জেলার এলজিইডির জরাজীর্ণ রাস্তা সংস্কারে ধীরগতি

জুলাই ১৭, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৪ বার পঠিত

মৌলভীবাজার জেলার এলজিইডির জরাজীর্ণ পাকা রাস্তাগুলোর সংস্কারের জন্য আরও ৭ বছর সময় লাগবে। বছরওয়ারি প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গরজ না থাকা সংস্কারের ক্ষেত্রে কচ্ছপগতির মূল কারণ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলাতে এলজিইডি নিয়ন্ত্রিত ১৫১টি পাকা রাস্তা রয়েছে যার দূরত্ব ১১৮৫ কিলোমিটার হবে। মহাজোট ক্ষমতাসীন হবার পর বিভিন্ন উপজেলাতে পাকা রাস্তা হয়েছে আরও ৬৫ কিঃ মিঃ। নতুন রাস্তাগুলোর অবস্থা যেমন তেমন, পুরাতন রাস্তাগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা দিনে দিনে প্রকট আকার ধারণ করছে। পুরাতন ১৫১টি রাস্তার মধ্যে ৯০টি রাস্তার সংস্কার হয়নি গত ৮ বছর যাবৎ। স্থানে স্থানে পাকা রাস্তার পাথর সিলকোট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। অবিরত যানচলাচলের ফলে গর্তের প্রসারতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ফলে যান ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে। জেলার সব উপজেলার গ্রামীণ রাস্তাসমূহের এ যেন এক স্থিরচিত্র। এ রাস্তাসমূহকে আবার দুই ক্যাটিগরিতে ফেলা হয়েছে। ইউনিয়নের বড় রাস্তাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে উপজেলা সড়ক হিসেবে। বড় রাস্তাগুলোর সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী গ্রামীণ অন্যান্য পাকা রাস্তাগুলোকে ইউনিয়ন সড়ক হিসেবে স্তরভুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা সড়কগুলোর দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে এলজিইডি। অপরদিকে ইউনিয়ন রাস্তাগুলোর সংস্কারের ক্ষেত্রে এলজিএসপির অর্থানুকূল্যে দায়িত্ব বর্তেছে ইউনিয়ন পরিষদের উপর। প্রতি ইউনিয়নে এল.জি.এস.পি খাতে বার্ষিক বরাদ্দ আছে ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা। ইউনিয়ন পর্যায়ে পাকা রাস্তা রয়েছে ৮-১০ টিরও অধিক। তাই নামকাওয়াস্তে ১০-১২ লাখ টাকার বরাদ্দ অনুযায়ী একটি রাস্তার সংস্কার কাজ অসম্ভব বলে ইউপি চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন। অন্যদিকে উপজেলা সড়কগুলোর খাতে জেলা পর্য্যায়ে বরাদ্দ আসে ৫-৬ কোটি টাকা। চাহিদার তুলনায় যা অপ্রতুল। রক্ষণাবেক্ষণ খাতের এ বরাদ্দের কাজ হিস্যা অনুসারে উপজেলা পর্যায়ে সমান হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। তার নেপথ্যে কারণ রয়েছে। জানা গেছে, প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ইচ্ছানুসারে মৌলভীবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর পদে পদায়ন করা হয়েছে কমলগঞ্জ উপজেলার সাবেক থানা প্রকৌশলী মোঃ নূর নবীকে বিশেষ পরিকল্পনা অনুসারে। ইশারা মাফিক আনুগত্য প্রদর্শন এবং ছকভুক্ত টিকাদারদের গোপন টেন্ডার নিশ্চিতকরণে সিদ্ধহস্ত এ নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর এবং কুলাউড়া উপজেলা উপেক্ষিত থেকে গেছে। এ দুটি সংসদীয় এলাকার রাস্তাগুলো বেশি মাত্রায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। দুটি সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম সাইফুর রহমান ও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর নাকি বেশি মাত্রায় রাস্তা উন্নয়ন করেছিলেন বলে কর্তৃপক্ষ সমালোচনা মুখর থাকেন। এ কারণে উল্লেখিত দুটি এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নের ক্ষেত্রে নির্বাহী প্রকৌশলী অনেকটা নির্লিপ্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। সংস্কারের ক্ষেত্রে বার্ষিক বরাদ্দ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তার গরজ নেই একই মানসিকতার কারণে বলে অনেকে মন্তব্য করছেন।
মৌলভীবাজার জেলার এলজিইডির জরাজীর্ণ পাকা রাস্তাগুলোর সংস্কারের জন্য আরও ৭ বছর সময় লাগবে। বছরওয়ারি প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গরজ না থাকা সংস্কারের ক্ষেত্রে কচ্ছপগতির মূল কারণ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলাতে এলজিইডি নিয়ন্ত্রিত ১৫১টি পাকা রাস্তা রয়েছে যার দূরত্ব ১১৮৫ কিলোমিটার হবে। মহাজোট ক্ষমতাসীন হবার পর বিভিন্ন উপজেলাতে পাকা রাস্তা হয়েছে আরও ৬৫ কিঃ মিঃ। নতুন রাস্তাগুলোর অবস্থা যেমন তেমন, পুরাতন রাস্তাগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা দিনে দিনে প্রকট আকার ধারণ করছে। পুরাতন ১৫১টি রাস্তার মধ্যে ৯০টি রাস্তার সংস্কার হয়নি গত ৮ বছর যাবৎ। স্থানে স্থানে পাকা রাস্তার পাথর সিলকোট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। অবিরত যানচলাচলের ফলে গর্তের প্রসারতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ফলে যান ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে। জেলার সব উপজেলার গ্রামীণ রাস্তাসমূহের এ যেন এক স্থিরচিত্র। এ রাস্তাসমূহকে আবার দুই ক্যাটিগরিতে ফেলা হয়েছে। ইউনিয়নের বড় রাস্তাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে উপজেলা সড়ক হিসেবে। বড় রাস্তাগুলোর সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী গ্রামীণ অন্যান্য পাকা রাস্তাগুলোকে ইউনিয়ন সড়ক হিসেবে স্তরভুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা সড়কগুলোর দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে এলজিইডি। অপরদিকে ইউনিয়ন রাস্তাগুলোর সংস্কারের ক্ষেত্রে এলজিএসপির অর্থানুকূল্যে দায়িত্ব বর্তেছে ইউনিয়ন পরিষদের উপর। প্রতি ইউনিয়নে এল.জি.এস.পি খাতে বার্ষিক বরাদ্দ আছে ৮ থেকে ১২ লাখ টাকা। ইউনিয়ন পর্যায়ে পাকা রাস্তা রয়েছে ৮-১০ টিরও অধিক। তাই নামকাওয়াস্তে ১০-১২ লাখ টাকার বরাদ্দ অনুযায়ী একটি রাস্তার সংস্কার কাজ অসম্ভব বলে ইউপি চেয়ারম্যানরা জানিয়েছেন। অন্যদিকে উপজেলা সড়কগুলোর খাতে জেলা পর্য্যায়ে বরাদ্দ আসে ৫-৬ কোটি টাকা। চাহিদার তুলনায় যা অপ্রতুল। রক্ষণাবেক্ষণ খাতের এ বরাদ্দের কাজ হিস্যা অনুসারে উপজেলা পর্যায়ে সমান হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। তার নেপথ্যে কারণ রয়েছে। জানা গেছে, প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের ইচ্ছানুসারে মৌলভীবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর পদে পদায়ন করা হয়েছে কমলগঞ্জ উপজেলার সাবেক থানা প্রকৌশলী মোঃ নূর নবীকে বিশেষ পরিকল্পনা অনুসারে। ইশারা মাফিক আনুগত্য প্রদর্শন এবং ছকভুক্ত টিকাদারদের গোপন টেন্ডার নিশ্চিতকরণে সিদ্ধহস্ত এ নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর এবং কুলাউড়া উপজেলা উপেক্ষিত থেকে গেছে। এ দুটি সংসদীয় এলাকার রাস্তাগুলো বেশি মাত্রায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। দুটি সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম সাইফুর রহমান ও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর নাকি বেশি মাত্রায় রাস্তা উন্নয়ন করেছিলেন বলে কর্তৃপক্ষ সমালোচনা মুখর থাকেন। এ কারণে উল্লেখিত দুটি এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নের ক্ষেত্রে নির্বাহী প্রকৌশলী অনেকটা নির্লিপ্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। সংস্কারের ক্ষেত্রে বার্ষিক বরাদ্দ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তার গরজ নেই একই মানসিকতার কারণে বলে অনেকে মন্তব্য করছেন। স্টাফ রিপোর্টার :

মন্তব্য করুন