কুলাউড়ায় ভুল অপারেশনে গৃহবধূর মৃত্যু

জুলাই ৮, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নে উসমানপুর গ্রামের বশির উদ্দিন খছরুর স্ত্রী শাহেনা বেগমকে (৩১) প্রসব বেদনার কারণে গত ১৯ জুন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ২০ জুন সদর হাসপাতালে ডাক্তার ফারজানা হক কনা তাকে অস্ত্রোপাচার (সিজার) করেন এবং ডাক্তার ফারজানা হক কনা অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে শাহেনা বেগমের একটি কন্যা সন্তান প্রসব করান। প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শাহেনাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় শাহেনা বেগমকে ১০ দিনে ৮ ব্যাগ রক্ত প্রদান করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। গত ২ জুলাই মঙ্গলবার নবজাতককে রেখে মৃত্যুপুরীতে চলে যেতে হলো তাকে। শাহেনার স্বামী বশির উদ্দিন খছরু জানান, ভুল অপারেশন ও পেটের ভেতরে ভুলক্রমে সুতার বান্ডেল থাকায় অধিক রক্তক্ষরণ হয়েছে। যার কারণে শাহেনাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তিনি জানান, অধিক রক্তক্ষরণের কারণে শাহেনার মৃত্যু ঘটেছে। এদিকে ভুল অপারেশনের কারণে তিনি ডাক্তার ফারজানা হক কনাকে দায়ী করছেন।
কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নে উসমানপুর গ্রামের বশির উদ্দিন খছরুর স্ত্রী শাহেনা বেগমকে (৩১) প্রসব বেদনার কারণে গত ১৯ জুন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ২০ জুন সদর হাসপাতালে ডাক্তার ফারজানা হক কনা তাকে অস্ত্রোপাচার (সিজার) করেন এবং ডাক্তার ফারজানা হক কনা অস্ত্রোপাচারের মাধ্যমে শাহেনা বেগমের একটি কন্যা সন্তান প্রসব করান। প্রসবের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শাহেনাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় শাহেনা বেগমকে ১০ দিনে ৮ ব্যাগ রক্ত প্রদান করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। গত ২ জুলাই মঙ্গলবার নবজাতককে রেখে মৃত্যুপুরীতে চলে যেতে হলো তাকে। শাহেনার স্বামী বশির উদ্দিন খছরু জানান, ভুল অপারেশন ও পেটের ভেতরে ভুলক্রমে সুতার বান্ডেল থাকায় অধিক রক্তক্ষরণ হয়েছে। যার কারণে শাহেনাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তিনি জানান, অধিক রক্তক্ষরণের কারণে শাহেনার মৃত্যু ঘটেছে। এদিকে ভুল অপারেশনের কারণে তিনি ডাক্তার ফারজানা হক কনাকে দায়ী করছেন। কুলাউড়া অফিস॥

মন্তব্য করুন