কুলাউড়ার চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে ১ মাস থেকে রফতানী বন্ধ

জুলাই ২০, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে ১ মাস ধরে ত্রিপুরায় বাংলাদেশী সিমেন্ট, ভাঙ্গা পাথর, প্রাণ সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানী বন্ধ রয়েছে। মার্কিন মূদ্রার সাথে ভারতীয়মুদ্রা রুপির দরপতনে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা লোকসানের আশঙ্কায় বাংলাদেশী সামগ্রী এখন আর নিতে চাচ্ছেন না। ১ মাস ধরে চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশনটি নীরব নিথর পড়ে আছে। যেখানে ১ মাস আগেও রফতানীযোগ্য বাংলাদেশী বিভিন্ন কোম্পানীর সিমেন্ট, ভাঙ্গা পাথর, চুনা পাথর, প্রাণ সামগ্রী ও মাছের ট্রাক ও কন্টেইনারের দীর্ঘ লাইন ছিল। পুরো শুল্ক ষ্টেশন এলাকা বাংলাদেশী পণ্যবাহী পরিবহন থেকে ভারতীয় পরিবহনে মালামাল খালাস কাজে শ্রমিকদের কর্ম চঞ্চল পরিবেশ ছিল। চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশনে প্রাণ সামগ্রী রপ্তানির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধি মন্টু দাশ জানান, বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতীয় ৬৫ রুপি পাওয়া যায়। এর আগে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতীয় ৫৩ রুপি পাওয়া যেত। এ কারণেই প্রায় এক মাস ধরে ভাঙ্গা পাথর, সিমেন্ট ও মাছ রফতানী বন্ধ রয়েছে। আমদানী রফতানীকারক খন্দকার ইন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার আতিক সেলিম সহ অনেকেই জানান, বর্তমানে মার্কিন মূদ্রার এলসি করে ত্রিপুরায় বাংলাদেশী পণ্য নিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন না বলেই তারা এখন বাংলাদেশী পণ্য সামগ্রী নিচ্ছেন না। এদিকে চাতলাপুর শুল্ক ষ্টেশনে রফতানি বন্ধ থাকায় স্থানীয় শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। শ্রমিক সুফিয়ান ও কাইয়ূম জানান, প্রায় দুই মাস যাবৎ রফতানি বন্ধ থাকায় আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধহারে- অনাহারে দিনাতিপাত করছি। শমশেরনগরস্থ চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুর রহিম গত ১ মাসের উপরে চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে রফতানী বন্ধ থাকার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন মার্কিন মূদ্রার সাথে ভারতীয় মূদ্রার দর পতনে আপাতত ব্যবসা বন্ধ। টানা ১ মাসেও কোন ব্যবসায়ী পণ্য রফতানী করেননি বলে তিনিও অনেকটা অফিসে বসে রয়েছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাণ কোম্পানীর স্থানীয় প্রতিনিধি মন্টু দাশ জানান, কোম্পানির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল থেকে তাদের কোম্পানির মালামাল চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে ভারতে রফতানী হবে।
কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে ১ মাস ধরে ত্রিপুরায় বাংলাদেশী সিমেন্ট, ভাঙ্গা পাথর, প্রাণ সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানী বন্ধ রয়েছে। মার্কিন মূদ্রার সাথে ভারতীয়মুদ্রা রুপির দরপতনে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা লোকসানের আশঙ্কায় বাংলাদেশী সামগ্রী এখন আর নিতে চাচ্ছেন না। ১ মাস ধরে চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশনটি নীরব নিথর পড়ে আছে। যেখানে ১ মাস আগেও রফতানীযোগ্য বাংলাদেশী বিভিন্ন কোম্পানীর সিমেন্ট, ভাঙ্গা পাথর, চুনা পাথর, প্রাণ সামগ্রী ও মাছের ট্রাক ও কন্টেইনারের দীর্ঘ লাইন ছিল। পুরো শুল্ক ষ্টেশন এলাকা বাংলাদেশী পণ্যবাহী পরিবহন থেকে ভারতীয় পরিবহনে মালামাল খালাস কাজে শ্রমিকদের কর্ম চঞ্চল পরিবেশ ছিল। চাতলাপুর স্থল শুল্ক স্টেশনে প্রাণ সামগ্রী রপ্তানির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধি মন্টু দাশ জানান, বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতীয় ৬৫ রুপি পাওয়া যায়। এর আগে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতীয় ৫৩ রুপি পাওয়া যেত। এ কারণেই প্রায় এক মাস ধরে ভাঙ্গা পাথর, সিমেন্ট ও মাছ রফতানী বন্ধ রয়েছে। আমদানী রফতানীকারক খন্দকার ইন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার আতিক সেলিম সহ অনেকেই জানান, বর্তমানে মার্কিন মূদ্রার এলসি করে ত্রিপুরায় বাংলাদেশী পণ্য নিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন না বলেই তারা এখন বাংলাদেশী পণ্য সামগ্রী নিচ্ছেন না। এদিকে চাতলাপুর শুল্ক ষ্টেশনে রফতানি বন্ধ থাকায় স্থানীয় শ্রমিকরা পড়েছেন বিপাকে। শ্রমিক সুফিয়ান ও কাইয়ূম জানান, প্রায় দুই মাস যাবৎ রফতানি বন্ধ থাকায় আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধহারে- অনাহারে দিনাতিপাত করছি। শমশেরনগরস্থ চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুর রহিম গত ১ মাসের উপরে চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে রফতানী বন্ধ থাকার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন মার্কিন মূদ্রার সাথে ভারতীয় মূদ্রার দর পতনে আপাতত ব্যবসা বন্ধ। টানা ১ মাসেও কোন ব্যবসায়ী পণ্য রফতানী করেননি বলে তিনিও অনেকটা অফিসে বসে রয়েছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাণ কোম্পানীর স্থানীয় প্রতিনিধি মন্টু দাশ জানান, কোম্পানির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল থেকে তাদের কোম্পানির মালামাল চাতলাপুর স্থল শুল্ক ষ্টেশন দিয়ে ভারতে রফতানী হবে। কুলাউড়া অফিস :

মন্তব্য করুন