কুলাউড়ায় প্রাইমারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে চারিত্রিক স্খলনের অভিযোগ

জুলাই ৫, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৫ বার পঠিত

কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের আলীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে চরিত্র স্খলনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২ জুলাই মঙ্গলবার গভীর রাতে এক সালিশ বৈঠকে এলাকায় অভিযুক্ত শিক্ষকের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাবুল দত্ত নামে উক্ত শিক্ষক এলাকায় প্রাইভেট টিউশন করতেন। ঘটনার রাতে সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় উক্ত শিক্ষক সংশ্লিষ্ট ছাত্রীক উত্ত্যক্ত করা শুরু করেন। উক্ত ছাত্রীর অভিভাবক বিষয়টি আড়াল থেকে দেখে ফেলেন। উত্তেজিত অভিভাবক তাৎক্ষনিক উক্ত শিক্ষকের উপর চড়াও হলে বাড়ীর পুরুষ-মহিলা সদস্যরা তাকে নিবৃত করেন এবং শিক্ষককে আটক করেন। ঐদিন দিবাগত গভীর রাতে উক্ত শিক্ষক উপস্থিত নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের নিকট তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এলাকায় আর প্রাইভেট টিউশনি করবেন না বলে অঙ্গিকার করলে আটক শিক্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়। সালিশ বৈঠকে বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য আব্দুর রৌফ, আহমদুর রহমান নোমান, আব্দুল হাই, মখলিশ আলী, সুনীল সেন, প্রধান শিক্ষক শাহিন আহমদ, হাবিবুর রহমান, জমশেদ মিয়া ও হাজীপুর ইউনিয়ন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ। এলাকাবাসী সালিশ বৈঠকের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন নি। সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে এলাকাবাসী উক্ত শিক্ষকের বিভাগীয় শাস্তি দাবি করেছেন। একাধিকবার চেষ্টা করেও উক্ত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের আলীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে চরিত্র স্খলনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২ জুলাই মঙ্গলবার গভীর রাতে এক সালিশ বৈঠকে এলাকায় অভিযুক্ত শিক্ষকের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাবুল দত্ত নামে উক্ত শিক্ষক এলাকায় প্রাইভেট টিউশন করতেন। ঘটনার রাতে সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় উক্ত শিক্ষক সংশ্লিষ্ট ছাত্রীক উত্ত্যক্ত করা শুরু করেন। উক্ত ছাত্রীর অভিভাবক বিষয়টি আড়াল থেকে দেখে ফেলেন। উত্তেজিত অভিভাবক তাৎক্ষনিক উক্ত শিক্ষকের উপর চড়াও হলে বাড়ীর পুরুষ-মহিলা সদস্যরা তাকে নিবৃত করেন এবং শিক্ষককে আটক করেন। ঐদিন দিবাগত গভীর রাতে উক্ত শিক্ষক উপস্থিত নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের নিকট তার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এলাকায় আর প্রাইভেট টিউশনি করবেন না বলে অঙ্গিকার করলে আটক শিক্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়। সালিশ বৈঠকে বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য আব্দুর রৌফ, আহমদুর রহমান নোমান, আব্দুল হাই, মখলিশ আলী, সুনীল সেন, প্রধান শিক্ষক শাহিন আহমদ, হাবিবুর রহমান, জমশেদ মিয়া ও হাজীপুর ইউনিয়ন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ। এলাকাবাসী সালিশ বৈঠকের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন নি। সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে এলাকাবাসী উক্ত শিক্ষকের বিভাগীয় শাস্তি দাবি করেছেন। একাধিকবার চেষ্টা করেও উক্ত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি। কুলাউড়া অফিস :

মন্তব্য করুন