কমলগঞ্জে গাছ পাচার নিয়ে সংঘর্ষে বনকর্মীসহ ৮ জন আহত

জুলাই ১৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা বনবিটের সামাজিক বনায়নের গাছ পাচার নিয়ে সংঘর্ষে বনকর্মীসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। কুরমা বনবিটের ১৬ হেক্টর সামাজিক বনায়ন থেকে নির্বিচারে কেটে পাচার করা হচ্ছে চিকরাশীসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষাধি। অভিযোগ রয়েছে প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় স্থানীয় কাঠ পাচারকারী একটি চক্র কাঠ পাচার কাজে জড়িত। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৬ হেক্টরের পরকাশ ও ২৫ নম্বরের পাশে কয়েকটি চিকরাশী গাছ কাটে একদল গাছ চোর। দুর্ঘম পাহাড়ি এলাকায় গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে বনকর্মীরা সেখানে ধাওয়া করলে কাটা গাছের খন্ডাংশ (লগ) ফেলে পালিয়ে যায় গাছচোররা। পরে তারা ওই কাঠ জব্দ করেন। জব্দ করা ওই কাঠ শুক্রবার দুপুরে শ্রমিক দিয়ে বনকর্মীরা কুরমা বনবিটে নিয়ে আসার সময় সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়াসহ সামাজিক বনায়নের সদস্যরা তাতে বাঁধা দেন। এ নিয়ে বনকর্মী ও সামাজিক বনায়নের সদস্যদের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সামাজিক বনায়নের সদস্য সালাউদ্দিন, কামাল মিয়া, মোর্শেদ মিয়া ও বন বিভাগের বন প্রহরী রিয়াজুল ইসলাম, বাগান মালী মোবারক হোসেন, শ্রমিক হবিব আলী, জলাল মিয়া, বকসদ মিয়া আহত হন। পরে কুরমা বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহসহ অন্যান্য বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে জব্দকৃত কাঠ নিয়ে অফিসে ফিরেন। দুর্ঘম পাহাড়ি এলাকায় হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটায় আহতরা শুক্রবার রাতে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। সামাজিক বনায়নের সদস্যদের অভিযোগ বন বিভাগের সহযোগীতায় বাগানের বৃক্ষাধি সাবাড় করছে চোরাকারবারীরা। শুক্রবার দুপুরে কাঠ পাচারের সময় কাঠসহ হাতে নাতে লোকজন আটক করা হলে বন বিভাগ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের মারধর করে। অপর দিকে বন বিভাগের অভিযোগ সামাজিক বনায়নের সদস্যরা মিলে কাঠ পাচার করছে। পাচারের উদ্যেশ্যে কাটা গাছের জব্দকৃত খন্ডাংশ অফিসে নিয়ে আসার সময় সামাজিক বনায়নের সদস্যরা একত্রিত হয়ে বনকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে জব্দকৃত কাঠ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে শনিবার বিকেলে আলাপকালে কুরমা বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহ জানান, এ ব্যাপারে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৮জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় শনিবার বিকেলে বন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা বনবিটের সামাজিক বনায়নের গাছ পাচার নিয়ে সংঘর্ষে বনকর্মীসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। কুরমা বনবিটের ১৬ হেক্টর সামাজিক বনায়ন থেকে নির্বিচারে কেটে পাচার করা হচ্ছে চিকরাশীসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষাধি। অভিযোগ রয়েছে প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় স্থানীয় কাঠ পাচারকারী একটি চক্র কাঠ পাচার কাজে জড়িত। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১১ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৬ হেক্টরের পরকাশ ও ২৫ নম্বরের পাশে কয়েকটি চিকরাশী গাছ কাটে একদল গাছ চোর। দুর্ঘম পাহাড়ি এলাকায় গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে বনকর্মীরা সেখানে ধাওয়া করলে কাটা গাছের খন্ডাংশ (লগ) ফেলে পালিয়ে যায় গাছচোররা। পরে তারা ওই কাঠ জব্দ করেন। জব্দ করা ওই কাঠ শুক্রবার দুপুরে শ্রমিক দিয়ে বনকর্মীরা কুরমা বনবিটে নিয়ে আসার সময় সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা মিয়াসহ সামাজিক বনায়নের সদস্যরা তাতে বাঁধা দেন। এ নিয়ে বনকর্মী ও সামাজিক বনায়নের সদস্যদের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সামাজিক বনায়নের সদস্য সালাউদ্দিন, কামাল মিয়া, মোর্শেদ মিয়া ও বন বিভাগের বন প্রহরী রিয়াজুল ইসলাম, বাগান মালী মোবারক হোসেন, শ্রমিক হবিব আলী, জলাল মিয়া, বকসদ মিয়া আহত হন। পরে কুরমা বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহসহ অন্যান্য বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে জব্দকৃত কাঠ নিয়ে অফিসে ফিরেন। দুর্ঘম পাহাড়ি এলাকায় হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটায় আহতরা শুক্রবার রাতে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। সামাজিক বনায়নের সদস্যদের অভিযোগ বন বিভাগের সহযোগীতায় বাগানের বৃক্ষাধি সাবাড় করছে চোরাকারবারীরা। শুক্রবার দুপুরে কাঠ পাচারের সময় কাঠসহ হাতে নাতে লোকজন আটক করা হলে বন বিভাগ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের মারধর করে। অপর দিকে বন বিভাগের অভিযোগ সামাজিক বনায়নের সদস্যরা মিলে কাঠ পাচার করছে। পাচারের উদ্যেশ্যে কাটা গাছের জব্দকৃত খন্ডাংশ অফিসে নিয়ে আসার সময় সামাজিক বনায়নের সদস্যরা একত্রিত হয়ে বনকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে জব্দকৃত কাঠ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে শনিবার বিকেলে আলাপকালে কুরমা বনবিট কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার সিংহ জানান, এ ব্যাপারে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৮জনকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় শনিবার বিকেলে বন আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন