মাধবকুন্ড জলপ্রপাত থেকে পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে : অভ্যন্তরিন সড়ক সংস্কারে কর্তৃপক্ষ চরম উদাসিন

জুলাই ২৬, ২০১৩, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ এই সংবাদটি ৩ বার পঠিত

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জলপ্রপাত ও ইকোপার্ক মাধবকুন্ডের অভ্যন্তরিন সড়কের বেহাল অবস্থার কারনে দেশী বিদেশী পর্যটকরা এ পর্যটন স্পট থেকে ক্রমশ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। মাত্র ৮ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য গত সাড়ে ৪ বছর ধরে এলাকাবাসীসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন একাধিকবার মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসুচী পালন করলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঘুম ভাঙ্গেনি। সরকার প্রতিবছর মাধবকুন্ড ইকোপার্ক থেকে ১৫ হতে ২৮ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করলেও গত তিন বছর ১০/১২ লাখ টাকায়ও মাধবকুন্ড ইজারা নিতে রাজি হয়নি কোন ইজারাদার। ফলে এ সময় ধরে মুল দায়িত্ব ফেলে রেখে বন বিভাগ স্থানীয় বিট কর্মকর্তাকে দিয়ে মাধবকুন্ড ইকোপার্কের টোল আদায় করাচ্ছে। এতে বনবিটের সেগুন কাঠসহ অন্যান্য বনজ সম্পদ পাচারের সুযোগ পাচ্ছে স্থানীয় কাঠচোর সিন্ডিকেট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভুমি মাধবকুন্ড জলপ্রপাত পর্যটকদের মায়াবী হাতছানি দেয়। পাহাড় টিলা বেষ্টিত সবুজ অরণ্যের প্রায় আড়াইশ ফুট উচু থেকে ঝর্না ধারার দৃশ্য সকল বয়সের নারী পুরুষকে মোহিত করে আনন্দ দেয়। প্রতিদিন হাজার হাজার ভ্রমন পিপাসু ভিড় জমাতো মধাবকুন্ডের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। একে ঘিরে ২০০০ সালে গড়ে তোলা হয় ইকোপার্ক। নয়নাভিরাম মাধবকুন্ড সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান হিসেবে মাধবেশ্বর ও শিব মন্দিরে প্রতি বছর চৈত্রের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান ও বারুনী মেলা বসে। এ উপলক্ষে দুর দুরান্ত থেকে হাজার হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের আগমনে জলপ্রপাত এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে। সেই থেকে জলপ্রপাতের আকর্ষনে প্রকৃতি প্রেমীর কাছে এটি পিকনিক স্পট হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। প্রায় আড়াইশ ফুট উচু পাহাড় থেকে নেমে আসছে অবিরাম জলধারা। এরই ফলে সৃষ্টি হয়েছে কুন্ড। কুন্ডের নিচের একেকটি পাথর যে কারও মন কাড়ে। টিলার গা বেয়ে পানি পড়া স্থানটুকু কঠিন পাথরে পরিবেষ্টিত। জল প্রপাতের নিচের ডান দিকে পাথরের টিলার গায়ে সৃষ্টি হয়েছে বিরাট গুহা। বৃষ্টির সময় এখানে কয়েশ দর্শনার্থী অনায়াসে না ভিজে থাকতে পারে। স্থানীয় ভাষায় এই গুহাকে ‘কাব’ বলে। দেখলে মনে হয় বহু মানুষের তৈরি খন্ডিত পাথরের একচালা ঘর। অথচ এ ‘কাব’ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি। মাধবকুন্ড জলপ্রপাতে যেতে চোঁখে পড়বে চা বাগান। ভাজে ভাজে ছোট বড় টিলা তার মধ্যে খাসিয়া উপজাতিদের পুঞ্জি। জুম চাষ ও পাহাড়ীদের সনাতনী বাড়ী ঘর ছাড়াও বিরল প্রজাতির কীট পতঙ্গ ও পশু পাখির কলকাকলি। প্রাকৃতিক এসব সৌন্দর্য মাধবকুন্ডকে আরও দর্শনীয় করে তুলেছে। মাধবকুন্ড পর্যটন কেন্দ্রে দেখা যায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর দর্শনার্থী সমাগম অনেক কম। আগতরা জানান, প্রধান সড়ক হতে ভিতরের সড়কটি খুবই সরু ও মারাত্মক ভাঙ্গাচোরা। মাধবকুন্ড যতই সুন্দরী কন্যা হউক না কেন এমন ঝুঁকিপুর্ন সড়ক দিয়ে কেউকি এখানে আসতে চাইবে। তারা সড়কটির দ্রুত প্রশস্থকরন ও সংস্কারের দাবী জানান। নইলে অচিরেই মাধবকুন্ড প্রকৃতি প্রেমিদেও মন থেকে হারিয়ে যাবে। প্রাক্তন ইজারাদার কামাল আহমদ ও জাহাঙ্গির আলম জানান, এক সময় মাধবকুন্ড ইকোপার্কের প্রধান গেট ২৭-২৮ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েও লাভ করেছি। এখন ১০-১২ লাখ টাকায় নিলেও ক্ষতি হবে। কারন রাস্তার বেহাল অবস্থার দরুন পর্যটক সমাগম ক্রমাগত কমছে। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) বিদ্যূত ভুষন পাল জানান, মাধবকুন্ডের রাস্তাটি শুধু সংস্কার নয় প্রশস্থও হবে। বিভিন্ন কারনে তা বিলম্বিত হলেও এ মাসেই কাজের টেন্ডার হওয়ার কথা রয়েছে।