শ্রীমঙ্গলে পৃথক সংর্ঘষে আহত ১৮

জুলাই ১৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে পৃথক দুটি সংঘষের ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৫ জন। আহতদের শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার ও সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে মুকিত মিয়া ও জুনায়েদ মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংর্ঘষ হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১২ জন আহত হন। আহতদের প্রথমে মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে গুরুতর আহত ৫ জনকে প্রেরণ করা হয়েছে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে । ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এদিকে পুর্বের একটি ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দুপুরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করতে গিয়ে অপহরণকারীদের হামলায় ওই কলেজ ছাত্রী সহ তার আত্মীয় স্বজনরা আহত হন। কলেজ ছাত্রী পিতা মো. কনা মিয়া জানান, উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের শাসন গ্রামের প্রভাবশালি সত্তার মিয়ার পুত্র মোশাহিদ গংদের বিরুদ্ধে তার মেয়েকে ধর্ষণনের অভিযোগে মামলা করলে পুলিশ মোশাহিদকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এঘটনায় প্রতিশোধ নিতে আমি সহ আমার পক্ষের আত্মীয় স্বজন সহ অনেকের বিরুদ্ধে মোসাহিদের পরিবার মিথ্যা মামলা দায়ের করে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাড়ীর লোকজন জুম্মার নামাজে গেলে এ সুযোগে এলাইছ মিয়ার নেতৃত্বে মধু মিয়া. খোরসেদ, মামুন গং সহ পুকুরে গোসলে যাওয়া অবস্থায় মেয়েকে একা পেয়ে অপহরণ করতে গেলে তার চিৎকারে প্রতিবেশি সহ আত্মীয় স্বজনরা এগিয়ে আসলে তাদের উপর হামলা করা হয়। পরে এলাকাবাসি তাদেরকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন আহমদ আলী (৫৫), জুয়েল মিয়া (২০), আক্তার মিয়া(১৭), জাকির মিয়া (১৫) লাকি আক্তার (১৭)। শহীদ মিয়া (২৫)। এব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো আব্দল্লাহ জানান, তিনি ঘটনা শুনেছেন এবং তিনি ঘটনার স্থাল পরিদর্শন করেছেন। এব্যাপারে কনা মিয়ার জানান এঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করবেন।
মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে পৃথক দুটি সংঘষের ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৫ জন। আহতদের শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার ও সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গতকাল শুক্রবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে মুকিত মিয়া ও জুনায়েদ মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে জমিতে বেড়া দেওয়া নিয়ে সংর্ঘষ হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১২ জন আহত হন। আহতদের প্রথমে মৌলভীবাজার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে গুরুতর আহত ৫ জনকে প্রেরণ করা হয়েছে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে । ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এদিকে পুর্বের একটি ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দুপুরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করতে গিয়ে অপহরণকারীদের হামলায় ওই কলেজ ছাত্রী সহ তার আত্মীয় স্বজনরা আহত হন। কলেজ ছাত্রী পিতা মো. কনা মিয়া জানান, উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের শাসন গ্রামের প্রভাবশালি সত্তার মিয়ার পুত্র মোশাহিদ গংদের বিরুদ্ধে তার মেয়েকে ধর্ষণনের অভিযোগে মামলা করলে পুলিশ মোশাহিদকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এঘটনায় প্রতিশোধ নিতে আমি সহ আমার পক্ষের আত্মীয় স্বজন সহ অনেকের বিরুদ্ধে মোসাহিদের পরিবার মিথ্যা মামলা দায়ের করে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাড়ীর লোকজন জুম্মার নামাজে গেলে এ সুযোগে এলাইছ মিয়ার নেতৃত্বে মধু মিয়া. খোরসেদ, মামুন গং সহ পুকুরে গোসলে যাওয়া অবস্থায় মেয়েকে একা পেয়ে অপহরণ করতে গেলে তার চিৎকারে প্রতিবেশি সহ আত্মীয় স্বজনরা এগিয়ে আসলে তাদের উপর হামলা করা হয়। পরে এলাকাবাসি তাদেরকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন আহমদ আলী (৫৫), জুয়েল মিয়া (২০), আক্তার মিয়া(১৭), জাকির মিয়া (১৫) লাকি আক্তার (১৭)। শহীদ মিয়া (২৫)। এব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো আব্দল্লাহ জানান, তিনি ঘটনা শুনেছেন এবং তিনি ঘটনার স্থাল পরিদর্শন করেছেন। এব্যাপারে কনা মিয়ার জানান এঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করবেন। শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন