মৌলভীবাজারে জমির নামজারি জট

জুলাই ২৩, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

জমি হস্তান্তর কিংবা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নামজারি জট প্রকট আকার ধারণ করেছে। মৌলভীবাজার সদরসহ প্রতিটি উপজেলার এ নামজারি জটের কারণে জমি বিক্রয় ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে অহেতুক বিলম্ব ঘটায় সংশ্লিষ্ট মহলে ভোগান্তি বাড়ছে। জানা গেছে, গত ২০০৫ সনের জমি রেজিষ্ট্রিকরণ বিধিমালার আলোকে জমি বিক্রেতার মালিকানা নিষ্কণ্টক করার ক্ষেত্রে নামজারীকরণ অত্যাবশ্যক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আগ্রহী জমি বিক্রেতা কিংবা হস্তান্তরকারীকে এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড অফিসে ২৪৫ টাকা ফি প্রদানপূর্বক আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। আবেদন অনুসারে জমির দাগ খতিয়ান ও মালিকানা নিশ্চিত করে থাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। অভিযোগ উঠেছে, এসিল্যান্ড অফিস থেকে আবেদনসহ নথিপত্র ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাওয়ার পর নানা অজুহাত তুলে আবেদনকারীকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। বিধি মোতাবেক ৪৫ দিনের মধ্যে নামজারি পর্চা নিশ্চিত করার নিয়ম থাকলেও তফশিল অফিসের ফাইলজটের কারণে ৬ মাসেও নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে না। এসএ রেকর্ড এবং হালনাগাদ জরিপের ভলিয়মের তারতম্য দেখিয়ে প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে বাড়তি ৩-৪ হাজার টাকা সেলামি আদায় করা হচ্ছে। অন্যদিকে জেলার ৭টি এসিল্যান্ড অফিসের মধ্যে ৩ টিতে সহকারী কমিশনার না থাকায় নামজারি মামলার শুনানি ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নামজারি জট প্রকট আকার ধারণ করেছে কুলাউড়া মৌলভীবাজার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার। উল্লিখিত তিনটি উপজেলাতে জমি বিক্রি এবং হস্তান্তর হচ্ছে বেশি মাত্রায়। প্রতি বছর ওই তিন উপজেলার প্রতিটিতে ৪ থেকে ৫ হাজার নামজারি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। অনিষ্পন্ন অবস্থায় থেকে যাচ্ছে আরও ২-৩ হাজার আবেদন।
জমি হস্তান্তর কিংবা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নামজারি জট প্রকট আকার ধারণ করেছে। মৌলভীবাজার সদরসহ প্রতিটি উপজেলার এ নামজারি জটের কারণে জমি বিক্রয় ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে অহেতুক বিলম্ব ঘটায় সংশ্লিষ্ট মহলে ভোগান্তি বাড়ছে। জানা গেছে, গত ২০০৫ সনের জমি রেজিষ্ট্রিকরণ বিধিমালার আলোকে জমি বিক্রেতার মালিকানা নিষ্কণ্টক করার ক্ষেত্রে নামজারীকরণ অত্যাবশ্যক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আগ্রহী জমি বিক্রেতা কিংবা হস্তান্তরকারীকে এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড অফিসে ২৪৫ টাকা ফি প্রদানপূর্বক আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। আবেদন অনুসারে জমির দাগ খতিয়ান ও মালিকানা নিশ্চিত করে থাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। অভিযোগ উঠেছে, এসিল্যান্ড অফিস থেকে আবেদনসহ নথিপত্র ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাওয়ার পর নানা অজুহাত তুলে আবেদনকারীকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। বিধি মোতাবেক ৪৫ দিনের মধ্যে নামজারি পর্চা নিশ্চিত করার নিয়ম থাকলেও তফশিল অফিসের ফাইলজটের কারণে ৬ মাসেও নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে না। এসএ রেকর্ড এবং হালনাগাদ জরিপের ভলিয়মের তারতম্য দেখিয়ে প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে বাড়তি ৩-৪ হাজার টাকা সেলামি আদায় করা হচ্ছে। অন্যদিকে জেলার ৭টি এসিল্যান্ড অফিসের মধ্যে ৩ টিতে সহকারী কমিশনার না থাকায় নামজারি মামলার শুনানি ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নামজারি জট প্রকট আকার ধারণ করেছে কুলাউড়া মৌলভীবাজার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার। উল্লিখিত তিনটি উপজেলাতে জমি বিক্রি এবং হস্তান্তর হচ্ছে বেশি মাত্রায়। প্রতি বছর ওই তিন উপজেলার প্রতিটিতে ৪ থেকে ৫ হাজার নামজারি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। অনিষ্পন্ন অবস্থায় থেকে যাচ্ছে আরও ২-৩ হাজার আবেদন। স্টাফ রিপোর্টার॥

মন্তব্য করুন