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জলপ্রপাত ও ইকোপার্ক মাধবকুন্ডের অভ্যন্তরিন সড়কের বেহাল অবস্থার কারনে দেশী বিদেশী পর্যটকরা এ পর্যটন স্পট থেকে ক্রমশ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। মাত্র ৮ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য গত সাড়ে ৪ বছর ধরে এলাকাবাসীসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন একাধিকবার মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসুচী পালন করলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঘুম ভাঙ্গেনি। সরকার প্রতিবছর মাধবকুন্ড ইকোপার্ক থেকে ১৫ হতে ২৮ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করলেও গত তিন বছর ১০/১২ লাখ টাকায়ও মাধবকুন্ড ইজারা নিতে রাজি হয়নি কোন ইজারাদার। ফলে এ সময় ধরে মুল দায়িত্ব ফেলে রেখে বন বিভাগ স্থানীয় বিট কর্মকর্তাকে দিয়ে মাধবকুন্ড ইকোপার্কের টোল আদায় করাচ্ছে। এতে বনবিটের সেগুন কাঠসহ অন্যান্য বনজ সম্পদ পাচারের সুযোগ পাচ্ছে স্থানীয় কাঠচোর সিন্ডিকেট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভুমি মাধবকুন্ড জলপ্রপাত পর্যটকদের মায়াবী হাতছানি দেয়। পাহাড় টিলা বেষ্টিত সবুজ অরণ্যের প্রায় আড়াইশ ফুট উচু থেকে ঝর্না ধারার দৃশ্য সকল বয়সের নারী পুরুষকে মোহিত করে আনন্দ দেয়। প্রতিদিন হাজার হাজার ভ্রমন পিপাসু ভিড় জমাতো মধাবকুন্ডের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। একে ঘিরে ২০০০ সালে গড়ে তোলা হয় ইকোপার্ক। নয়নাভিরাম মাধবকুন্ড সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান হিসেবে মাধবেশ্বর ও শিব মন্দিরে প্রতি বছর চৈত্রের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান ও বারুনী মেলা বসে। এ উপলক্ষে দুর দুরান্ত থেকে হাজার হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের আগমনে জলপ্রপাত এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে। সেই থেকে জলপ্রপাতের আকর্ষনে প্রকৃতি প্রেমীর কাছে এটি পিকনিক স্পট হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। প্রায় আড়াইশ ফুট উচু পাহাড় থেকে নেমে আসছে অবিরাম জলধারা। এরই ফলে সৃষ্টি হয়েছে কুন্ড। কুন্ডের নিচের একেকটি পাথর যে কারও মন কাড়ে। টিলার গা বেয়ে পানি পড়া স্থানটুকু কঠিন পাথরে পরিবেষ্টিত। জল প্রপাতের নিচের ডান দিকে পাথরের টিলার গায়ে সৃষ্টি হয়েছে বিরাট গুহা। বৃষ্টির সময় এখানে কয়েশ দর্শনার্থী অনায়াসে না ভিজে থাকতে পারে। স্থানীয় ভাষায় এই গুহাকে ‘কাব’ বলে। দেখলে মনে হয় বহু মানুষের তৈরি খন্ডিত পাথরের একচালা ঘর। অথচ এ ‘কাব’ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি। মাধবকুন্ড জলপ্রপাতে যেতে চোঁখে পড়বে চা বাগান। ভাজে ভাজে ছোট বড় টিলা তার মধ্যে খাসিয়া উপজাতিদের পুঞ্জি। জুম চাষ ও পাহাড়ীদের সনাতনী বাড়ী ঘর ছাড়াও বিরল প্রজাতির কীট পতঙ্গ ও পশু পাখির কলকাকলি। প্রাকৃতিক এসব সৌন্দর্য মাধবকুন্ডকে আরও দর্শনীয় করে তুলেছে। মাধবকুন্ড পর্যটন কেন্দ্রে দেখা যায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর দর্শনার্থী সমাগম অনেক কম। আগতরা জানান, প্রধান সড়ক হতে ভিতরের সড়কটি খুবই সরু ও মারাত্মক ভাঙ্গাচোরা। মাধবকুন্ড যতই সুন্দরী কন্যা হউক না কেন এমন ঝুঁকিপুর্ন সড়ক দিয়ে কেউকি এখানে আসতে চাইবে। তারা সড়কটির দ্রুত প্রশস্থকরন ও সংস্কারের দাবী জানান। নইলে অচিরেই মাধবকুন্ড প্রকৃতি প্রেমিদেও মন থেকে হারিয়ে যাবে। প্রাক্তন ইজারাদার কামাল আহমদ ও জাহাঙ্গির আলম জানান, এক সময় মাধবকুন্ড ইকোপার্কের প্রধান গেট ২৭-২৮ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েও লাভ করেছি। এখন ১০-১২ লাখ টাকায় নিলেও ক্ষতি হবে। কারন রাস্তার বেহাল অবস্থার দরুন পর্যটক সমাগম ক্রমাগত কমছে। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) বিদ্যূত ভুষন পাল জানান, মাধবকুন্ডের রাস্তাটি শুধু সংস্কার নয় প্রশস্থও হবে। বিভিন্ন কারনে তা বিলম্বিত হলেও এ মাসেই কাজের টেন্ডার হওয়ার কথা রয়েছে। বড়লেখা প্রতিনিধি:

মন্তব্য করুন