কুলাউড়ায় ৪ সন্তানের জননীর বিষপানে আত্মহত্যা

জুলাই ৮, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

মান অভিমান গোপনে রেখে বিষপান করে আত্মহত্যা করলেন চার সন্তানের জননী ফাতেহা বেগম। কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর (বালিধারা) গ্রামের প্রবাসী ফয়সাল মিয়ার স্ত্রী ফাতেহা বেগম গত ৪ জুলাই বাড়ির লোকজনের অগোচরে বিষপান করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ফাতেহা বেগ (৩৫) বিষপান করে ঘরের বাইরে চলে যায়। বিষের যন্ত্রণায় টর্চ লাইট জ্বালিয়ে পুকুরে চলে যান এবং পুকুর থেকে উঠে একটি গাছের সাথে হেলান দিয়ে বসে পড়েন। এক পর্যায়ে বড় মেয়ে সায়দা বেগম (১৫) ঘরের বাইরে গিয়ে দেখেন লাইট জ্বলছে ও পুকুর পাড়ের গাছের সাথে তার মা ফাতেহা বেগম অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন। সায়দা বেগমের চিৎকারে বাড়ির লোকজন জড়ো হয়ে ফাতেহা বেগমকে তাৎক্ষনিক কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাথে সাথে তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাতেহা বেগমের মৃত্যু ঘটে। ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের চকেরগাঁও গ্রামের মদরিছ আলীর মেয়ে ফাতেহা বেগম বিষপানের কোন কারণ জানা যায়নি। ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি চেয়ে বাবা মদরিছ আলী সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের অনাপত্তি সাপেক্ষে অনুমতি প্রদান করে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন সিলেট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ। আবেদনের ফটোকপি কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে দাখিল করে গত ৩ জুলাই ভাটেরা তুলাপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ফাতেহা বেগমের চার সন্তান লেখাপড়া করছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ফাতেহার বাবা মদরিছ আলী বলেন আমার মেয়ের মৃত্যুর ব্যাপারে কারো উপর কোন অভিযোগ নেই। এমনকি উক্ত বিষয়ে কোন মামলা দায়ের করবেন না বলে জানান।
মান অভিমান গোপনে রেখে বিষপান করে আত্মহত্যা করলেন চার সন্তানের জননী ফাতেহা বেগম। কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর (বালিধারা) গ্রামের প্রবাসী ফয়সাল মিয়ার স্ত্রী ফাতেহা বেগম গত ৪ জুলাই বাড়ির লোকজনের অগোচরে বিষপান করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ফাতেহা বেগ (৩৫) বিষপান করে ঘরের বাইরে চলে যায়। বিষের যন্ত্রণায় টর্চ লাইট জ্বালিয়ে পুকুরে চলে যান এবং পুকুর থেকে উঠে একটি গাছের সাথে হেলান দিয়ে বসে পড়েন। এক পর্যায়ে বড় মেয়ে সায়দা বেগম (১৫) ঘরের বাইরে গিয়ে দেখেন লাইট জ্বলছে ও পুকুর পাড়ের গাছের সাথে তার মা ফাতেহা বেগম অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছেন। সায়দা বেগমের চিৎকারে বাড়ির লোকজন জড়ো হয়ে ফাতেহা বেগমকে তাৎক্ষনিক কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাথে সাথে তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাতেহা বেগমের মৃত্যু ঘটে। ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের চকেরগাঁও গ্রামের মদরিছ আলীর মেয়ে ফাতেহা বেগম বিষপানের কোন কারণ জানা যায়নি। ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি চেয়ে বাবা মদরিছ আলী সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের অনাপত্তি সাপেক্ষে অনুমতি প্রদান করে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন সিলেট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদ। আবেদনের ফটোকপি কুলাউড়া থানা পুলিশের কাছে দাখিল করে গত ৩ জুলাই ভাটেরা তুলাপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ফাতেহা বেগমের চার সন্তান লেখাপড়া করছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ফাতেহার বাবা মদরিছ আলী বলেন আমার মেয়ের মৃত্যুর ব্যাপারে কারো উপর কোন অভিযোগ নেই। এমনকি উক্ত বিষয়ে কোন মামলা দায়ের করবেন না বলে জানান। কুলাউড়া অফিস॥

মন্তব্য করুন