী গর্বে। ফলে লোহার এই সেতুটি হেলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এই সেুত দিয়ে সাইকেল, রিক্সাসহ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা নিয়মিত যাতায়াত করতো। হঠাৎ করে দুই দিক বন্ধ করে দেয়া হয়। এলাকাবাসী জানান, ধলাই বালু ঘাটের মহালদার জুবায়ের আহমদ সুয়েবের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে ধলাই পুরাতন সেতু এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে সেতুর খুঁটির খুব কাছ থেকে নিয়মিতভাবে বালু উত্তোলন করেছিলেন। গত বৃহষ্পতিবার থেকে ধলাই বালু ঘাটের মহালদার মৌলভীবাজারের ঠিকাদার আখতারুজামান এর লোকজন বালু উত্তোলন শুরু করেন। মহালদারের লোকজন তাদের উপর আরোপিত অভিযোগটি সঠিক নয় দাবি করে বলেন, বিধি মেনেই পরিকল্পিতভাবে ধলাই লোহার সেতুৃর বেশ দূর থেকে বালু উত্তোলন করা হয়। কমলগঞ্জ থানা ও রাজকান্দি বনরেঞ্জ কার্যালয়ের সন্নিকটে অবস্থিত ধলাই পুরাতন লোহার সেতুটি যেকোন সময়ে ভেঙ্গে পড়তে পারে এ আশঙ্কায় সোমবার সকাল থেকে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এটিকে আপাতত পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। কমলগঞ্জ পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে সেতুর দুই দিকে পাকা খুঁটি দিয়ে সেতুর উপর চলাচলের প্রতিবন্ধকতা করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, পানির ¯্রােতে ধলাই লোহার সেতুর পূর্ব প্রান্থ থেকে বেশ মাটি সরে যাওয়ায় সেতুটি হেলে গেছে। সেতুটি কাঁপতে থাকায় এখন চলাচলের উপযুক্ত নয় মনে করেই লোকজন ও সকল প্রকার যান বাহন চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানার অদূরে ধলাই নদীর পুরাতন লোহার সেতুর সন্নিকটে দীর্ঘদিন যাবত অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলিত হওয়ায় হেলে যাওয়া সেতুটির উপর দিয়ে হঠাৎ করে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সোমবার থেকে এ সেতুটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে দুই দিকে পাকা খুঁটি স্থাপন করে চলাচল বন্ধ করেছে। সরেজমিন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, ধলাই পুরাতন সেতু এলাকার বালু মহালদারের লোকজন দীর্ঘদিন যাবত অপরিকল্পিতভাবে সেতুর খুঁটির খুব কাছ থেকে নিয়মিতভাবে বালু উত্তোলন করেন। ফলে বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানির ¯্রােতে সেতুর পূর্ব প্রান্থ থেকে মাটির ধস নেমে পড়ে নদী গর্বে। ফলে লোহার এই সেতুটি হেলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এই সেুত দিয়ে সাইকেল, রিক্সাসহ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা নিয়মিত যাতায়াত করতো। হঠাৎ করে দুই দিক বন্ধ করে দেয়া হয়। এলাকাবাসী জানান, ধলাই বালু ঘাটের মহালদার জুবায়ের আহমদ সুয়েবের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে ধলাই পুরাতন সেতু এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে সেতুর খুঁটির খুব কাছ থেকে নিয়মিতভাবে বালু উত্তোলন করেছিলেন। গত বৃহষ্পতিবার থেকে ধলাই বালু ঘাটের মহালদার মৌলভীবাজারের ঠিকাদার আখতারুজামান এর লোকজন বালু উত্তোলন শুরু করেন। মহালদারের লোকজন তাদের উপর আরোপিত অভিযোগটি সঠিক নয় দাবি করে বলেন, বিধি মেনেই পরিকল্পিতভাবে ধলাই লোহার সেতুৃর বেশ দূর থেকে বালু উত্তোলন করা হয়। কমলগঞ্জ থানা ও রাজকান্দি বনরেঞ্জ কার্যালয়ের সন্নিকটে অবস্থিত ধলাই পুরাতন লোহার সেতুটি যেকোন সময়ে ভেঙ্গে পড়তে পারে এ আশঙ্কায় সোমবার সকাল থেকে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এটিকে আপাতত পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। কমলগঞ্জ পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে সেতুর দুই দিকে পাকা খুঁটি দিয়ে সেতুর উপর চলাচলের প্রতিবন্ধকতা করা হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, পানির ¯্রােতে ধলাই লোহার সেতুর পূর্ব প্রান্থ থেকে বেশ মাটি সরে যাওয়ায় সেতুটি হেলে গেছে। সেতুটি কাঁপতে থাকায় এখন চলাচলের উপযুক্ত নয় মনে করেই লোকজন ও সকল প্রকার যান বাহন চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন