কমলগঞ্জে ঠেলাচালকের স্ত্রী কন্যাকে কূপিয়ে ও লাঠি পেটা করে জখম করে সন্ত্রাসী চক্র

জুলাই ২৬, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক দরিদ্র ঠেলা (হাতাগাড়ি) চালকের স্ত্রী ও কন্যাকে কূপিয়ে ও লাঠিপেটা করে জখম করে স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্র। শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় শমশেরনগর ইউনিয়নের ভাদাইর দেউল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। Br Br প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল আহমদ জানান, দরিদ্র ঠেলা চালক আব্দুল্লাহ মিয়ার বাড়ির সীমানায় ময়লা ফেলার প্রতিবাদ করলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা কুখ্যাত সন্ত্রাসী আরজু মিয়া (২৪) দৌড়ে এসে দা দিয়ে কূপ মারে ঠেলা চালকের স্ত্রী তরিকা বিবি (৬০)-র কপালে। এসময় লাঠিসোটা নিয়ে হামলায় যোগ দেয় আরজু মিয়ার সঙ্গী নছির মিয়া (৪৫)। মাকে রক্ষা করতে আসা তরিকা বিবির মেয়ে হুসনা বেগম (২০)কে লাটি পেটা করা হয়। ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল মিয়া ও তরিকা বিবির ছেলে আকবর আলী তাকে (তরিকা বিবি)কে দ্রুত কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত তরিকা বিবিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার পর আবার সন্ত্রাসীরা বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে। Br Br কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহমদ হোসেন জানান, মহিলার আঘাত গুরুতর। কেটে যাওয়া স্থানে সেলাই শেষে তাকে (মহিলাকে) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আহত তরিকা বিবির ছেলে আকবর আলী জানান, বাড়ির জমি রাস্তা দাবী করে হামলাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদেরকে নানাভাবে ঝালাতন করছে। এ নিয়ে ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী ইউপি সদস্যের সহায়তায় হামলাকারীদের আত্মীয়রা উল্টো কমলগঞ্জ থানায় হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেছিল। এ মামলার আসামী নছির মিয়াসহ চারজন মিলে তার বাবা ঠেলা চালক আব্দুল্লাহ মিয়াকে মারপিট করে আহত করে। এ ঘটনায় ছেলে হিসাবে সে (আকবর) বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে হামলার হুমকি দিয়ে শুক্রবার আরজু মিয়া কূপিয়ে মাকে ও লাটি পেটা করে বোনকে জখম করে। আকবর আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলে, একটি প্রভাবশঅলী মহলের মদদে এত কিছু হচ্ছে। Br Br ঘটনার খবর পেয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল তদন্ত করে কূপিয়ে ও লাঠি পেটা করে আহত করার সত্যতা পেয়েছেন। কমলগঞ্জ থানার ওসি নীহার রঞ্জন নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আহতদের পক্ষে মামলা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। Br Br উল্লেখ্য, বসত ভিটের জমি নিয়ে বিরোধে ২০০২ সনের ২৮ জুলাই তার বোন এসএসসি পরীক্ষার্থ মাহমুদাকে আক্তারকে প্রতিবেশী ডালিম মিয়া এসিড নিক্ষেপ করে আহত করেছিল। এর পর প্রথম আলো এসিড সহায়ক তহিবল থেকে মামুদার পরিবারকে একটি গোয়াল ঘর নির্মাণ করে বাছুরসহ একটি গাভী প্রদান করেছিল। এক বছর পর ১৯ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে গোয়াল ঘর ওগাভী গ্রহন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকার এসিড সার্ভাইভরস ফাউন্ডেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে ১৮ জুন মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় মাহমুদা মারা যায়।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক দরিদ্র ঠেলা (হাতাগাড়ি) চালকের স্ত্রী ও কন্যাকে কূপিয়ে ও লাঠিপেটা করে জখম করে স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্র। শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় শমশেরনগর ইউনিয়নের ভাদাইর দেউল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। Br Br প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল আহমদ জানান, দরিদ্র ঠেলা চালক আব্দুল্লাহ মিয়ার বাড়ির সীমানায় ময়লা ফেলার প্রতিবাদ করলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা কুখ্যাত সন্ত্রাসী আরজু মিয়া (২৪) দৌড়ে এসে দা দিয়ে কূপ মারে ঠেলা চালকের স্ত্রী তরিকা বিবি (৬০)-র কপালে। এসময় লাঠিসোটা নিয়ে হামলায় যোগ দেয় আরজু মিয়ার সঙ্গী নছির মিয়া (৪৫)। মাকে রক্ষা করতে আসা তরিকা বিবির মেয়ে হুসনা বেগম (২০)কে লাটি পেটা করা হয়। ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শী সোহেল মিয়া ও তরিকা বিবির ছেলে আকবর আলী তাকে (তরিকা বিবি)কে দ্রুত কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত তরিকা বিবিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার পর আবার সন্ত্রাসীরা বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে। Br Br কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহমদ হোসেন জানান, মহিলার আঘাত গুরুতর। কেটে যাওয়া স্থানে সেলাই শেষে তাকে (মহিলাকে) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আহত তরিকা বিবির ছেলে আকবর আলী জানান, বাড়ির জমি রাস্তা দাবী করে হামলাকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদেরকে নানাভাবে ঝালাতন করছে। এ নিয়ে ইতিপূর্বে একজন প্রভাবশালী ইউপি সদস্যের সহায়তায় হামলাকারীদের আত্মীয়রা উল্টো কমলগঞ্জ থানায় হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেছিল। এ মামলার আসামী নছির মিয়াসহ চারজন মিলে তার বাবা ঠেলা চালক আব্দুল্লাহ মিয়াকে মারপিট করে আহত করে। এ ঘটনায় ছেলে হিসাবে সে (আকবর) বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে হামলার হুমকি দিয়ে শুক্রবার আরজু মিয়া কূপিয়ে মাকে ও লাটি পেটা করে বোনকে জখম করে। আকবর আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলে, একটি প্রভাবশঅলী মহলের মদদে এত কিছু হচ্ছে। Br Br ঘটনার খবর পেয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল তদন্ত করে কূপিয়ে ও লাঠি পেটা করে আহত করার সত্যতা পেয়েছেন। কমলগঞ্জ থানার ওসি নীহার রঞ্জন নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আহতদের পক্ষে মামলা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। Br Br উল্লেখ্য, বসত ভিটের জমি নিয়ে বিরোধে ২০০২ সনের ২৮ জুলাই তার বোন এসএসসি পরীক্ষার্থ মাহমুদাকে আক্তারকে প্রতিবেশী ডালিম মিয়া এসিড নিক্ষেপ করে আহত করেছিল। এর পর প্রথম আলো এসিড সহায়ক তহিবল থেকে মামুদার পরিবারকে একটি গোয়াল ঘর নির্মাণ করে বাছুরসহ একটি গাভী প্রদান করেছিল। এক বছর পর ১৯ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে গোয়াল ঘর ওগাভী গ্রহন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকার এসিড সার্ভাইভরস ফাউন্ডেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে ১৮ জুন মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় মাহমুদা মারা যায়। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

মন্তব্য করুন