স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্বসাৎতের অভিযোগ ॥ আইন অমান্য করে রাস্তা নির্মান করার পায়তারা

জুলাই ১৫, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

পুলিশের নোটিশ অমান্য করে বাড়ীর জমিদখল করে রাস্তা নির্মান করার পায়তারা করছে একটি কু-চক্রী মহল। এছাড়াও এলজিইডির অর্থায়নে রাস্তার কাজ দেখিয়ে টাকা আৎসাতের অভিযোগ স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান শামিমকে আসামী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ঢাকার শিল্পপতি এম এ মালিক। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নস্থ জগৎপুর গ্রামের শিল্পপতি আব্দুল মালিক ও তার প্রতিবেশী আব্দুস সোবহান বখতের মধ্যে বাড়ীর সীমানা চিহ্নিতকরণ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আব্দুল মালিকের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মধ্যদিয়ে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে রাস্তা নির্মান করার চেষ্টা করলে বিরোধ চরম আকার ধারন করে। ইতিপূর্বে চেয়ারম্যানের বিভিন্ন জালিয়াতি ও স্কুলের টাকা আৎস্বাতের মামলা করায় চেয়ারম্যান শামিম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে শিল্পপতি আব্দুল মালিকের উপর। বিভিন্ন কৌশল তৈরী করে সমাজে হেয়ও করার পায়তার করছে চেয়ারম্যান এমন অভিযোগ করে বলেন জমির মালিক আব্দুল মালিক। অত:পর পুলিশ সুপারের বরাবরে জমির মালিক আব্দুল মালিকের বিরোধে রাস্তা দখলের অভিযোগ করেন প্রতিবেশী আব্দুস সোবহান বখত। সেই অভিযোগ তদন্তে গত ১২ জুলাই ঘটনাস্থলে যান মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) আব্দূল হাই ও এস আই গিয়াস সেখানে তদন্তে কাগজপত্র যাচাই-বাচাই করে রাস্তার কোন প্রমান দৃশ্যমান হয়নি বলে থানা সূত্রে জানা যায়। জমির মালিক আব্দুল মালিক তার জমির সীমানা জেলা প্রশাসকের সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারন করে একটি মসজিদ, মাদ্রাসা এবং মাজার থাকায় তিনি ঐ স্থান গুলোতে হেটে যাওয়ার রাস্তা রেখে বেড়া দেয়ার কথা জানান জমির মালিক। গ্রামবাসীর অনেকেই জানিয়েছেন বাশের বেড়া স্থাপন এবং রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ সঠিক নয় কারন জমির মালিক তার কাজে বেড়া দিয়েছে এদিকে কোন দিন রাস্তা ছিল না। জায়গাটি খালি থাকায় গ্রামের মানুষ মসজিদ, মাদ্রাসা এবং মাজারে যাওয়া আসা করতো এখনো করছে। আরো জানা যায় যে, জমির উপর রাস্তাটি অক্ষত রাখার জন্য সোবহান বখত গত ১ জুলাই সদর সহকারী জজ আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি স্বত্ব মামলা রুজু করেছেন। মামলার সরজমিন কমিশনও সম্পন্ন হয়েছে। কমিশনের রির্পোট থেকে জানা যায় যে এদিকে আদৌ কোন রাস্তা ছিলনা বলে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোবহান বখত ও তার ছেলে দুলাল বখত বলেন, তাদের বাড়িতে যাতায়াতের একমাত্র ক্রয়কৃত রাস্তা আব্দুল মালিক দখল করে নিয়েছে যা গ্রামেরও মাদ্রাসা, মসজিদ ও স্কুলের সংযোগসড়ক হচ্ছে এই রাস্তাটি। কিন্তু সোবহান বখতরা রাস্তার কোন সঠিক প্রমান দেখাতে পারেননি। বিভিন্ন অভিযোগের কথা অস্বীকার করে আখাইলকুড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামিম আহমদ বলেন, রাস্তাটি এলজিইডির মালিকানাধীন। গ্রামের মাদ্রাসা, মসজিদ ও স্কুলে যাওয়া আসার জন্য গত ২০০৩-২০০৪ অর্থ বছরে এলজিইডি এখানে একটি প্রকল্পও বাস্তবায়িত করেছে। কিন্তু সরজমিনে এলজিইডি এখানে একটি প্রকল্পও বাস্তবায়িত করার কথা স্থানীয় ছুফি মিয়াসহ অনেকেই জানেন না বলে জানান। এ ব্যাপারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ চেয়ারম্যানের বিরোধে সরকারি টাকা আৎস্বাতের অভিযোগ স্বীকার করে সোমবার দুপুর ১২টায় বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন জমির বিষয়ে আইন-শৃংখলার অবনতি যাতে না ঘটে এর জন্য নন-এফ আই আর একটি মামলা আদালতের নিকট প্রেরন করা হয়েছে।
পুলিশের নোটিশ অমান্য করে বাড়ীর জমিদখল করে রাস্তা নির্মান করার পায়তারা করছে একটি কু-চক্রী মহল। এছাড়াও এলজিইডির অর্থায়নে রাস্তার কাজ দেখিয়ে টাকা আৎসাতের অভিযোগ স্থানীয় চেয়ারম্যানের বিরোদ্ধে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান শামিমকে আসামী করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ঢাকার শিল্পপতি এম এ মালিক। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নস্থ জগৎপুর গ্রামের শিল্পপতি আব্দুল মালিক ও তার প্রতিবেশী আব্দুস সোবহান বখতের মধ্যে বাড়ীর সীমানা চিহ্নিতকরণ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আব্দুল মালিকের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির মধ্যদিয়ে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে রাস্তা নির্মান করার চেষ্টা করলে বিরোধ চরম আকার ধারন করে। ইতিপূর্বে চেয়ারম্যানের বিভিন্ন জালিয়াতি ও স্কুলের টাকা আৎস্বাতের মামলা করায় চেয়ারম্যান শামিম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে শিল্পপতি আব্দুল মালিকের উপর। বিভিন্ন কৌশল তৈরী করে সমাজে হেয়ও করার পায়তার করছে চেয়ারম্যান এমন অভিযোগ করে বলেন জমির মালিক আব্দুল মালিক। অত:পর পুলিশ সুপারের বরাবরে জমির মালিক আব্দুল মালিকের বিরোধে রাস্তা দখলের অভিযোগ করেন প্রতিবেশী আব্দুস সোবহান বখত। সেই অভিযোগ তদন্তে গত ১২ জুলাই ঘটনাস্থলে যান মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) আব্দূল হাই ও এস আই গিয়াস সেখানে তদন্তে কাগজপত্র যাচাই-বাচাই করে রাস্তার কোন প্রমান দৃশ্যমান হয়নি বলে থানা সূত্রে জানা যায়। জমির মালিক আব্দুল মালিক তার জমির সীমানা জেলা প্রশাসকের সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারন করে একটি মসজিদ, মাদ্রাসা এবং মাজার থাকায় তিনি ঐ স্থান গুলোতে হেটে যাওয়ার রাস্তা রেখে বেড়া দেয়ার কথা জানান জমির মালিক। গ্রামবাসীর অনেকেই জানিয়েছেন বাশের বেড়া স্থাপন এবং রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ সঠিক নয় কারন জমির মালিক তার কাজে বেড়া দিয়েছে এদিকে কোন দিন রাস্তা ছিল না। জায়গাটি খালি থাকায় গ্রামের মানুষ মসজিদ, মাদ্রাসা এবং মাজারে যাওয়া আসা করতো এখনো করছে। আরো জানা যায় যে, জমির উপর রাস্তাটি অক্ষত রাখার জন্য সোবহান বখত গত ১ জুলাই সদর সহকারী জজ আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি স্বত্ব মামলা রুজু করেছেন। মামলার সরজমিন কমিশনও সম্পন্ন হয়েছে। কমিশনের রির্পোট থেকে জানা যায় যে এদিকে আদৌ কোন রাস্তা ছিলনা বলে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সোবহান বখত ও তার ছেলে দুলাল বখত বলেন, তাদের বাড়িতে যাতায়াতের একমাত্র ক্রয়কৃত রাস্তা আব্দুল মালিক দখল করে নিয়েছে যা গ্রামেরও মাদ্রাসা, মসজিদ ও স্কুলের সংযোগসড়ক হচ্ছে এই রাস্তাটি। কিন্তু সোবহান বখতরা রাস্তার কোন সঠিক প্রমান দেখাতে পারেননি। বিভিন্ন অভিযোগের কথা অস্বীকার করে আখাইলকুড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামিম আহমদ বলেন, রাস্তাটি এলজিইডির মালিকানাধীন। গ্রামের মাদ্রাসা, মসজিদ ও স্কুলে যাওয়া আসার জন্য গত ২০০৩-২০০৪ অর্থ বছরে এলজিইডি এখানে একটি প্রকল্পও বাস্তবায়িত করেছে। কিন্তু সরজমিনে এলজিইডি এখানে একটি প্রকল্পও বাস্তবায়িত করার কথা স্থানীয় ছুফি মিয়াসহ অনেকেই জানেন না বলে জানান। এ ব্যাপারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ চেয়ারম্যানের বিরোধে সরকারি টাকা আৎস্বাতের অভিযোগ স্বীকার করে সোমবার দুপুর ১২টায় বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন জমির বিষয়ে আইন-শৃংখলার অবনতি যাতে না ঘটে এর জন্য নন-এফ আই আর একটি মামলা আদালতের নিকট প্রেরন করা হয়েছে। ষ্টাফ রিপোর্টার॥

মন্তব্য করুন