পাওনাদারকে বেদড়ক পেটালো দেনাদার পক্ষ। থানায় উভয়পক্ষের লিখিত অভিযোগ

জুলাই ১৯, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

টাকা পাওয়া নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের বিমান বন্দর সড়কের দুই ব্যবসায়ীর মাঝে হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। ইফতার শেষে রাত সাড়ে ৭ টায় সামাজিক বিচার শুরুর আগেই রাস্তায় ফেলে পাওনাদারকে বেদড়কভাবে পেটালো দেনাদার পক্ষ। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ ১৯ জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জুয়েল আহমদ জানান, শমশেরনগর বিমান বন্দর সড়কের কম্পিউটার সেলস এন্ড সার্ভিস সেন্টার এক্সট্রিম-এর মালিক হুমায়ূন রশীদ ব্যবসায়ীক লেনদেনের অংশ হিসাবে কিছু টাকা পেতেন সিডি ব্যবসায়ী শমশেরনগর বণিক কল্যাণ সমিতির সদস্য আবেদুর রহমানের কাছে। এ পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ব্যবসায়ী হুমায়ূন ও ব্যবসায়ী আবেদের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধে উভয় পক্ষের মাঝে হাতহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। ইফতার শেষে রাত সাড়ে ৭ টায় ঘটনাস্থলেই একটি সামাজিক বিচারের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। এ বিচার অনুষ্ঠান শুরুর আগেই বিচারে আসা দেনাদার আবেদের বাবা দুরুদ আলী পাওনাদার হুমায়ূনকে একটি লোহার পাত দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে যায়। এর পর দেনাদার আবেদের নেতৃত্বে একদল লোক রাস্তায় ফেলে বেদড়কভাবে হুমায়ূনকে পেটালো। এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও শমশেরনগর ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা গুরুতরভাবে আহত অবস্থায় ব্যবসায়ী হুমায়ূনকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থায় আশঙ্কাজনক থাকায় রাতেই মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর পরই পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শেখ শিবলু ব্যবসায়ী আবেদেরে দোকান থেকে হামলায় ব্যবহৃত লাঠিসোটা জব্দ করেন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যবসায়ী হুমায়ূন এ প্রতিনিধিকে জানান, সন্ধ্যা রাতে সামাজিক বিচারের নামে ডেকে এনে আবেদের বাবার নেতৃত্বে আমার উপর এ বর্বর হামলা চালানো হয়েছে। এ জন্য তিনি বৃহস্পতিবার রাতে দুরুদ আলীকে প্রধান আসামী করে ৮ জনের নামে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ অভিযোগ সম্পর্কে বাবা দুরুদ আলী বলেন, লেনদেন নিয়ে তার ছেলের সাথে হুমায়ূনের বিরোধ হয়। এ বিরোধে প্রথমে দুপুরে হুমায়ূন একবার আবেদকে আটকিয়ে মারধর করে। বিকাল সাড়ে ৫ টায় আবার আবেদের উপর হামলার চেষ্টা করে। ইফতার পর জনৈক ব্যবসায়ী এনামুল হক শামীমের উদ্যোগে সামাজিক বিচারের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে বিচারের পূর্বে আবেদকে মারার কারণ জানতে চাইলে হুমায়ূন তাকে (দুরুদ আলীকে) অকথ্য বাসায় গালিগালাজ করে। তখন রাগের উপর তিনি (দুরুদ আলী) ব্যবসায়ী হুমায়ূনকে ৩/৪ টি চড় থাপ্পড় মেরেছেন। এ ঘটনায় আবেদ বাদী হয়ে দোকান লুটপাটের অভিযোগ করে কমলগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করে। কমলগঞ্জ থানার ওসি নীহার রঞ্জন নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ করেছেন। যাহা এখন তদন্তাধীন আছে।
টাকা পাওয়া নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের বিমান বন্দর সড়কের দুই ব্যবসায়ীর মাঝে হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। ইফতার শেষে রাত সাড়ে ৭ টায় সামাজিক বিচার শুরুর আগেই রাস্তায় ফেলে পাওনাদারকে বেদড়কভাবে পেটালো দেনাদার পক্ষ। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ ১৯ জুলাই বৃহস্পতিবার রাতে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জুয়েল আহমদ জানান, শমশেরনগর বিমান বন্দর সড়কের কম্পিউটার সেলস এন্ড সার্ভিস সেন্টার এক্সট্রিম-এর মালিক হুমায়ূন রশীদ ব্যবসায়ীক লেনদেনের অংশ হিসাবে কিছু টাকা পেতেন সিডি ব্যবসায়ী শমশেরনগর বণিক কল্যাণ সমিতির সদস্য আবেদুর রহমানের কাছে। এ পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ব্যবসায়ী হুমায়ূন ও ব্যবসায়ী আবেদের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধে উভয় পক্ষের মাঝে হাতহাতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। ইফতার শেষে রাত সাড়ে ৭ টায় ঘটনাস্থলেই একটি সামাজিক বিচারের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। এ বিচার অনুষ্ঠান শুরুর আগেই বিচারে আসা দেনাদার আবেদের বাবা দুরুদ আলী পাওনাদার হুমায়ূনকে একটি লোহার পাত দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে যায়। এর পর দেনাদার আবেদের নেতৃত্বে একদল লোক রাস্তায় ফেলে বেদড়কভাবে হুমায়ূনকে পেটালো। এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও শমশেরনগর ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা গুরুতরভাবে আহত অবস্থায় ব্যবসায়ী হুমায়ূনকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থায় আশঙ্কাজনক থাকায় রাতেই মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পর পরই পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শেখ শিবলু ব্যবসায়ী আবেদেরে দোকান থেকে হামলায় ব্যবহৃত লাঠিসোটা জব্দ করেন। মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যবসায়ী হুমায়ূন এ প্রতিনিধিকে জানান, সন্ধ্যা রাতে সামাজিক বিচারের নামে ডেকে এনে আবেদের বাবার নেতৃত্বে আমার উপর এ বর্বর হামলা চালানো হয়েছে। এ জন্য তিনি বৃহস্পতিবার রাতে দুরুদ আলীকে প্রধান আসামী করে ৮ জনের নামে কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এ অভিযোগ সম্পর্কে বাবা দুরুদ আলী বলেন, লেনদেন নিয়ে তার ছেলের সাথে হুমায়ূনের বিরোধ হয়। এ বিরোধে প্রথমে দুপুরে হুমায়ূন একবার আবেদকে আটকিয়ে মারধর করে। বিকাল সাড়ে ৫ টায় আবার আবেদের উপর হামলার চেষ্টা করে। ইফতার পর জনৈক ব্যবসায়ী এনামুল হক শামীমের উদ্যোগে সামাজিক বিচারের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে বিচারের পূর্বে আবেদকে মারার কারণ জানতে চাইলে হুমায়ূন তাকে (দুরুদ আলীকে) অকথ্য বাসায় গালিগালাজ করে। তখন রাগের উপর তিনি (দুরুদ আলী) ব্যবসায়ী হুমায়ূনকে ৩/৪ টি চড় থাপ্পড় মেরেছেন। এ ঘটনায় আবেদ বাদী হয়ে দোকান লুটপাটের অভিযোগ করে কমলগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করে। কমলগঞ্জ থানার ওসি নীহার রঞ্জন নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে উভয়পক্ষ থানায় অভিযোগ করেছেন। যাহা এখন তদন্তাধীন আছে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন