মৌলভীবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে টানাপড়েন

জুলাই ৫, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ২ বার পঠিত

টার্গেট অতিরিক্ত সিস্টেম লস খাতে সরকারের তেত্রিশ লক্ষাধিক টাকার রাজস্ব ঘাটতি পূরণ নিয়ে মৌলভীবাজারস্থ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে শুরু হয়েছে টানাপড়েন। এ ঘাটতি পূরণের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ব্যক্তিগতভাবে টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে কেউ কেউ অক্ষমতাও প্রকাশ করেছেন লিখিত ভাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে মৌলভীবাজার পিডিবিতে অডিট সম্পন্ন হলে টার্গেট বহির্ভূত রাজস্ব ঘাটতি ধরা পড়েছে ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৯১০ টাকা। অডিট বিভাগ এ ঘাটতির আপত্তি জানালে শুরু হয় তোলপাড়। জাতীয় সংসদের পি-এ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ঘাটতির দায়ভার চাপানো হয়েছে সংশ্লি¬ষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপর। তাদের কারচুপিতেই এ ঘাটতি হয়েছে বলে প্রতীয়মান। এ আলোকে নির্বাহী প্রকৌশলী রাজস্ব ঘাটতি পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অর্থদ- আরোপ করেছেন। লাইনম্যান একেএম নুরুল ইসলামের উপর ৮১ হাজার ৪১৭ টাকার দায় ভার বর্তানো হয়েছে। তিনি জানান, অন্যদের প্রতিও এ ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সবাই বলেছেন, এ টাকা পরিশোধ করবো কিভাবে? এ নিয়ে সংশ্লি¬ষ্ট মহলে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয় অডিট আপত্তিজনিত ঘাটতি পূরণ করতে হবে যেকোন উপায়ে। অপর একটি সূত্র মতে, রাজস্ব ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে লাইনম্যানদেরকে দায়ী করার পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ শনাক্ত করে লাইন গ্রহীতাদের বিরুদ্ধে সংশ্লি¬ষ্ট আদালতে মামলা করে অর্থদ- আদায়ের পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে।
টার্গেট অতিরিক্ত সিস্টেম লস খাতে সরকারের তেত্রিশ লক্ষাধিক টাকার রাজস্ব ঘাটতি পূরণ নিয়ে মৌলভীবাজারস্থ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে শুরু হয়েছে টানাপড়েন। এ ঘাটতি পূরণের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ব্যক্তিগতভাবে টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে কেউ কেউ অক্ষমতাও প্রকাশ করেছেন লিখিত ভাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে মৌলভীবাজার পিডিবিতে অডিট সম্পন্ন হলে টার্গেট বহির্ভূত রাজস্ব ঘাটতি ধরা পড়েছে ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৯১০ টাকা। অডিট বিভাগ এ ঘাটতির আপত্তি জানালে শুরু হয় তোলপাড়। জাতীয় সংসদের পি-এ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ঘাটতির দায়ভার চাপানো হয়েছে সংশ্লি¬ষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপর। তাদের কারচুপিতেই এ ঘাটতি হয়েছে বলে প্রতীয়মান। এ আলোকে নির্বাহী প্রকৌশলী রাজস্ব ঘাটতি পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অর্থদ- আরোপ করেছেন। লাইনম্যান একেএম নুরুল ইসলামের উপর ৮১ হাজার ৪১৭ টাকার দায় ভার বর্তানো হয়েছে। তিনি জানান, অন্যদের প্রতিও এ ধরনের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সবাই বলেছেন, এ টাকা পরিশোধ করবো কিভাবে? এ নিয়ে সংশ্লি¬ষ্ট মহলে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয় অডিট আপত্তিজনিত ঘাটতি পূরণ করতে হবে যেকোন উপায়ে। অপর একটি সূত্র মতে, রাজস্ব ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে লাইনম্যানদেরকে দায়ী করার পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ শনাক্ত করে লাইন গ্রহীতাদের বিরুদ্ধে সংশ্লি¬ষ্ট আদালতে মামলা করে অর্থদ- আদায়ের পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। স্টাফ রিপোর্টার :

মন্তব্য করুন