বড়লেখায় খাস জমি নিয়ে সংঘর্ষের আশংকা

ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৯, ৯:২৯ অপরাহ্ণ এই সংবাদটি ৮৯ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় ১৫ শতক খাস জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে। এক পক্ষ উক্ত ভুমির দখলে থেকে বন্দোবস্ত নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলেও অন্যপক্ষ ওই জমির মালিকানা দাবী করে দখলদারদের উচ্ছেদ করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের গজভাগ মৌজার জেএল নং ১৩৩ খতিয়ান নং ১ দাগ নং এসএ ১ এর ১৫ শতক ভুমিতে গজভাগ গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে নজরুল ইসলাম ডেল তার পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে। উক্ত খাস জমিটি বন্দোবস্ত নেয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন যা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছেন।

ওই ভুমির মালিকানা দাবী করে পার্শ্ববর্তী দোহালিয়া গ্রামের আব্দুল মুনিম এর ছেলে আব্দুল্লাহ আল হেলাল, মৃত তরুজ আলী টনুর ছেলে আব্দুল মজিদ ও আব্দুল হাসিম ৯ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল ১০ টায় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত ভুমি দখল করার জন্য এগিয়ে এলে প্রতিরোধের মুখে তারা সরে যায়।

নজরুল ইসলাম উক্ত ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ১১ ফেব্রুয়ারী সোমবার এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আদালত বড়লেখায় একটি লিখিত আবেদন করেছেন।

দোহালিয়া গ্রামের আব্দুল্লা আল হেলাল জানান, উক্ত ভুমিটি আমি ১২/১৩ বছর আগে আসুক মিয়া ও অলি মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করেছি। নজরুল ইসলাম আমার জমিতে অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করছে। সরকারী ভুমি আপনি ক্রয় করলেন কিভাবে প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

দক্ষিনভাগ ভুমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত ভুমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এ ব্যাপারে বলেন, নজরুল ইসলাম উক্ত ভুমিতে দখলদার থেকে ভুমিটি বন্দোবস্ত নেয়ার জন্য আবেদন করেছেন যা একনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উক্ত খাস জমিটি যেহেতু এখনো কাউকে লীজ দেয়া হয়নি সেহেতু তা কেনা বেচা করা সম্পূর্ণ অবৈধ।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়াসিনুল হক জানান, দুই পক্ষকে নিয়ে আমি রোববার থানায় বসেছিলাম তখন কেউ হামলার কথা বলেনি। উক্ত জমিটি এখনো কেউ লীজ যেহেতু আনতে পারেনি সেহেতু যে লীজ পাবে আমরা তাকে সহযোগিতা করবো।

দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজির উদ্দিন জানান, উক্ত ভুমিতে নজরুল ইসলাম তার পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে, ভুমিটি সরকার থেকে এখনো কাউকে লীজ দেয়া হয়নি অথচ অবৈধভাবে এটা কে বা কারা বিক্র করছে যা সম্পূর্ণ বেআইনী।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”