গ্র্যান্ড সুলতান টি রির্সোট ও খাজা মোজাম্মেল হক্ (র:) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান

নভেম্বর ১০, ২০১৮, ২:০৯ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৬২ বার পঠিত

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট ও খাজা মোজাম্মেল হক্ (র:) ফাউন্ডেশনের চয়ারম্যান খাজা টিপু সুলতান উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুই হাজার মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা ইসলামিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খাজা মোজাম্মেল হক্ (র:) ফাউন্ডেশনের নামে সম্প্রতি এক আরম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১৬২৭ ছাত্র-ছাত্রীকে সম্মাননা সনদ এবং অষ্টম ও দশম শ্রেণীর ৩৫১ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাজা মোজাম্মেল হক্ (রঃ) ফাউন্ডেশনের মাননীয় চেয়ারম্যান খাজা টিপু সুলতান। সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী মাহবুব, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফী উল্লাহ, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ রায়হান গফুর, সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেড.জেড. এম তাজুল হুদা ও সলঙ্গা ইসলামিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমূখ।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রীসহ, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবকবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও সমাজের বিভিন্নস্তরের পেশাজীবীগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাজা টিপু সুলতান ছাত্রছাত্রীর  উদ্দেশ্যে বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজের সত্যিকারের মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান রাখেন, সমস্ত খারাপ কাজকে বর্জন এবং সমস্ত ভাল কাজকে গ্রহণ করার জন্য। আর সেটা সম্ভব শিক্ষা এবং আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে। যদি শিক্ষার্থীরা এই চর্চা করতে পারো, হয়তো তোমাদের ভিতর থেকেই কেউ না কেউ জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। আমরা মিথ্যা বলবো না, এমন কিছু করবো না যা ধর্মে নিষেধ, যা রাষ্ট্রের আইন পরিপন্থী, যা সামাজিক অবক্ষয় ডেকে আনে এবং যা পরিবারের সদস্যদের কষ্ট দেয়। আমি বিশ্বাস করি তোমরাই সারা দেশের কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে।

ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটনোর বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ২০০১ সালে ২টি স্কুল নিয়ে শুরু হওয়া এ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানটি আজ বিস্তৃতি লাভ করেছে ৯৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”